নেত্রকোনার মদন উপজেলার ৮ নং ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান সামিউল হায়দার শফি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আবারও চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, অসমাপ্ত উন্নয়নকাজগুলো পরিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা এবং ভাটি-হাওর অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্য নিয়ে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে চান। এ লক্ষ্যে তিনি ইউনিয়নবাসীর কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন।
সামিউল হায়দার শফি মদন উপজেলা বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চশমা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী প্রায় ৯০০ ভোট পেয়েছিলেন এবং সামিউল হায়দার শফি প্রায় চার হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন বলে জানা গেছে।
উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান সামিউল হায়দার শফির নির্বাচনে পুনরায় অংশগ্রহণের আগ্রহের পেছনে রয়েছে এলাকার অসমাপ্ত উন্নয়নকাজগুলো শেষ করার প্রত্যয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দায়িত্ব পালনকালে শুরু করা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা এবং ইউনিয়নের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে তিনি কাজ করতে চান।
তিনি মনে করেন, একটি ইউনিয়নের উন্নয়ন কোনো একক মেয়াদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পরিকল্পিত উদ্যোগ ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এগিয়ে নিতে হয়। তাই আগামী দিনেও জনগণের পাশে থেকে জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।
ভাটি-হাওর অঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন ভাবনা মদন উপজেলার ৮ নং ফতেপুর ইউনিয়ন একটি ভাটি ও হাওর অধ্যুষিত এলাকা। এ অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা, কৃষি, যোগাযোগব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অনেকাংশেই হাওরের প্রকৃতি ও মৌসুমি বাস্তবতার সঙ্গে সম্পর্কিত। বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা, গ্রামীণ সড়কের সমস্যা, পানি নিষ্কাশন, কৃষি উৎপাদন এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এখানকার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ইউনিয়নের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে হাওর অঞ্চলের উপযোগী টেকসই যোগাযোগব্যবস্থা, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ।
সামিউল হায়দার শফির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় এসব বিষয় কীভাবে গুরুত্ব পাবে, তা নিয়েও ইউনিয়নবাসীর মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।
সম্ভাব্য নির্বাচনী ইশতেহারে যেসব বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে ফতেপুর ইউনিয়নের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও জনকল্যাণকে সামনে রেখে তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারে কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব পাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য
১. যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন: ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের কাঁচা ও ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার, প্রয়োজনীয় স্থানে নতুন রাস্তা নির্মাণ এবং বর্ষা মৌসুমে চলাচলের উপযোগী টেকসই সড়কব্যবস্থা গড়ে তোলা।
২. হাওর ও কৃষির উন্নয়ন: হাওর অঞ্চলের কৃষকদের স্বার্থে ফসল রক্ষা বাঁধ, পানি নিষ্কাশন এবং কৃষিসংশ্লিষ্ট সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়।
৩. গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন: প্রয়োজনীয় স্থানে সেতু-কালভার্ট নির্মাণ ও সংস্কার এবং প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের যোগাযোগের সুবিধা বৃদ্ধি।
৪. শিক্ষার মানোন্নয়ন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় উদ্যোগ গ্রহণ।
৫. স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ: সাধারণ মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, মাতৃস্বাস্থ্য ও শিশুসেবার সুযোগ বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়।
৬. সামাজিক নিরাপত্তা: বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে স্বচ্ছতার সঙ্গে পৌঁছে দেওয়া।
৭. যুবসমাজের কর্মসংস্থান: যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে উদ্যোগ গ্রহণ।
৮. নারীর ক্ষমতায়ন: নারীদের প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান এবং স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি।
৯. সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ: মাদক, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে কার্যক্রম জোরদার।
১০. নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন: জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করা।
১১. পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন, বৃক্ষরোপণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
১২. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি: ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন বরাদ্দ ও প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ।
জনগণের প্রত্যাশা ও দোয়া কামনা ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ৮ নং ফতেপুর ইউনিয়নের মানুষের প্রত্যাশা, এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রমে সব ওয়ার্ড সমান গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে ভাটি-হাওর অঞ্চলের বাস্তব সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
সামিউল হায়দার শফি আবারও চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করে ইউনিয়নবাসীর কাছে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন। তাঁর প্রত্যাশা, জনগণের ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করার পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে কাজ করতে পারবেন।
আগামী নির্বাচনে তাঁর পূর্ণাঙ্গ নির্বাচনী ইশতেহারে কোন কোন বিষয় অগ্রাধিকার পাবে, অসমাপ্ত প্রকল্পগুলোর তালিকা কী এবং সেগুলো বাস্তবায়নে কী ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করবেন এসব বিষয়ে তাঁর বিস্তারিত বক্তব্য জানার অপেক্ষায় রয়েছেন ইউনিয়নবাসী।
জনগণের প্রত্যাশা, নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহী প্রত্যেক প্রার্থী তাঁদের নিজ নিজ পরিকল্পনা, উন্নয়ন ভাবনা ও জনসেবার অঙ্গীকার জনগণের সামনে তুলে ধরবেন। শেষ পর্যন্ত জনগণের মতামত ও ভোটের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে আগামী দিনের নেতৃত্ব।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
নেত্রকোনার মদন উপজেলার ৮ নং ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান সামিউল হায়দার শফি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আবারও চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, অসমাপ্ত উন্নয়নকাজগুলো পরিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা এবং ভাটি-হাওর অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্য নিয়ে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে চান। এ লক্ষ্যে তিনি ইউনিয়নবাসীর কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন।
সামিউল হায়দার শফি মদন উপজেলা বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চশমা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী প্রায় ৯০০ ভোট পেয়েছিলেন এবং সামিউল হায়দার শফি প্রায় চার হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন বলে জানা গেছে।
উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চান সামিউল হায়দার শফির নির্বাচনে পুনরায় অংশগ্রহণের আগ্রহের পেছনে রয়েছে এলাকার অসমাপ্ত উন্নয়নকাজগুলো শেষ করার প্রত্যয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দায়িত্ব পালনকালে শুরু করা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা এবং ইউনিয়নের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে তিনি কাজ করতে চান।
তিনি মনে করেন, একটি ইউনিয়নের উন্নয়ন কোনো একক মেয়াদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পরিকল্পিত উদ্যোগ ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এগিয়ে নিতে হয়। তাই আগামী দিনেও জনগণের পাশে থেকে জনসেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।
ভাটি-হাওর অঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন ভাবনা মদন উপজেলার ৮ নং ফতেপুর ইউনিয়ন একটি ভাটি ও হাওর অধ্যুষিত এলাকা। এ অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা, কৃষি, যোগাযোগব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অনেকাংশেই হাওরের প্রকৃতি ও মৌসুমি বাস্তবতার সঙ্গে সম্পর্কিত। বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা, গ্রামীণ সড়কের সমস্যা, পানি নিষ্কাশন, কৃষি উৎপাদন এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এখানকার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে ইউনিয়নের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে হাওর অঞ্চলের উপযোগী টেকসই যোগাযোগব্যবস্থা, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ।
সামিউল হায়দার শফির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় এসব বিষয় কীভাবে গুরুত্ব পাবে, তা নিয়েও ইউনিয়নবাসীর মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।
সম্ভাব্য নির্বাচনী ইশতেহারে যেসব বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে ফতেপুর ইউনিয়নের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও জনকল্যাণকে সামনে রেখে তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারে কয়েকটি বিষয় গুরুত্ব পাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য
১. যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন: ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের কাঁচা ও ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার, প্রয়োজনীয় স্থানে নতুন রাস্তা নির্মাণ এবং বর্ষা মৌসুমে চলাচলের উপযোগী টেকসই সড়কব্যবস্থা গড়ে তোলা।
২. হাওর ও কৃষির উন্নয়ন: হাওর অঞ্চলের কৃষকদের স্বার্থে ফসল রক্ষা বাঁধ, পানি নিষ্কাশন এবং কৃষিসংশ্লিষ্ট সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়।
৩. গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন: প্রয়োজনীয় স্থানে সেতু-কালভার্ট নির্মাণ ও সংস্কার এবং প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের যোগাযোগের সুবিধা বৃদ্ধি।
৪. শিক্ষার মানোন্নয়ন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় উদ্যোগ গ্রহণ।
৫. স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ: সাধারণ মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, মাতৃস্বাস্থ্য ও শিশুসেবার সুযোগ বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়।
৬. সামাজিক নিরাপত্তা: বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও অসহায় মানুষের সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে স্বচ্ছতার সঙ্গে পৌঁছে দেওয়া।
৭. যুবসমাজের কর্মসংস্থান: যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে উদ্যোগ গ্রহণ।
৮. নারীর ক্ষমতায়ন: নারীদের প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থান এবং স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি।
৯. সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ: মাদক, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিং প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে কার্যক্রম জোরদার।
১০. নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন: জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করা।
১১. পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি নিষ্কাশনব্যবস্থার উন্নয়ন, বৃক্ষরোপণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
১২. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি: ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন বরাদ্দ ও প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ।
জনগণের প্রত্যাশা ও দোয়া কামনা ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ৮ নং ফতেপুর ইউনিয়নের মানুষের প্রত্যাশা, এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রমে সব ওয়ার্ড সমান গুরুত্ব পাবে। বিশেষ করে ভাটি-হাওর অঞ্চলের বাস্তব সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
সামিউল হায়দার শফি আবারও চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করে ইউনিয়নবাসীর কাছে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন। তাঁর প্রত্যাশা, জনগণের ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করার পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে কাজ করতে পারবেন।
আগামী নির্বাচনে তাঁর পূর্ণাঙ্গ নির্বাচনী ইশতেহারে কোন কোন বিষয় অগ্রাধিকার পাবে, অসমাপ্ত প্রকল্পগুলোর তালিকা কী এবং সেগুলো বাস্তবায়নে কী ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করবেন এসব বিষয়ে তাঁর বিস্তারিত বক্তব্য জানার অপেক্ষায় রয়েছেন ইউনিয়নবাসী।
জনগণের প্রত্যাশা, নির্বাচনে অংশগ্রহণে আগ্রহী প্রত্যেক প্রার্থী তাঁদের নিজ নিজ পরিকল্পনা, উন্নয়ন ভাবনা ও জনসেবার অঙ্গীকার জনগণের সামনে তুলে ধরবেন। শেষ পর্যন্ত জনগণের মতামত ও ভোটের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে আগামী দিনের নেতৃত্ব।

আপনার মতামত লিখুন