কেশবপুরে ভেজাল শিশু খাদ্য বিক্রি, ২ লাখ টাকা জরিমানা ও পণ্য বিনষ্ট
ইমরান হোসেন, (যশোর) প্রতিনিধি:- যশোরের কেশবপুরে শিশু খাদ্যে অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ইত্যাদি স্টোরের মালিক স্বপন কুমার দাসকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) কেশবপুর পৌরসভার গমপট্টি এলাকায় ইত্যাদি স্টোরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন যশোর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান। এ সময় জেলা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানটির শিশু খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের বিষয়ে তদারকি করা হয়। এ সময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর তিনটি ধারায় প্রতিষ্ঠানটির মালিককে জরিমানা করা হয়।
এর মধ্যে আইনের ৩৭ ধারায় ৫০ হাজার টাকা, ৪৩ ধারায় ১ লাখ টাকা এবং ৪৫ ধারায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনটি ধারায় সর্বমোট ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
শিশু খাদ্যের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ভোক্তা সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। খাদ্যপণ্যে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন সংশ্লিষ্টরা।
কেশবপুরের গমপট্টি এলাকায় এ অভিযানের মধ্য দিয়ে খাদ্যপণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় বাজার তদারকির বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। নিয়মিত তদারকি ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে খাদ্যপণ্যে অনিয়ম প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কেশবপুরে ভেজাল শিশু খাদ্য বিক্রি, ২ লাখ টাকা জরিমানা ও পণ্য বিনষ্ট
ইমরান হোসেন, (যশোর) প্রতিনিধি:- যশোরের কেশবপুরে শিশু খাদ্যে অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে ইত্যাদি স্টোরের মালিক স্বপন কুমার দাসকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) কেশবপুর পৌরসভার গমপট্টি এলাকায় ইত্যাদি স্টোরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন যশোর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান। এ সময় জেলা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানটির শিশু খাদ্যসহ বিভিন্ন পণ্যের বিষয়ে তদারকি করা হয়। এ সময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর তিনটি ধারায় প্রতিষ্ঠানটির মালিককে জরিমানা করা হয়।
এর মধ্যে আইনের ৩৭ ধারায় ৫০ হাজার টাকা, ৪৩ ধারায় ১ লাখ টাকা এবং ৪৫ ধারায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনটি ধারায় সর্বমোট ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
শিশু খাদ্যের মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ভোক্তা সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। খাদ্যপণ্যে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন সংশ্লিষ্টরা।
কেশবপুরের গমপট্টি এলাকায় এ অভিযানের মধ্য দিয়ে খাদ্যপণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় বাজার তদারকির বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। নিয়মিত তদারকি ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে খাদ্যপণ্যে অনিয়ম প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

আপনার মতামত লিখুন