সময়ের পরিবর্তনে বদলে গেছে মানুষের জীবনযাত্রা, বদলে গেছে বাজারের চিত্রও। কিন্তু বদলায়নি একজন দরিদ্র শাক বিক্রেতার জীবনের সংগ্রাম। প্রায় ৪৯ বছর ধরে রাস্তার পাশে বসে শাক বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনি। অথচ আজ সেই দীর্ঘদিনের ব্যবসায় ক্রেতার অভাবে হতাশ হয়ে বসে থাকতে হচ্ছে তাঁকে।
রাস্তার পাশে ছোট্ট একটি কাপড়ের ওপর সাজিয়ে রাখা সামান্য শাক। পাশে বসে আছেন বিক্রেতা। পথচারীদের কেউ শাকের দাম জিজ্ঞেস করছেন, কেউবা দাম শুনে কিছু না কিনেই চলে যাচ্ছেন। মাত্র পাঁচ টাকার শাকও কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা।
শাক বিক্রেতার ভাষ্য অনুযায়ী, একসময় এই শাক কেনার জন্য বাজারে মানুষের ভিড় জমত। ক্রেতারা আগ্রহ নিয়ে তাঁর কাছ থেকে শাক কিনতেন। আর আজ সময়ের পরিবর্তনে সেই পরিচিত বাজারের চিত্র যেন হারিয়ে গেছে। দীর্ঘ ৪৯ বছরের ব্যবসায়িক জীবনে এমন পরিস্থিতি তাঁকে হতাশ করেছে।
একসময় যে শাক বিক্রির জন্য মানুষের ভিড় জমত, আজ সেই শাক নিয়েই রাস্তার পাশে বসে থাকতে হচ্ছে ক্রেতার অপেক্ষায়। তাঁর এই নীরব অপেক্ষা যেন জীবনের দীর্ঘ সংগ্রাম আর সময়ের নির্মম পরিবর্তনের এক বাস্তব প্রতিচ্ছবি।
আমাদের সমাজে এমন অনেক পরিশ্রমী মানুষ রয়েছেন, যাঁরা সামান্য পুঁজি নিয়ে দিনের পর দিন জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করেন। তাঁদের কাছে পাঁচ বা দশ টাকা শুধু অর্থের পরিমাণ নয়, বরং পরিবারের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার একটি অবলম্বন।
মানবিক আবেদন: আসুন, আমরা সামর্থ্য অনুযায়ী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার ক্ষেত্রে তাঁদের কাছ থেকেও কেনাকাটা করি। কারণ, আমাদের সামান্য সহযোগিতাই তাঁদের জীবনে এনে দিতে পারে একটু স্বস্তি ও আশার আলো।
একজন মানুষের কষ্টের গল্প হয়তো আমাদের চোখে সামান্য, কিন্তু তাঁর কাছে সেটিই প্রতিদিনের বেঁচে থাকার লড়াই।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সময়ের পরিবর্তনে বদলে গেছে মানুষের জীবনযাত্রা, বদলে গেছে বাজারের চিত্রও। কিন্তু বদলায়নি একজন দরিদ্র শাক বিক্রেতার জীবনের সংগ্রাম। প্রায় ৪৯ বছর ধরে রাস্তার পাশে বসে শাক বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনি। অথচ আজ সেই দীর্ঘদিনের ব্যবসায় ক্রেতার অভাবে হতাশ হয়ে বসে থাকতে হচ্ছে তাঁকে।
রাস্তার পাশে ছোট্ট একটি কাপড়ের ওপর সাজিয়ে রাখা সামান্য শাক। পাশে বসে আছেন বিক্রেতা। পথচারীদের কেউ শাকের দাম জিজ্ঞেস করছেন, কেউবা দাম শুনে কিছু না কিনেই চলে যাচ্ছেন। মাত্র পাঁচ টাকার শাকও কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা।
শাক বিক্রেতার ভাষ্য অনুযায়ী, একসময় এই শাক কেনার জন্য বাজারে মানুষের ভিড় জমত। ক্রেতারা আগ্রহ নিয়ে তাঁর কাছ থেকে শাক কিনতেন। আর আজ সময়ের পরিবর্তনে সেই পরিচিত বাজারের চিত্র যেন হারিয়ে গেছে। দীর্ঘ ৪৯ বছরের ব্যবসায়িক জীবনে এমন পরিস্থিতি তাঁকে হতাশ করেছে।
একসময় যে শাক বিক্রির জন্য মানুষের ভিড় জমত, আজ সেই শাক নিয়েই রাস্তার পাশে বসে থাকতে হচ্ছে ক্রেতার অপেক্ষায়। তাঁর এই নীরব অপেক্ষা যেন জীবনের দীর্ঘ সংগ্রাম আর সময়ের নির্মম পরিবর্তনের এক বাস্তব প্রতিচ্ছবি।
আমাদের সমাজে এমন অনেক পরিশ্রমী মানুষ রয়েছেন, যাঁরা সামান্য পুঁজি নিয়ে দিনের পর দিন জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করেন। তাঁদের কাছে পাঁচ বা দশ টাকা শুধু অর্থের পরিমাণ নয়, বরং পরিবারের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার একটি অবলম্বন।
মানবিক আবেদন: আসুন, আমরা সামর্থ্য অনুযায়ী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার ক্ষেত্রে তাঁদের কাছ থেকেও কেনাকাটা করি। কারণ, আমাদের সামান্য সহযোগিতাই তাঁদের জীবনে এনে দিতে পারে একটু স্বস্তি ও আশার আলো।
একজন মানুষের কষ্টের গল্প হয়তো আমাদের চোখে সামান্য, কিন্তু তাঁর কাছে সেটিই প্রতিদিনের বেঁচে থাকার লড়াই।

আপনার মতামত লিখুন