ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

কালিয়াকৈর ঝুট ব্যবসাকে নিয়ে   বিএনপি'র দুই গ্রুপের  ১০ জন আহত

কালিয়াকৈর ঝুট ব্যবসাকে নিয়ে বিএনপি'র দুই গ্রুপের ১০ জন আহত

নবীনগর সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণ নিয়ে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ,চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৩

নবীনগর সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণ নিয়ে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ,চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৩

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১,৯৮০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ০১

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ১,৯৮০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ০১

রাঙ্গামাটিতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষে কেন্দ্র পরিদর্শন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী এবং পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, (পিপিএম)

রাঙ্গামাটিতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষে কেন্দ্র পরিদর্শন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী এবং পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, (পিপিএম)

বন্দরে অবৈধ গ্যাস সংযোগ উচ্ছেদ অভিযান।

বন্দরে অবৈধ গ্যাস সংযোগ উচ্ছেদ অভিযান।

​চাঁপাইনবাবগঞ্জে টাস্কফোর্সের বড় সাফল্য বিপুল পরিমাণ হেরোইন ও ৮ লক্ষাধিক টাকাসহ আটক ২

​চাঁপাইনবাবগঞ্জে টাস্কফোর্সের বড় সাফল্য বিপুল পরিমাণ হেরোইন ও ৮ লক্ষাধিক টাকাসহ আটক ২

ভেড়ামারায় এসএসসি পরীক্ষা শুরু। অনুপস্থিত-১৯।

ভেড়ামারায় এসএসসি পরীক্ষা শুরু। অনুপস্থিত-১৯।

বেড়ায় সুশৃংখল ও উৎসব মুখর পরিবেশে  এসএসসি পরীক্ষা শুরু:

বেড়ায় সুশৃংখল ও উৎসব মুখর পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা শুরু:

নবীনগর সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণ নিয়ে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ,চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৩

নবীনগর সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণ নিয়ে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ,চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৩

নবীনগর সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণ নিয়ে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ,চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৩

মোঃ আবু কালাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি :-​ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজারে দোকান নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও তার ভাইসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ইউপি চেয়ারম্যানসহ তিনজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

​মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে উপজেলার জিনোদপুর ইউনিয়নের বাঙ্গরা বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তাররা হলেন— জিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা রবিউল্লাহ রবি (৫২), তার ছোট ভাই রুবেল মিয়া (৩৮) এবং মামাতো ভাই পলাশ মিয়া (৩৬)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ বেলা ১১টার দিকে বাঙ্গরা বাজারের সরকারি জায়গায় ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল্লাহ রবি ও তার ভাই যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে লোকজন একটি দোকানঘর নির্মাণ করতে যান। এ সময় বাঙ্গরা বাজার কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শামীম মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মজনুর নেতৃত্বে ব্যবসায়ীরা সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণে বাধা দেন।

দোকান নির্মাণে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় আধাঘণ্টাব্যাপী চলা এই রণক্ষেত্রে পুরো বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে একপক্ষে ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল্লাহ ও তার ভাই শফিকুল এবং প্রতিপক্ষে যুবদল নেতা শামীম মিয়া, তার ছেলে শান্ত ও বিএনপি নেতা মজনুসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে যুবলীগ নেতা শফিকুল রক্তাক্ত জখম হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সংঘর্ষ চলাকালীন স্থানীয়দের একাংশ আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান ও তার ভাইদের বাজারে অবরুদ্ধ করে ফেলে। খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে 'মব' বা উত্তেজিত জনতার কবল থেকে চেয়ারম্যানসহ তিনজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে প্রতিপক্ষ বিএনপির সমর্থকরা থানায় এসে মামলার প্রস্তুতি নিলে পুলিশ উদ্ধারকৃত চেয়ারম্যান রবিউল্লাহ, রুবেল ও পলাশকে গ্রেপ্তার দেখায়।

আটক অবস্থায় চেয়ারম্যান রবিউল্লাহ রবি বলেন, "পুলিশ সময়মতো না পৌঁছালে প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদের মেরেই ফেলত। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"

​অন্যদিকে, যুবদল নেতা কাউছার আহমেদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে দোকান তুলতে গেলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা বাধা দেন। তখন চেয়ারম্যান ও তার লোকজন উল্টো আমাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এক পর্যায়ে যুবলীগ নেতা শফিক আগ্নেয়াস্ত্র বের করলে ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের পিটুনি দেয়।"

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থল থেকে চেয়ারম্যানসহ তিনজনকে প্রাথমিকভাবে উদ্ধার করে আনা হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং এলাকায় শান্তি রক্ষায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬


নবীনগর সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণ নিয়ে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ,চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

নবীনগর সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণ নিয়ে আ.লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ,চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার ৩

মোঃ আবু কালাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি :-​ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজারে দোকান নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও তার ভাইসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ইউপি চেয়ারম্যানসহ তিনজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

​মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে উপজেলার জিনোদপুর ইউনিয়নের বাঙ্গরা বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তাররা হলেন— জিনোদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা রবিউল্লাহ রবি (৫২), তার ছোট ভাই রুবেল মিয়া (৩৮) এবং মামাতো ভাই পলাশ মিয়া (৩৬)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ বেলা ১১টার দিকে বাঙ্গরা বাজারের সরকারি জায়গায় ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল্লাহ রবি ও তার ভাই যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে লোকজন একটি দোকানঘর নির্মাণ করতে যান। এ সময় বাঙ্গরা বাজার কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শামীম মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মজনুর নেতৃত্বে ব্যবসায়ীরা সরকারি জায়গায় দোকান নির্মাণে বাধা দেন।

দোকান নির্মাণে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় আধাঘণ্টাব্যাপী চলা এই রণক্ষেত্রে পুরো বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে একপক্ষে ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল্লাহ ও তার ভাই শফিকুল এবং প্রতিপক্ষে যুবদল নেতা শামীম মিয়া, তার ছেলে শান্ত ও বিএনপি নেতা মজনুসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে যুবলীগ নেতা শফিকুল রক্তাক্ত জখম হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সংঘর্ষ চলাকালীন স্থানীয়দের একাংশ আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান ও তার ভাইদের বাজারে অবরুদ্ধ করে ফেলে। খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে 'মব' বা উত্তেজিত জনতার কবল থেকে চেয়ারম্যানসহ তিনজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে প্রতিপক্ষ বিএনপির সমর্থকরা থানায় এসে মামলার প্রস্তুতি নিলে পুলিশ উদ্ধারকৃত চেয়ারম্যান রবিউল্লাহ, রুবেল ও পলাশকে গ্রেপ্তার দেখায়।

আটক অবস্থায় চেয়ারম্যান রবিউল্লাহ রবি বলেন, "পুলিশ সময়মতো না পৌঁছালে প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদের মেরেই ফেলত। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।"

​অন্যদিকে, যুবদল নেতা কাউছার আহমেদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, "সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে দোকান তুলতে গেলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা বাধা দেন। তখন চেয়ারম্যান ও তার লোকজন উল্টো আমাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এক পর্যায়ে যুবলীগ নেতা শফিক আগ্নেয়াস্ত্র বের করলে ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের পিটুনি দেয়।"

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থল থেকে চেয়ারম্যানসহ তিনজনকে প্রাথমিকভাবে উদ্ধার করে আনা হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং এলাকায় শান্তি রক্ষায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ