ডেইলি বাংল সংবাদ
আপডেট : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডিলার নিয়োগ, সম্পদ ও জাল জিও বিতর্কে টিসিবির যুগ্ম পরিচালক

ডিলার নিয়োগ, সম্পদ ও জাল জিও বিতর্কে টিসিবির যুগ্ম পরিচালক

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর যুগ্ম পরিচালক মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সম্পদের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি এবং পণ্য বিতরণ ব্যবস্থাপনায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীরা তাঁর সম্পদের উৎস, ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের তদন্ত দাবি করেছেন।

জানা গেছে, ২০১৪ সালে টিসিবিতে চাকরিজীবন শুরু করেন মো. শফিকুল ইসলাম। প্রথমে তিনি সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ের ঢাকা সিএমএস ও বিওবি শাখায় কর্মরত ছিলেন। এক বছর পর বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ে বদলি হন। পরে ময়মনসিংহ আঞ্চলিক কার্যালয়ে যোগ দিয়ে প্রায় পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি টিসিবির ঢাকা সিএমএস ও বিওবি শাখায় যুগ্ম পরিচালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, ময়মনসিংহে দায়িত্ব পালনকালে তিনি টিসিবির পণ্য বিতরণ, ডিলার নিয়োগ এবং পরিবহন ব্যবস্থাপনাকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাবশালী বলয় গড়ে তোলেন। ওই সময় ডিও (ডেলিভারি অর্ডার) বাণিজ্য, ডিলারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে পণ্য কালোবাজারে বিক্রি এবং ট্রাকসেলের পণ্য প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে না পৌঁছে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগকারীদের দাবি, ময়মনসিংহে প্রায় পাঁচ বছর দায়িত্ব পালনের সময় তাঁর আর্থিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে এবং ওই সময়ের মধ্যেই তিনি প্রায় পাঁচ কোটি টাকার সম্পদের মালিক হন। তাঁর গ্রামের বাড়িতে নির্মিত বাড়ি ও জীবনযাপনের ধরন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

এ ছাড়া রংপুরের হনুমানতলা এলাকায় তাঁর প্রায় ৩০ শতাংশ জমি রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, জমিটির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা। গত কয়েক বছরে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে একাধিকবার ভারত সফর করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব সম্পদের প্রকৃত মালিকানা, মূল্য ও অর্থের উৎস সম্পর্কে সরকারি কোনো যাচাই হয়নি বলে জানা গেছে।

ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে যে শাখায় তিনি দায়িত্ব পালন করছেন, সেই শাখা টিসিবির ডিলার নিয়োগের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। তাঁর বাবা, ভাইসহ পরিবারের একাধিক সদস্য টিসিবির ডিলার হয়েছেন বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। এছাড়া ভগ্নিপতি, ছোট ভাই ও ফুফাতো ভাইসহ কয়েকজন আত্মীয়কে টিসিবিতে মাস্টাররোলে চাকরি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগকারীদের মতে, ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু আত্মীয়-স্বজন নয়, পছন্দের ব্যক্তিদেরও প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ডিলারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের মাধ্যমে তিনি টিসিবির পণ্য বিতরণ ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন প্রভাব বিস্তার করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

জাল জিও তৈরির অভিযোগ মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাল সরকারি আদেশ (জিও) তৈরি করে বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ভারত যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে বিষয়টি ধরা পড়ে এবং পরে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না কিংবা চূড়ান্তভাবে কী সিদ্ধান্ত হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়।

অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, এ ঘটনার পরও তিনি কোনো বড় ধরনের প্রশাসনিক শাস্তির মুখোমুখি হননি। যদিও অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন অভিযোগকারীদের মতে, চাকরিজীবনের শুরু থেকে ময়মনসিংহে দায়িত্ব পালনকালই ছিল তাঁর আর্থিক উত্থানের প্রধান সময়। তাঁদের দাবি, তাঁর নামে এবং পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব, আয়কর নথি, ব্যাংক হিসাব, জমি ক্রয়-বিক্রয়ের দলিল এবং ডিলার নিয়োগসংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই করা হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা উদঘাটন করা সম্ভব হবে।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর বৈধ আয়, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পদ এবং বর্তমান সম্পদের মধ্যে সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তাও তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি উঠেছে।

রাজনৈতিক যোগাযোগের অভিযোগ মো. শফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার পারুল ইউনিয়নে। অভিযোগ রয়েছে, এ কারণে তিনি সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। তবে ওই যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি কোনো প্রশাসনিক বা বাণিজ্যিক সুবিধা পেয়েছেন কি না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি নিজেকে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে তাঁদের প্রশ্ন, রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন হলেও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগগুলোর কোনো পরিবর্তন হয়েছে কি না।

তদন্তের দাবি বর্তমানে টিসিবির একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখায় দায়িত্ব পালন করায় তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো গুরুত্বসহকারে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে ময়মনসিংহে দায়িত্ব পালনের সময়কার ডিলার তালিকা, পণ্য বরাদ্দ ও বিতরণের হিসাব, ডিও ইস্যুর নথি, ট্রাকসেল কার্যক্রম, পরিবহন ঠিকাদারদের সঙ্গে লেনদেন এবং পরিবারের সদস্যদের ডিলারশিপ সংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

তাদের মতে, একজন পঞ্চম গ্রেডের কর্মকর্তার জীবনযাপন ও সম্পদের সঙ্গে বৈধ আয়ের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে টিসিবির ঢাকা সিএমএস ও বিওবি শাখার যুগ্ম পরিচালক মো. শফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ডিলার নিয়োগ, সম্পদ ও জাল জিও বিতর্কে টিসিবির যুগ্ম পরিচালক

প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর যুগ্ম পরিচালক মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সম্পদের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি এবং পণ্য বিতরণ ব্যবস্থাপনায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীরা তাঁর সম্পদের উৎস, ডিলার নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের তদন্ত দাবি করেছেন।

জানা গেছে, ২০১৪ সালে টিসিবিতে চাকরিজীবন শুরু করেন মো. শফিকুল ইসলাম। প্রথমে তিনি সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ের ঢাকা সিএমএস ও বিওবি শাখায় কর্মরত ছিলেন। এক বছর পর বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ে বদলি হন। পরে ময়মনসিংহ আঞ্চলিক কার্যালয়ে যোগ দিয়ে প্রায় পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি টিসিবির ঢাকা সিএমএস ও বিওবি শাখায় যুগ্ম পরিচালক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, ময়মনসিংহে দায়িত্ব পালনকালে তিনি টিসিবির পণ্য বিতরণ, ডিলার নিয়োগ এবং পরিবহন ব্যবস্থাপনাকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাবশালী বলয় গড়ে তোলেন। ওই সময় ডিও (ডেলিভারি অর্ডার) বাণিজ্য, ডিলারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে পণ্য কালোবাজারে বিক্রি এবং ট্রাকসেলের পণ্য প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে না পৌঁছে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগকারীদের দাবি, ময়মনসিংহে প্রায় পাঁচ বছর দায়িত্ব পালনের সময় তাঁর আর্থিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে এবং ওই সময়ের মধ্যেই তিনি প্রায় পাঁচ কোটি টাকার সম্পদের মালিক হন। তাঁর গ্রামের বাড়িতে নির্মিত বাড়ি ও জীবনযাপনের ধরন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

এ ছাড়া রংপুরের হনুমানতলা এলাকায় তাঁর প্রায় ৩০ শতাংশ জমি রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, জমিটির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা। গত কয়েক বছরে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে একাধিকবার ভারত সফর করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব সম্পদের প্রকৃত মালিকানা, মূল্য ও অর্থের উৎস সম্পর্কে সরকারি কোনো যাচাই হয়নি বলে জানা গেছে।

ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে যে শাখায় তিনি দায়িত্ব পালন করছেন, সেই শাখা টিসিবির ডিলার নিয়োগের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। তাঁর বাবা, ভাইসহ পরিবারের একাধিক সদস্য টিসিবির ডিলার হয়েছেন বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন। এছাড়া ভগ্নিপতি, ছোট ভাই ও ফুফাতো ভাইসহ কয়েকজন আত্মীয়কে টিসিবিতে মাস্টাররোলে চাকরি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগকারীদের মতে, ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু আত্মীয়-স্বজন নয়, পছন্দের ব্যক্তিদেরও প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ডিলারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের মাধ্যমে তিনি টিসিবির পণ্য বিতরণ ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন প্রভাব বিস্তার করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

জাল জিও তৈরির অভিযোগ মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাল সরকারি আদেশ (জিও) তৈরি করে বিদেশ যাওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ভারত যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে বিষয়টি ধরা পড়ে এবং পরে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে কোনো বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না কিংবা চূড়ান্তভাবে কী সিদ্ধান্ত হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়।

অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, এ ঘটনার পরও তিনি কোনো বড় ধরনের প্রশাসনিক শাস্তির মুখোমুখি হননি। যদিও অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন অভিযোগকারীদের মতে, চাকরিজীবনের শুরু থেকে ময়মনসিংহে দায়িত্ব পালনকালই ছিল তাঁর আর্থিক উত্থানের প্রধান সময়। তাঁদের দাবি, তাঁর নামে এবং পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব, আয়কর নথি, ব্যাংক হিসাব, জমি ক্রয়-বিক্রয়ের দলিল এবং ডিলার নিয়োগসংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই করা হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা উদঘাটন করা সম্ভব হবে।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর বৈধ আয়, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পদ এবং বর্তমান সম্পদের মধ্যে সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তাও তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি উঠেছে।

রাজনৈতিক যোগাযোগের অভিযোগ মো. শফিকুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার পারুল ইউনিয়নে। অভিযোগ রয়েছে, এ কারণে তিনি সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। তবে ওই যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি কোনো প্রশাসনিক বা বাণিজ্যিক সুবিধা পেয়েছেন কি না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগকারীদের আরও দাবি, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি নিজেকে নতুন বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে তাঁদের প্রশ্ন, রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন হলেও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগগুলোর কোনো পরিবর্তন হয়েছে কি না।

তদন্তের দাবি বর্তমানে টিসিবির একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখায় দায়িত্ব পালন করায় তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো গুরুত্বসহকারে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে ময়মনসিংহে দায়িত্ব পালনের সময়কার ডিলার তালিকা, পণ্য বরাদ্দ ও বিতরণের হিসাব, ডিও ইস্যুর নথি, ট্রাকসেল কার্যক্রম, পরিবহন ঠিকাদারদের সঙ্গে লেনদেন এবং পরিবারের সদস্যদের ডিলারশিপ সংক্রান্ত তথ্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

তাদের মতে, একজন পঞ্চম গ্রেডের কর্মকর্তার জীবনযাপন ও সম্পদের সঙ্গে বৈধ আয়ের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা অনুসন্ধান করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে টিসিবির ঢাকা সিএমএস ও বিওবি শাখার যুগ্ম পরিচালক মো. শফিকুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পাশাপাশি হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ