দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার পাহাড়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রফুল্ল কুমার রায়ের বিরুদ্ধে গত ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার একটি কুচক্রী মহলের পক্ষ থেকে আনীত অভিযোগ এবং পরবর্তীতে বিদ্যালয়ে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতির নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নজর টিভি ২৪ এর, গভীর তদন্তে দেখা যায় যে, একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি সহজ সরল মহিলা ও শিশুদের কে বিভিন্ন আর্থিক লোভ ও ভয় দেখিয়ে তাদেরকে জোর করে বিভিন্ন স্টেটমেন্ট ও স্বাক্ষ্য,ও স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করেন। বিদ্যালয়ের সরকারি জমি বেদখলমুক্ত করার জেরে একটি প্রভাবশালী পরিবারের পূর্বের আক্রোশ থেকেই এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল। নজর টিভি ২৪ এর প্রতিনিধি অভিযোগ সুত্রে তদন্তে ভুক্তোগী সাক্ষাতে এলে ভূক্তভোগীর পিতা শুরেশ রায়.ও দিপক রায় জিতু বলেন আমার মেয়েকে ভয় দেখিয়ে নানান ভাবে বুঝিয়ে অভিযোগ করিয়েছে এটি একটি পরিকল্পিত ষরযন্ত্র। অন্যদিকে পাহাড়পুর স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ভুবন কুমার মার্ডি বলেন এটি একটি মব সৃষ্টি করে স্কুলের পরিবেশ নষ্ট করা ছাড়া কিছুই নয়।
ভূক্তভোগী এবং বাদি কহিনুর মোমেনার সাথে আমাদের প্রতিনিধি সাক্ষাৎকার চাইলে তিনারা সাক্ষাৎকারে ইচ্ছুক নয় বলে জানিয়েছেন।
ঘটনার সূত্রপাত যেভাবে
অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্প্রতি পাহাড়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেদখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধার করে তা বিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণে আনে প্রধান শিক্ষক প্রফুল্ল কুমার রায়। দীর্ঘ দিন ধরে ওই জমি নিজেদের দখলে রেখে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করে আসছিল এলাকার একটি প্রভাবশালী ও দুষ্কৃতিকারী পরিবার। জমি হাতছাড়া হওয়ার পর থেকেই ওই পরিবারটি প্রধান শিক্ষকের ওপর চরম ক্ষিপ্ত হয় এবং তাকে শায়েস্তা করার জন্য বিভিন্ন সময় নানা পায়তারা চালাতে থাকে।
‘মব’ সৃষ্টি ও প্রাণনাশের চেষ্টা অভিযোগ রয়েছে, গত ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সেই আক্রোশ থেকেই ওই প্রভাবশালী পরিবারটি ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল এবং প্রধান শিক্ষককে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যে একটি পূর্বপরিকল্পিত ফাঁদ পাতে। এলাকার অভিভাবকহীন কিছু উঠতি বয়সের তরুণ এবং সরলপ্রাণ নারীদের ভুল বুঝিয়ে সুকৌশলে বিদ্যালয়ে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বা ‘মব’ তৈরি করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, বিশৃঙ্খলাকারীরা শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়নি, বরং প্রধান শিক্ষক প্রফুল্ল কুমার রায়কে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একটি ভীতিকর ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চেয়েছিল।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার পাহাড়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রফুল্ল কুমার রায়ের বিরুদ্ধে গত ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার একটি কুচক্রী মহলের পক্ষ থেকে আনীত অভিযোগ এবং পরবর্তীতে বিদ্যালয়ে সৃষ্ট উত্তেজনাকর পরিস্থিতির নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নজর টিভি ২৪ এর, গভীর তদন্তে দেখা যায় যে, একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি সহজ সরল মহিলা ও শিশুদের কে বিভিন্ন আর্থিক লোভ ও ভয় দেখিয়ে তাদেরকে জোর করে বিভিন্ন স্টেটমেন্ট ও স্বাক্ষ্য,ও স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করেন। বিদ্যালয়ের সরকারি জমি বেদখলমুক্ত করার জেরে একটি প্রভাবশালী পরিবারের পূর্বের আক্রোশ থেকেই এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল। নজর টিভি ২৪ এর প্রতিনিধি অভিযোগ সুত্রে তদন্তে ভুক্তোগী সাক্ষাতে এলে ভূক্তভোগীর পিতা শুরেশ রায়.ও দিপক রায় জিতু বলেন আমার মেয়েকে ভয় দেখিয়ে নানান ভাবে বুঝিয়ে অভিযোগ করিয়েছে এটি একটি পরিকল্পিত ষরযন্ত্র। অন্যদিকে পাহাড়পুর স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ভুবন কুমার মার্ডি বলেন এটি একটি মব সৃষ্টি করে স্কুলের পরিবেশ নষ্ট করা ছাড়া কিছুই নয়।
ভূক্তভোগী এবং বাদি কহিনুর মোমেনার সাথে আমাদের প্রতিনিধি সাক্ষাৎকার চাইলে তিনারা সাক্ষাৎকারে ইচ্ছুক নয় বলে জানিয়েছেন।
ঘটনার সূত্রপাত যেভাবে
অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্প্রতি পাহাড়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেদখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধার করে তা বিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণে আনে প্রধান শিক্ষক প্রফুল্ল কুমার রায়। দীর্ঘ দিন ধরে ওই জমি নিজেদের দখলে রেখে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করে আসছিল এলাকার একটি প্রভাবশালী ও দুষ্কৃতিকারী পরিবার। জমি হাতছাড়া হওয়ার পর থেকেই ওই পরিবারটি প্রধান শিক্ষকের ওপর চরম ক্ষিপ্ত হয় এবং তাকে শায়েস্তা করার জন্য বিভিন্ন সময় নানা পায়তারা চালাতে থাকে।
‘মব’ সৃষ্টি ও প্রাণনাশের চেষ্টা অভিযোগ রয়েছে, গত ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সেই আক্রোশ থেকেই ওই প্রভাবশালী পরিবারটি ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল এবং প্রধান শিক্ষককে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অসৎ উদ্দেশ্যে একটি পূর্বপরিকল্পিত ফাঁদ পাতে। এলাকার অভিভাবকহীন কিছু উঠতি বয়সের তরুণ এবং সরলপ্রাণ নারীদের ভুল বুঝিয়ে সুকৌশলে বিদ্যালয়ে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বা ‘মব’ তৈরি করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, বিশৃঙ্খলাকারীরা শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়নি, বরং প্রধান শিক্ষক প্রফুল্ল কুমার রায়কে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একটি ভীতিকর ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চেয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন