কক্সবাজার বিমানবন্দরে নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনালে ট্রায়াল ফ্লাইট শুরু
কক্সবাজার থেকে আলআমিন জেলা প্রতিনিধি:- আজ ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দরের নবনির্মিত দৃষ্টিনন্দন আন্তর্জাতিক টার্মিনাল থেকে পরীক্ষামূলক ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়েছে।
সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে প্রায় ৭০ জন যাত্রী নিয়ে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট নতুন এই টার্মিনাল ব্যবহার করে প্রথম উড্ডয়ন সম্পন্ন করে। পরে নভোএয়ার ও এয়ার অ্যাস্ট্রার ফ্লাইটও নতুন ভবন থেকে পরিচালিত হয়।
প্রায় ১৮ হাজার বর্গমিটার আয়তনের এই টার্মিনালে রয়েছে ১৪টি চেক-ইন কাউন্টার, ১০টি ইমিগ্রেশন ডেস্ক, বোর্ডিং ব্রিজ, আধুনিক ব্যাগেজ বেল্ট ও নিরাপত্তা স্ক্যানার। একসাথে ২টি ওয়াইড-বডি ও ৩টি ড্যাশ-৮ বিমান পার্কিংয়ের জন্য ৩৬,৩০০ বর্গমিটারের বিশাল অ্যাপ্রোনও রয়েছে।
বেবিচক জানিয়েছে, পুরাতন টার্মিনালে ৪০০-৫০০ যাত্রীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হতো, নতুন টার্মিনাল বছরে ২০ লাখ যাত্রী সামলাতে পারবে। সাগরের বুকে ১৭০০ ফুট ভরাট করে রানওয়ে ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার ৭০০ ফুট করা হয়েছে, ফলে বোয়িং ৭৭৭-এর মতো বড় বিমানও নামতে পারবে।
বর্তমানে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট দিয়ে ট্রায়াল চললেও অক্টোবরের শেষ নাগাদ প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে। এটা পর্যটন নগরী কক্সবাজারের জন্য এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কক্সবাজার বিমানবন্দরে নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনালে ট্রায়াল ফ্লাইট শুরু
কক্সবাজার থেকে আলআমিন জেলা প্রতিনিধি:- আজ ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দরের নবনির্মিত দৃষ্টিনন্দন আন্তর্জাতিক টার্মিনাল থেকে পরীক্ষামূলক ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়েছে।
সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে প্রায় ৭০ জন যাত্রী নিয়ে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট নতুন এই টার্মিনাল ব্যবহার করে প্রথম উড্ডয়ন সম্পন্ন করে। পরে নভোএয়ার ও এয়ার অ্যাস্ট্রার ফ্লাইটও নতুন ভবন থেকে পরিচালিত হয়।
প্রায় ১৮ হাজার বর্গমিটার আয়তনের এই টার্মিনালে রয়েছে ১৪টি চেক-ইন কাউন্টার, ১০টি ইমিগ্রেশন ডেস্ক, বোর্ডিং ব্রিজ, আধুনিক ব্যাগেজ বেল্ট ও নিরাপত্তা স্ক্যানার। একসাথে ২টি ওয়াইড-বডি ও ৩টি ড্যাশ-৮ বিমান পার্কিংয়ের জন্য ৩৬,৩০০ বর্গমিটারের বিশাল অ্যাপ্রোনও রয়েছে।
বেবিচক জানিয়েছে, পুরাতন টার্মিনালে ৪০০-৫০০ যাত্রীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হতো, নতুন টার্মিনাল বছরে ২০ লাখ যাত্রী সামলাতে পারবে। সাগরের বুকে ১৭০০ ফুট ভরাট করে রানওয়ে ৯ হাজার থেকে ১০ হাজার ৭০০ ফুট করা হয়েছে, ফলে বোয়িং ৭৭৭-এর মতো বড় বিমানও নামতে পারবে।
বর্তমানে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট দিয়ে ট্রায়াল চললেও অক্টোবরের শেষ নাগাদ প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে। এটা পর্যটন নগরী কক্সবাজারের জন্য এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।

আপনার মতামত লিখুন