ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর আয়োজিত, হর ঘর তিরঙ্গা শোভাযাত্রা ও তিরঙ্গা উৎসব পালিত হল।

উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর আয়োজিত, হর ঘর তিরঙ্গা শোভাযাত্রা ও তিরঙ্গা উৎসব পালিত হল।

মোল্লাহাটে ৪ দলিয় মিলু মিয়া স্মৃতি ফুটবল খেলায় রুপসা নৈহাটি একাডেমী চেম্পিয়ান

মোল্লাহাটে ৪ দলিয় মিলু মিয়া স্মৃতি ফুটবল খেলায় রুপসা নৈহাটি একাডেমী চেম্পিয়ান

নবাবগঞ্জে ফুটবল উন্মাদনা: চ্যাম্পিয়ন ফ্রেন্ডস ক্লাব মদনখালী

নবাবগঞ্জে ফুটবল উন্মাদনা: চ্যাম্পিয়ন ফ্রেন্ডস ক্লাব মদনখালী

খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠায় সরকার যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিচ্ছেন --যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠায় সরকার যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিচ্ছেন --যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

পঞ্চগড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

পঞ্চগড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

৮০তম স্বাধীনতা দিবসের  প্রস্তুতি এবং পরিদর্শনে কলকাতা পুলিশ কমিশনার ও বোম স্কোয়াড কুকুর।

৮০তম স্বাধীনতা দিবসের প্রস্তুতি এবং পরিদর্শনে কলকাতা পুলিশ কমিশনার ও বোম স্কোয়াড কুকুর।

দোকান দখল করে সরিষাবাড়িতে বিএনপির ওয়ার্ড কার্যালয়! এলাকায় উত্তেজনা

দোকান দখল করে সরিষাবাড়িতে বিএনপির ওয়ার্ড কার্যালয়! এলাকায় উত্তেজনা

অন্য প্রতিষ্ঠানের প্যাকেট ব্যবহার করার অভিযোগে জামান এগ্রো ফার্মকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

অন্য প্রতিষ্ঠানের প্যাকেট ব্যবহার করার অভিযোগে জামান এগ্রো ফার্মকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।

নজরদারিতে আছে বলেই দায় শেষ? পীরগাছায় থামছে না অবৈধ মাটি লুট

নজরদারিতে আছে বলেই দায় শেষ? পীরগাছায় থামছে না অবৈধ মাটি লুট

নজরদারিতে আছে বলেই দায় শেষ? পীরগাছায় থামছে না অবৈধ মাটি লুট

রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় প্রশাসনের চোখের সামনে অব্যাহত রয়েছে অবৈধ মাটি উত্তোলনের বেপরোয়া কার্যক্রম। আবাদি জমি, পুকুর ও বিভিন্ন স্থান থেকে ভেকু দিয়ে নির্বিচারে মাটি কেটে বিক্রি করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপের দেখা মিলছে না। এতে ধ্বংসের মুখে পড়ছে কৃষিজমি, বাড়ছে পরিবেশ বিপর্যয়ের ঝুঁকি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র প্রকাশ্যে এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি ট্রিপ মাটি ৩০০ টাকায় বিক্রি হলেও ভেকু চালকরা পাচ্ছেন মাত্র ১২০ টাকা, বাকি অর্থ চলে যাচ্ছে সিন্ডিকেটের হাতে। এতে একদিকে যেমন শ্রমিকরা বঞ্চিত হচ্ছেন, অন্যদিকে দ্রুত নষ্ট হচ্ছে জমির উর্বরতা।

ভেকু চালক আব্দুল আজিজ বলেন, “আমরা শুধু কাজ করি, কিন্তু লাভের অংশ পাই না। ঝুঁকি আমাদের, সুবিধা অন্যদের।”এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাটি বিক্রির সঙ্গে জড়িত মাহাবুব নামের এক ব্যক্তি এই অবৈধ বাণিজ্যের অন্যতম নিয়ন্ত্রক।

সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ তৈরি হয়েছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। প্রকাশ্যে দিনের পর দিন মাটি কাটার পরও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না—এ প্রশ্ন এখন সর্বত্র।

এ বিষয়ে উপজেলা কর্মকর্তা দেবাশীষ বসাক বলেন, “অবৈধভাবে মাটি বা বালু উত্তোলন হচ্ছে, এটা নজরদারিতে আছে।”তবে তার এই বক্তব্যে কোনো স্বস্তি পাচ্ছেন না এলাকাবাসী। তাদের দাবি, শুধু ‘নজরদারিতে আছে’ বললেই দায় শেষ হয় না; বাস্তবে কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় অবৈধ মাটি উত্তোলন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। বরং এই ধরনের মন্তব্য প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তারই ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করছেন অনেকেই।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এভাবে আবাদি জমি থেকে মাটি কেটে নেওয়া হলে কৃষি উৎপাদনে মারাত্মক প্রভাব পড়বে এবং ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে। পাশাপাশি ভূমির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে দেখা দিতে পারে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

এ অবস্থায় দ্রুত দৃশ্যমান ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পীরগাছায় কৃষি ও পরিবেশ উভয়ই চরম বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাবে—এমন আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬


নজরদারিতে আছে বলেই দায় শেষ? পীরগাছায় থামছে না অবৈধ মাটি লুট

প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

নজরদারিতে আছে বলেই দায় শেষ? পীরগাছায় থামছে না অবৈধ মাটি লুট

রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় প্রশাসনের চোখের সামনে অব্যাহত রয়েছে অবৈধ মাটি উত্তোলনের বেপরোয়া কার্যক্রম। আবাদি জমি, পুকুর ও বিভিন্ন স্থান থেকে ভেকু দিয়ে নির্বিচারে মাটি কেটে বিক্রি করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপের দেখা মিলছে না। এতে ধ্বংসের মুখে পড়ছে কৃষিজমি, বাড়ছে পরিবেশ বিপর্যয়ের ঝুঁকি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র প্রকাশ্যে এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি ট্রিপ মাটি ৩০০ টাকায় বিক্রি হলেও ভেকু চালকরা পাচ্ছেন মাত্র ১২০ টাকা, বাকি অর্থ চলে যাচ্ছে সিন্ডিকেটের হাতে। এতে একদিকে যেমন শ্রমিকরা বঞ্চিত হচ্ছেন, অন্যদিকে দ্রুত নষ্ট হচ্ছে জমির উর্বরতা।

ভেকু চালক আব্দুল আজিজ বলেন, “আমরা শুধু কাজ করি, কিন্তু লাভের অংশ পাই না। ঝুঁকি আমাদের, সুবিধা অন্যদের।”এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাটি বিক্রির সঙ্গে জড়িত মাহাবুব নামের এক ব্যক্তি এই অবৈধ বাণিজ্যের অন্যতম নিয়ন্ত্রক।

সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ তৈরি হয়েছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। প্রকাশ্যে দিনের পর দিন মাটি কাটার পরও কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না—এ প্রশ্ন এখন সর্বত্র।

এ বিষয়ে উপজেলা কর্মকর্তা দেবাশীষ বসাক বলেন, “অবৈধভাবে মাটি বা বালু উত্তোলন হচ্ছে, এটা নজরদারিতে আছে।”তবে তার এই বক্তব্যে কোনো স্বস্তি পাচ্ছেন না এলাকাবাসী। তাদের দাবি, শুধু ‘নজরদারিতে আছে’ বললেই দায় শেষ হয় না; বাস্তবে কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় অবৈধ মাটি উত্তোলন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। বরং এই ধরনের মন্তব্য প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তারই ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করছেন অনেকেই।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এভাবে আবাদি জমি থেকে মাটি কেটে নেওয়া হলে কৃষি উৎপাদনে মারাত্মক প্রভাব পড়বে এবং ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে। পাশাপাশি ভূমির ভারসাম্য নষ্ট হয়ে দেখা দিতে পারে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

এ অবস্থায় দ্রুত দৃশ্যমান ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পীরগাছায় কৃষি ও পরিবেশ উভয়ই চরম বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাবে—এমন আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।




ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ