যশোরের অভয়নগরে সন্ত্রাসী চক্রের বিস্তার: গ্রেপ্তারের পরও আতঙ্ক কাটেনি
ইমাদুল ইসলাম, যশোর জেলা ( প্রতিনিধি ) যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার শুভরাড়া, সিদ্ধিপাশা, হিদিয়া, নাওলি এবং আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি সন্ত্রাসী চক্র নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি কুখ্যাত শীর্ষ সন্ত্রাসী গোফরান ও তার কয়েকজন সহযোগী গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে গ্রেপ্তার হলেও, স্থানীয়দের দাবি—চক্রটির আরও প্রভাবশালী সদস্য এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। তাদের মধ্যে ধুলগ্রাম এলাকার এক নেতা বিশেষভাবে আলোচিত, যিনি চতুরতা ও কৌশলের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে নিজের অবস্থান গোপন রেখে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও, অভিযোগ উঠেছে—উক্ত ব্যক্তি এলাকায় অবৈধ মাদক, বিশেষ করে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করে আসছে। একই সঙ্গে চোরাই মোটরসাইকেল ও অবৈধ অস্ত্রের লেনদেনেও তার সংশ্লিষ্টতার কথা স্থানীয়রা উল্লেখ করেছেন।
আরও জানা গেছে, এই চক্রে নারীদের ব্যবহার করেও একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে এক নারী সদস্যকে “লেডি” হিসেবে পরিচিত করে নিরাপত্তা ও বিভিন্ন কার্যক্রমে নিয়োজিত রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের পাশাপাশি যারা এখনো পলাতক বা গোপনে সক্রিয় রয়েছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
এ বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্থানীয়দের জোর দাবি—অবশিষ্ট সন্ত্রাসী ও মাদক চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনা হোক।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
যশোরের অভয়নগরে সন্ত্রাসী চক্রের বিস্তার: গ্রেপ্তারের পরও আতঙ্ক কাটেনি
ইমাদুল ইসলাম, যশোর জেলা ( প্রতিনিধি ) যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার শুভরাড়া, সিদ্ধিপাশা, হিদিয়া, নাওলি এবং আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় একটি সন্ত্রাসী চক্র নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি কুখ্যাত শীর্ষ সন্ত্রাসী গোফরান ও তার কয়েকজন সহযোগী গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে গ্রেপ্তার হলেও, স্থানীয়দের দাবি—চক্রটির আরও প্রভাবশালী সদস্য এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এই চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। তাদের মধ্যে ধুলগ্রাম এলাকার এক নেতা বিশেষভাবে আলোচিত, যিনি চতুরতা ও কৌশলের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে নিজের অবস্থান গোপন রেখে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়াও, অভিযোগ উঠেছে—উক্ত ব্যক্তি এলাকায় অবৈধ মাদক, বিশেষ করে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করে আসছে। একই সঙ্গে চোরাই মোটরসাইকেল ও অবৈধ অস্ত্রের লেনদেনেও তার সংশ্লিষ্টতার কথা স্থানীয়রা উল্লেখ করেছেন।
আরও জানা গেছে, এই চক্রে নারীদের ব্যবহার করেও একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে, যেখানে এক নারী সদস্যকে “লেডি” হিসেবে পরিচিত করে নিরাপত্তা ও বিভিন্ন কার্যক্রমে নিয়োজিত রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের পাশাপাশি যারা এখনো পলাতক বা গোপনে সক্রিয় রয়েছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।
এ বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে স্থানীয়দের জোর দাবি—অবশিষ্ট সন্ত্রাসী ও মাদক চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনা হোক।

আপনার মতামত লিখুন