পঞ্চগড়ে পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন ফরহাদ হোসেন আজাদ
পহেলা বৈশাখের উৎসবমুখর পরিবেশে পঞ্চগড়ে কৃষকদের জন্য নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। আজ ১৪ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, বোদা উপজেলার পাচপীরে ইউনিয়নের বৈরাতী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, কৃষকদের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মাধ্যমে কৃষকদের একটি সুনির্দিষ্ট ডাটাবেজ তৈরি হবে, ফলে তারা সহজেই সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা পেতে পারবেন।অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় আনতে এবং তাদের সহায়তা সহজ করতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে এই কার্যক্রম সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় এলাকার কৃষক-কৃষাণীদের মাঝে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয় এবং প্রতিটি কৃষকের হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি করে গাছের চারা, যা পরিবেশ রক্ষা ও সবুজায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
স্থানীয় কৃষকরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এর মাধ্যমে তারা সরাসরি সরকারি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাবেন এবং কৃষিকাজ আরও সহজ ও গতিশীল হবে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
পঞ্চগড়ে পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন ফরহাদ হোসেন আজাদ
পহেলা বৈশাখের উৎসবমুখর পরিবেশে পঞ্চগড়ে কৃষকদের জন্য নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। আজ ১৪ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, বোদা উপজেলার পাচপীরে ইউনিয়নের বৈরাতী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, কৃষকদের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মাধ্যমে কৃষকদের একটি সুনির্দিষ্ট ডাটাবেজ তৈরি হবে, ফলে তারা সহজেই সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা পেতে পারবেন।অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় আনতে এবং তাদের সহায়তা সহজ করতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে এই কার্যক্রম সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় এলাকার কৃষক-কৃষাণীদের মাঝে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয় এবং প্রতিটি কৃষকের হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি করে গাছের চারা, যা পরিবেশ রক্ষা ও সবুজায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
স্থানীয় কৃষকরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এর মাধ্যমে তারা সরাসরি সরকারি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাবেন এবং কৃষিকাজ আরও সহজ ও গতিশীল হবে।

আপনার মতামত লিখুন