নাঙ্গলকোটে বহিস্কৃত নেতাদের যুবদলের সভাপতি ঘোষণা এমপির: কেন্দ্রের সতর্কবার্তার পর বললেন 'আমিও আল্লাহ প্রদত্ত এমপি'
স্টাফ রিপোর্টার / নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি:- কুমিল্লা-১০ (লালমাই-নাঙ্গলকোট) আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি মন্তব্যকে ঘিরে নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের রাজনীতিতে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
উপজেলা ও পৌর যুবদলের কমিটি সংক্রান্ত বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়া এবং বহিষ্কৃত নেতা আবদুল মমিন ও নূর আহমদের দলীয় পরিচয় ব্যবহার না করার বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদল থেকে একটি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা জারি করা হয়। এই সতর্কবার্তা প্রকাশের পরপরই সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি (Mobasher Bhuiyan MP) থেকে একটি পোস্ট দেন।
পোস্টে তিনি হুবহু লেখেন: "ধন্যবাদ কেন্দ্রীয় যুবদলকে, বহিষ্কার করার পরে যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতিকেও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছি। আজকে পুনরায় এই চিঠি পাওয়ার পর তাদের পদের ভিত্তি আরেকটু মজবুত হয়েছে। আমি নিজেও আল্লাহ প্রদত্ত এমপি। কোন কমিটি ছাড়া এমপি হয়েছি।"
এমপির এই মন্তব্যের পর স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে তীব্র বিতর্ক ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় যুবদলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমপির ঘনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মমিন এবং পৌরসভা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নূর আহমদকে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্য পদসহ বহিষ্কার করা হয়।
তবে এই বহিষ্কারাদেশের মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় এমপির নিজ বাসভবনে নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া কেন্দ্রীয় আদেশ তোয়াক্কা না করে বহিষ্কৃত আব্দুল মমিনকে উপজেলা যুবদলের সভাপতি এবং নূর আহমদকে পৌরসভা যুবদলের সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করেন।
সংসদ সদস্যের এমন ঘোষণার পর থেকেই নাঙ্গলকোটের দলীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা ও ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়, যা দ্রুত কেন্দ্রীয় হাইকমান্ডের নজরে আসে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় যুবদল থেকে একটি আনুষ্ঠানিক প্রেস বিজ্ঞপ্তি বা সতর্কবার্তা জারি করে জানানো হয় বহিষ্কৃত দুই নেতার দলীয় পরিচয় ব্যবহার না করতে এবং তাদের বিষয়ে কেউ যেন বিভ্রান্ত না হন।
কেন্দ্রীয় সতর্কবার্তা জারির পরপরই সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার দেওয়া উক্ত ফেসবুক পোস্ট বিষয়টিকে কেন্দ্র থেকে স্থানীয় রাজনীতিতে আরও বেশি আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নাঙ্গলকোটে বহিস্কৃত নেতাদের যুবদলের সভাপতি ঘোষণা এমপির: কেন্দ্রের সতর্কবার্তার পর বললেন 'আমিও আল্লাহ প্রদত্ত এমপি'
স্টাফ রিপোর্টার / নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি:- কুমিল্লা-১০ (লালমাই-নাঙ্গলকোট) আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি মন্তব্যকে ঘিরে নাঙ্গলকোট উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের রাজনীতিতে নতুন করে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
উপজেলা ও পৌর যুবদলের কমিটি সংক্রান্ত বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়া এবং বহিষ্কৃত নেতা আবদুল মমিন ও নূর আহমদের দলীয় পরিচয় ব্যবহার না করার বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদল থেকে একটি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা জারি করা হয়। এই সতর্কবার্তা প্রকাশের পরপরই সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি (Mobasher Bhuiyan MP) থেকে একটি পোস্ট দেন।
পোস্টে তিনি হুবহু লেখেন: "ধন্যবাদ কেন্দ্রীয় যুবদলকে, বহিষ্কার করার পরে যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতিকেও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছি। আজকে পুনরায় এই চিঠি পাওয়ার পর তাদের পদের ভিত্তি আরেকটু মজবুত হয়েছে। আমি নিজেও আল্লাহ প্রদত্ত এমপি। কোন কমিটি ছাড়া এমপি হয়েছি।"
এমপির এই মন্তব্যের পর স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে তীব্র বিতর্ক ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় যুবদলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমপির ঘনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত নাঙ্গলকোট উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মমিন এবং পৌরসভা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নূর আহমদকে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্য পদসহ বহিষ্কার করা হয়।
তবে এই বহিষ্কারাদেশের মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় এমপির নিজ বাসভবনে নাঙ্গলকোট উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া কেন্দ্রীয় আদেশ তোয়াক্কা না করে বহিষ্কৃত আব্দুল মমিনকে উপজেলা যুবদলের সভাপতি এবং নূর আহমদকে পৌরসভা যুবদলের সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করেন।
সংসদ সদস্যের এমন ঘোষণার পর থেকেই নাঙ্গলকোটের দলীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা ও ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়, যা দ্রুত কেন্দ্রীয় হাইকমান্ডের নজরে আসে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় যুবদল থেকে একটি আনুষ্ঠানিক প্রেস বিজ্ঞপ্তি বা সতর্কবার্তা জারি করে জানানো হয় বহিষ্কৃত দুই নেতার দলীয় পরিচয় ব্যবহার না করতে এবং তাদের বিষয়ে কেউ যেন বিভ্রান্ত না হন।
কেন্দ্রীয় সতর্কবার্তা জারির পরপরই সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার দেওয়া উক্ত ফেসবুক পোস্ট বিষয়টিকে কেন্দ্র থেকে স্থানীয় রাজনীতিতে আরও বেশি আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন