ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

উখিয়ার খালকাচা বাসীর জনদুর্ভোগ

উখিয়ার খালকাচা বাসীর জনদুর্ভোগ

উখিয়ার খালকাচা বাসীর জনদুর্ভোগ 

সিরাজুল কবির বুলবুল,উখিয়া প্রতিনিধি :- উখিয়া উপজেলা অন্তর্গত  রাজাপালং ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের জনবসতি পূর্ণ একটি একটি গ্রামের নাম চাকবৈঠা, তারই মাঝে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন্ডিত শান্তশিষ্ট একটি পাড়ার নাম খালকাচা পাড়া,এই পাড়ার বুকচিরে বয়েগেছে পূর্বে পাহাড় থেকে নেমে আসা হিজলিয়া খাল। যদিও শুষ্ক মৌসুমে এটি দেখতে  অনেকটা তপ্তমরুভূমির মতো। আকাবাঁকা এই খাল ভরাবর্ষায় জলে টইটম্বুর হয়ে যায়।  পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢল মুহুর্তে নাস্তানাবুদ করে দেয় আসে,পাশে দীর্ঘদিনের বসতিগড়া বাড়ীঘরের অবস্থান।  বর্ষার শুরুতে পাহাড়ী ঢলের তান্ডবে পার্শ্ববর্তী বাড়িঘরে হাঁটু থেকে কোমর পরিমান পানিডুকে পড়ে বিনাবাধায় তছনছ করেদেয় বসতবাড়ি। 

এই বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা দুইবারের মহিলা মেম্বার পদপ্রার্থী, রশিদ বেগমের কাছ থেকে  জানতে চাইলে তিনি জানান,সত্যি আমরা খুবই অবহেলিত, এই জনপদে আমাদের দেখার কেউ নেই। 

বর্ষাকালে রাতে ঘুমাতে পারিনা পানির ভয়ঙ্কর শব্দে,বাড়ীতে হাঁটুপরিমান পানি ডুকে যায় বিনাবাধায়, নষ্ট হয়েযায় বাড়ীরনিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তিনি আরো জানান,আমাদের রক্তের সম্পর্কের আত্মীয় সজন অনেকে ঘর ছাড়া হয়ে অন্যত্রে চলে গেছে। গত ৫/৬ বছরে ১২ টি পরিবারের বাড়িঘর হিজলিয়া খালে নেমে আসা  পাহাড়ি ঢলে ভেঙে নিয়ে গেছে।  খালকাচা পাড়ার মানুষের এখন একটাই দাবি মাননীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর কাছে, সামনের বর্ষা মৌসুম শুরুর পূর্বে খালের পাড়ে শক্তিশালী একটি গাইডওয়াল নির্মাণ করে দেওয়া হোক।তাহলে আমরা খালকাচা বাসি প্রাণে রক্ষা পাবো,ভাঙ্গবেনা পানির ঢলে আমাদের বাড়ি ঘর। ঘুমোতে পারবো সারারাত নির্ভয়ে।  

এই ব্যাপরা স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান এই বিষয়টি নিয়ে আমি দেখবো।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


উখিয়ার খালকাচা বাসীর জনদুর্ভোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

উখিয়ার খালকাচা বাসীর জনদুর্ভোগ 

সিরাজুল কবির বুলবুল,উখিয়া প্রতিনিধি :- উখিয়া উপজেলা অন্তর্গত  রাজাপালং ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের জনবসতি পূর্ণ একটি একটি গ্রামের নাম চাকবৈঠা, তারই মাঝে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মন্ডিত শান্তশিষ্ট একটি পাড়ার নাম খালকাচা পাড়া,এই পাড়ার বুকচিরে বয়েগেছে পূর্বে পাহাড় থেকে নেমে আসা হিজলিয়া খাল। যদিও শুষ্ক মৌসুমে এটি দেখতে  অনেকটা তপ্তমরুভূমির মতো। আকাবাঁকা এই খাল ভরাবর্ষায় জলে টইটম্বুর হয়ে যায়।  পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢল মুহুর্তে নাস্তানাবুদ করে দেয় আসে,পাশে দীর্ঘদিনের বসতিগড়া বাড়ীঘরের অবস্থান।  বর্ষার শুরুতে পাহাড়ী ঢলের তান্ডবে পার্শ্ববর্তী বাড়িঘরে হাঁটু থেকে কোমর পরিমান পানিডুকে পড়ে বিনাবাধায় তছনছ করেদেয় বসতবাড়ি। 

এই বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা দুইবারের মহিলা মেম্বার পদপ্রার্থী, রশিদ বেগমের কাছ থেকে  জানতে চাইলে তিনি জানান,সত্যি আমরা খুবই অবহেলিত, এই জনপদে আমাদের দেখার কেউ নেই। 

বর্ষাকালে রাতে ঘুমাতে পারিনা পানির ভয়ঙ্কর শব্দে,বাড়ীতে হাঁটুপরিমান পানি ডুকে যায় বিনাবাধায়, নষ্ট হয়েযায় বাড়ীরনিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তিনি আরো জানান,আমাদের রক্তের সম্পর্কের আত্মীয় সজন অনেকে ঘর ছাড়া হয়ে অন্যত্রে চলে গেছে। গত ৫/৬ বছরে ১২ টি পরিবারের বাড়িঘর হিজলিয়া খালে নেমে আসা  পাহাড়ি ঢলে ভেঙে নিয়ে গেছে।  খালকাচা পাড়ার মানুষের এখন একটাই দাবি মাননীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর কাছে, সামনের বর্ষা মৌসুম শুরুর পূর্বে খালের পাড়ে শক্তিশালী একটি গাইডওয়াল নির্মাণ করে দেওয়া হোক।তাহলে আমরা খালকাচা বাসি প্রাণে রক্ষা পাবো,ভাঙ্গবেনা পানির ঢলে আমাদের বাড়ি ঘর। ঘুমোতে পারবো সারারাত নির্ভয়ে।  

এই ব্যাপরা স্থানীয় চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান এই বিষয়টি নিয়ে আমি দেখবো।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ