বারহাট্টায় বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত
ওমর ফারুক আহম্মদ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:- বারহাট্টায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সচেতনতামূলক বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত।নেত্রকোনার বারহাট্টায় মাদক, জুয়া, অনলাইন জুয়া, চোরাচালান, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধসহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে এক সচেতনতামূলক বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় বারহাট্টা নৈহাটি বাজার ঈদগাহ মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বারহাট্টা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চম্পক দাম নেতৃত্বে, প্রধান অতিথির বক্তব্যে নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, "আপনাদের এই এলাকায় মাদক সেবনকারী এবং মাদক কারবারি হয়তো ১০ বা ২০ জন হবে, এর বেশি তো না। কিন্তু এই ১০-২০ জনের কারণেই পুরো এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।"
তিনি আরও বলেন, "অনলাইন জুয়া বলেন, মাদক ও জুয়া বলেন, চোরাচালান বলেন, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ বলেন - এগুলোর বিরুদ্ধে আমরা যদি একতাবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করি, তাহলে সামাজিক প্রতিরোধের বাইরে আর কোনো বড় প্রতিরোধ নেই। আপনার বাড়ির পাশে কে কি করছে, এটা কিন্তু আপনি জানেন।"
পুলিশ সুপার জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, "আপনারা শুধু একটা তথ্য দিয়ে আমাদের হেল্প করবেন। আমরা চাচ্ছি না আপনারা কারো সাথে সরাসরি মুখোমুখি সংঘর্ষে যান। আমরা চাচ্ছি আপনাদের ইনফরমেশন। কোথায় ফেনসিডিল ঢুকছে, কোথায় মাদক বিক্রি হচ্ছে, শুধু তথ্য দিবেন। তথ্য দেওয়ার দায়িত্ব আপনাদের, আর সেই তথ্য গোপন রাখার দায়িত্ব আমাদের। এটা আমার আমানত হিসেবে থাকবে।"
অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "আপনি আপনার সন্তানকে মোটরসাইকেল কিনে দেন, কিন্তু সে তেল কোথা থেকে আনে, সেই খোঁজ কি রাখেন? আমরা সারাদিন দোকানে বসে গল্প করি, কিন্তু সন্তানকে একবারও জিজ্ঞেস করি না - তুমি সারাদিন কি করেছো? আমরা সন্তানের সাথে এক টেবিলে বসে খাই না। আপনাদের সন্তানকে সময় দেন, তার খোঁজখবর রাখেন।"
মাদক ব্যবসায়ীদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, "কেউ যদি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকে, আমরা যদি খবর পাই এবং হাতেনাতে পাই, সে যেই হোক, আমি এগুলো দেখবো না। সকলকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।"
"আমি স্পষ্ট করে বলছি, মাদকের ব্যাপারে নেত্রকোনা জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্সে আছে, জিরো টলারেন্সেই থাকবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যারা মাদক ব্যবসা করে বড়লোক হওয়ার ধান্দা করছেন, তারা সাবধান হয়ে যান। আমি যতদিন নেত্রকোনায় আছি, মাদক ব্যবসা করে বড়লোক হতে পারবেন না। আমি এটা শিকড় উপড়ে ফেলবো। এর পেছনে গডফাদার থাকুক আর গডমাদারই থাকুক, যেই থাকুক, তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।"
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রহমত আলী তালুকদার বক্তব্যে বলেন,আজকে নৈহাটী বাজার ঈদগাহ মাঠে পুলিশ প্রশাসন যে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে, এজন্য আমি বারহাট্টা থানার ওসি চম্পক দাম এবং পুলিশ সুপার মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাই। পুলিশ জনগণের কাছে এসেছে, এটাই সবচেয়ে বড় কথা।"আমরা বিএনপি করি, কিন্তু আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে আমরা কোনো দল বুঝি না। এলাকার শান্তি, এলাকার উন্নয়ন সবার আগে। বারহাট্টা আমাদের সবার। এই বারহাট্টাকে শান্ত রাখতে হলে পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। পুলিশ একা সবকিছু করতে পারবে না, যদি আমরা রাজনৈতিক দলগুলো পাশে না থাকি।"
"আমি আমার দলের পক্ষ থেকে কথা দিচ্ছি, মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসনকে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। আপনারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করেন, জনগণ আপনাদের পাশে থাকবে।"
সভায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মানিক আজাদ বক্তব্যে বলেন,
"সব অঙ্গে ব্যথা, ওষুধ দেবো কোথায়? আমাদের জন্ম এই উপজেলায়, আমরা এই উপজেলারই বাসিন্দা। শুধু বারহাট্টা না, সারা দেশেই এখন এটা মরণব্যাধি হিসেবে ছড়িয়ে পড়েছে। চিরাম ইউনিয়ন তো একটা নামে উঠে গেছে, এই বদনাম থেকে রক্ষা পেতে হলে আগে আমার পরিবারকে ঠিক করতে হবে।"
তিনি আরও বলেন,"আজকে আপনাদের সন্তানরা যে মাদক সেবন করে রাত দুইটার সময় ঘরে যাচ্ছে, সেটার খবর কিন্তু আপনারা রাখেন না। আজকে বাল্যবিবাহ কে দিচ্ছে? আপনি-আমিই দিচ্ছি। ইভটিজিং কে করছে? আপনার-আমার সন্তানেরাই করছে। আমি যদি আমার পরিবার ঠিক করতে পারি আর আপনি যদি আপনার পরিবার ঠিক করতে পারেন, তাহলেই সমাজে হান্ড্রেড পার্সেন্ট পরিবর্তন এসে যাবে।"
এসময় বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক ফারুক তার বক্তব্যে বলেন, "আমাদের এই এলাকায় মাদক সেবীর চেয়ে মাদক ব্যবসায়ী বেশি, যার জন্য আপনাদের সমস্যাও বেশি। খুব কাছাকাছি সীমান্ত এলাকা হওয়ার কারণে মাদক সহজেই পাওয়া যায়। তাই আমি বলব, আপনাদের সন্তানকে আপনারাই খোঁজখবর রাখতে হবে।"
আরও বলেন, "এখন মাদক ব্যবসায়ীরা আরও সহজ কৌশলে মাদক পাচার করছে। বিকাশ নাম্বারে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছে আর ফোনে বলে দিচ্ছে কোন জায়গায় মাদক রাখা আছে। এই নতুন কৌশলের কারণে আমাদের যুব সমাজ দ্রুত ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে হবে এবং অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।"
একজন স্কুল শিক্ষক বক্তব্যে বলেন, "আমরা ক্লাসে এখন ছাত্রদের চোখ দেখলেই বুঝতে পারি, কে মাদকাসক্ত। আগে ছাত্ররা সকালে স্কুলে আসতো, এখন অনেকেই রাতে বাড়ি ফেরে না। সকালে ঘুম থেকে উঠে স্কুলে আসতে পারে না। এভাবে চললে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম শেষ হয়ে যাবে। শুধু পুলিশ দিয়ে হবে না, প্রতিটি পরিবারকে সচেতন হতে হবে।"
স্থানীয় মসজিদের এক ইমাম বলেন,"প্রতি জুম্মায় আমরা মাদকের বিরুদ্ধে বলি, কিন্তু যুবকরা শুনছে না। মাদক এখন শুধু নেশা নয়, এটা আমাদের সমাজের ক্যান্সার হয়ে গেছে। মাদকের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে চুরি, ছিনতাই বাড়ছে। আ
স্থানীয় জনসাধারণ, বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, মসজিদের ইমাম, সনাতন ধর্মাবলম্বী, স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
বারহাট্টায় বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত
ওমর ফারুক আহম্মদ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:- বারহাট্টায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সচেতনতামূলক বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত।নেত্রকোনার বারহাট্টায় মাদক, জুয়া, অনলাইন জুয়া, চোরাচালান, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধসহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে এক সচেতনতামূলক বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় বারহাট্টা নৈহাটি বাজার ঈদগাহ মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বারহাট্টা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চম্পক দাম নেতৃত্বে, প্রধান অতিথির বক্তব্যে নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, "আপনাদের এই এলাকায় মাদক সেবনকারী এবং মাদক কারবারি হয়তো ১০ বা ২০ জন হবে, এর বেশি তো না। কিন্তু এই ১০-২০ জনের কারণেই পুরো এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।"
তিনি আরও বলেন, "অনলাইন জুয়া বলেন, মাদক ও জুয়া বলেন, চোরাচালান বলেন, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ বলেন - এগুলোর বিরুদ্ধে আমরা যদি একতাবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করি, তাহলে সামাজিক প্রতিরোধের বাইরে আর কোনো বড় প্রতিরোধ নেই। আপনার বাড়ির পাশে কে কি করছে, এটা কিন্তু আপনি জানেন।"
পুলিশ সুপার জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, "আপনারা শুধু একটা তথ্য দিয়ে আমাদের হেল্প করবেন। আমরা চাচ্ছি না আপনারা কারো সাথে সরাসরি মুখোমুখি সংঘর্ষে যান। আমরা চাচ্ছি আপনাদের ইনফরমেশন। কোথায় ফেনসিডিল ঢুকছে, কোথায় মাদক বিক্রি হচ্ছে, শুধু তথ্য দিবেন। তথ্য দেওয়ার দায়িত্ব আপনাদের, আর সেই তথ্য গোপন রাখার দায়িত্ব আমাদের। এটা আমার আমানত হিসেবে থাকবে।"
অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "আপনি আপনার সন্তানকে মোটরসাইকেল কিনে দেন, কিন্তু সে তেল কোথা থেকে আনে, সেই খোঁজ কি রাখেন? আমরা সারাদিন দোকানে বসে গল্প করি, কিন্তু সন্তানকে একবারও জিজ্ঞেস করি না - তুমি সারাদিন কি করেছো? আমরা সন্তানের সাথে এক টেবিলে বসে খাই না। আপনাদের সন্তানকে সময় দেন, তার খোঁজখবর রাখেন।"
মাদক ব্যবসায়ীদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, "কেউ যদি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকে, আমরা যদি খবর পাই এবং হাতেনাতে পাই, সে যেই হোক, আমি এগুলো দেখবো না। সকলকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।"
"আমি স্পষ্ট করে বলছি, মাদকের ব্যাপারে নেত্রকোনা জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্সে আছে, জিরো টলারেন্সেই থাকবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যারা মাদক ব্যবসা করে বড়লোক হওয়ার ধান্দা করছেন, তারা সাবধান হয়ে যান। আমি যতদিন নেত্রকোনায় আছি, মাদক ব্যবসা করে বড়লোক হতে পারবেন না। আমি এটা শিকড় উপড়ে ফেলবো। এর পেছনে গডফাদার থাকুক আর গডমাদারই থাকুক, যেই থাকুক, তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।"
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রহমত আলী তালুকদার বক্তব্যে বলেন,আজকে নৈহাটী বাজার ঈদগাহ মাঠে পুলিশ প্রশাসন যে মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে, এজন্য আমি বারহাট্টা থানার ওসি চম্পক দাম এবং পুলিশ সুপার মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাই। পুলিশ জনগণের কাছে এসেছে, এটাই সবচেয়ে বড় কথা।"আমরা বিএনপি করি, কিন্তু আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নে আমরা কোনো দল বুঝি না। এলাকার শান্তি, এলাকার উন্নয়ন সবার আগে। বারহাট্টা আমাদের সবার। এই বারহাট্টাকে শান্ত রাখতে হলে পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। পুলিশ একা সবকিছু করতে পারবে না, যদি আমরা রাজনৈতিক দলগুলো পাশে না থাকি।"
"আমি আমার দলের পক্ষ থেকে কথা দিচ্ছি, মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসনকে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। আপনারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করেন, জনগণ আপনাদের পাশে থাকবে।"
সভায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মানিক আজাদ বক্তব্যে বলেন,
"সব অঙ্গে ব্যথা, ওষুধ দেবো কোথায়? আমাদের জন্ম এই উপজেলায়, আমরা এই উপজেলারই বাসিন্দা। শুধু বারহাট্টা না, সারা দেশেই এখন এটা মরণব্যাধি হিসেবে ছড়িয়ে পড়েছে। চিরাম ইউনিয়ন তো একটা নামে উঠে গেছে, এই বদনাম থেকে রক্ষা পেতে হলে আগে আমার পরিবারকে ঠিক করতে হবে।"
তিনি আরও বলেন,"আজকে আপনাদের সন্তানরা যে মাদক সেবন করে রাত দুইটার সময় ঘরে যাচ্ছে, সেটার খবর কিন্তু আপনারা রাখেন না। আজকে বাল্যবিবাহ কে দিচ্ছে? আপনি-আমিই দিচ্ছি। ইভটিজিং কে করছে? আপনার-আমার সন্তানেরাই করছে। আমি যদি আমার পরিবার ঠিক করতে পারি আর আপনি যদি আপনার পরিবার ঠিক করতে পারেন, তাহলেই সমাজে হান্ড্রেড পার্সেন্ট পরিবর্তন এসে যাবে।"
এসময় বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক ফারুক তার বক্তব্যে বলেন, "আমাদের এই এলাকায় মাদক সেবীর চেয়ে মাদক ব্যবসায়ী বেশি, যার জন্য আপনাদের সমস্যাও বেশি। খুব কাছাকাছি সীমান্ত এলাকা হওয়ার কারণে মাদক সহজেই পাওয়া যায়। তাই আমি বলব, আপনাদের সন্তানকে আপনারাই খোঁজখবর রাখতে হবে।"
আরও বলেন, "এখন মাদক ব্যবসায়ীরা আরও সহজ কৌশলে মাদক পাচার করছে। বিকাশ নাম্বারে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছে আর ফোনে বলে দিচ্ছে কোন জায়গায় মাদক রাখা আছে। এই নতুন কৌশলের কারণে আমাদের যুব সমাজ দ্রুত ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে হবে এবং অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।"
একজন স্কুল শিক্ষক বক্তব্যে বলেন, "আমরা ক্লাসে এখন ছাত্রদের চোখ দেখলেই বুঝতে পারি, কে মাদকাসক্ত। আগে ছাত্ররা সকালে স্কুলে আসতো, এখন অনেকেই রাতে বাড়ি ফেরে না। সকালে ঘুম থেকে উঠে স্কুলে আসতে পারে না। এভাবে চললে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম শেষ হয়ে যাবে। শুধু পুলিশ দিয়ে হবে না, প্রতিটি পরিবারকে সচেতন হতে হবে।"
স্থানীয় মসজিদের এক ইমাম বলেন,"প্রতি জুম্মায় আমরা মাদকের বিরুদ্ধে বলি, কিন্তু যুবকরা শুনছে না। মাদক এখন শুধু নেশা নয়, এটা আমাদের সমাজের ক্যান্সার হয়ে গেছে। মাদকের টাকা জোগাড় করতে গিয়ে চুরি, ছিনতাই বাড়ছে। আ
স্থানীয় জনসাধারণ, বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, মসজিদের ইমাম, সনাতন ধর্মাবলম্বী, স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন