পলাশবাড়ীতে ‘পুলিশ পাগলা’র ওপর হামলা, রমেক হাসপাতালে রেফার্ড*
মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধা :- গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ‘পুলিশ পাগলা’ নামে পরিচিত ভারসাম্যহীন পলাশ মিয়ার ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে। সোমবার বিকাল ৪টার দিকে উপজেলার সোনামাই বেওয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, পলাশ মিয়া মানসিক ভারসাম্যহীন হলেও স্বেচ্ছায় পুলিশের পোশাক পরে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করতেন। এ কারণে এলাকায় তিনি ‘পলাশ পাগলা’ বা ‘পুলিশ পাগলা’ নামে পরিচিত।
আহত পলাশ মিয়া জানান, চলমান এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে তিনি এসএম হাইস্কুল কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সে সময় দুই যুবক কেন্দ্রে নকল সরবরাহের চেষ্টা করলে পুলিশের পোশাক পরা অবস্থায় তিনি তাদের বাধা দেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ঘটনার জেরেই সোমবার তার ওপর হামলা চালানো হয়।
পলাশ বলেন, “মাস্টারের ছেলে আমার ওপর হামলা করেছে।” তবে কোন শিক্ষকের ছেলে তাকে আঘাত করেছে, তা তিনি নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি।ঘটনার পর সাংবাদিক আশরাফুজ্জামান সরকার গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে উদ্ধার করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সালাউদ্দীন আহম্মদ জানান, “পলাশের মাথা ও শরীরে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার মাথায় সিটি স্ক্যান করা জরুরি। বর্তমানে তার বমি ও খিঁচুনি হচ্ছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।”
তবে তাৎক্ষণিকভাবে রংপুরে না নেওয়ায় বর্তমানে পলাশবাড়ী হাসপাতালেই তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।এ ঘটনায় এখনও থানায় কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ বলছে, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
পলাশবাড়ীতে ‘পুলিশ পাগলা’র ওপর হামলা, রমেক হাসপাতালে রেফার্ড*
মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধা :- গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ‘পুলিশ পাগলা’ নামে পরিচিত ভারসাম্যহীন পলাশ মিয়ার ওপর দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে। সোমবার বিকাল ৪টার দিকে উপজেলার সোনামাই বেওয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, পলাশ মিয়া মানসিক ভারসাম্যহীন হলেও স্বেচ্ছায় পুলিশের পোশাক পরে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক ও শৃঙ্খলার দায়িত্ব পালন করতেন। এ কারণে এলাকায় তিনি ‘পলাশ পাগলা’ বা ‘পুলিশ পাগলা’ নামে পরিচিত।
আহত পলাশ মিয়া জানান, চলমান এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে তিনি এসএম হাইস্কুল কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সে সময় দুই যুবক কেন্দ্রে নকল সরবরাহের চেষ্টা করলে পুলিশের পোশাক পরা অবস্থায় তিনি তাদের বাধা দেন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ঘটনার জেরেই সোমবার তার ওপর হামলা চালানো হয়।
পলাশ বলেন, “মাস্টারের ছেলে আমার ওপর হামলা করেছে।” তবে কোন শিক্ষকের ছেলে তাকে আঘাত করেছে, তা তিনি নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি।ঘটনার পর সাংবাদিক আশরাফুজ্জামান সরকার গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে উদ্ধার করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সালাউদ্দীন আহম্মদ জানান, “পলাশের মাথা ও শরীরে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার মাথায় সিটি স্ক্যান করা জরুরি। বর্তমানে তার বমি ও খিঁচুনি হচ্ছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।”
তবে তাৎক্ষণিকভাবে রংপুরে না নেওয়ায় বর্তমানে পলাশবাড়ী হাসপাতালেই তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।এ ঘটনায় এখনও থানায় কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ বলছে, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে

আপনার মতামত লিখুন