বন্দর ধামগড় ইউপি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে আলোচনায় বিএনপি নেতা---আমির হামজা
বন্দর প্রতিনিধিঃ- আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি নেতা গাজ্বী মোঃ আমির হামজা আলোচনায় রয়েছেন। তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক, নারায়ণগঞ্জ মহানগর তারেক জিয়া পরিষদের সহ-সভাপতি। গত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে হাফ ডজন মিথ্যা মামলার বোঝা কাধে নিয়ে বেড়ানো একজন কারা নির্যাতিত নেতা। এছাড়া তিনি ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির একজন ত্যাগী নেতা। নারায়নগঞ্জ-৫ সদর-বন্দর আসনের সাংসদ এডভোকেট আবুল কালাম পরিবারের একনিষ্ঠ নেতা।
গত ৫ই আগষ্ট ফ্যাসিষ্ট সরকারের পতনের পর যখন ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির কিছু সুবিধাবাধী নেতৃবৃন্দ নগদ টাকার লোভে হাইব্রিড নেতাদের নিকট বিক্রি হয়েছিল তখন একমাত্র গাজ্বী আমির হামজা কালাম পরিবারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে সাংসদ আবুল কালাম পুত্র আবুল কাউসার আশা'র কাছ থেকে আলাদা করতে পারেনি। বিক্রিত হতে দেয়নি নিজের নীতি আর চরিত্র। অনেকেই আবার নগদ টাকার লোভে রাতে একরুপ দিনে অন্যরুপ ধারন করেছেন। নিজের তেমন কোন টাকা পয়সা না থাকলেও একটি মাত্র শ্লোগানে জনগনের মন জয় করে নিয়েছেন। আর সেই শ্লোগান ছিল "টাকা পয়সা কয়দিন, ভালোবাসা চিরদিন"। নিজের পকেটে টাকা না থাকলেও অন্যদের কখনো বুঝতে দেননা। নেতাকর্মীরা কখনো তার কাছ থেকে নৈরাশ হয়নি। নগদ টাকা দিয়ে উপকার করতে না পারলেও শারীরিক ও মানসিক শ্রম দিয়ে নেতাকর্মীদের উপকার করে যাচ্ছেন । এমনকি ভালোবেসে বুকে টেনে নিচ্ছেন। গাজ্বী মোঃ আমির হামজা উপজেলার ধামগড় ইউনিয়ন জাঙ্গাল আইলপাড়া গ্রামের --- পুত্র। দীর্ঘদিন ধরে সাংসদ আবুল কালম ও আবুল কাউসার আশা'র সাথে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে তিনি দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। গত নির্বাচন সহ কয়েকটি নির্বাচনে ধামগড় ইউনিয়ন নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেছেন। মাসের পর মাস বছরের পর পর ঘর বাড়ি ছেড়ে রাস্তার পাশের ঝোপঝাড় ও ধান, পাট খেতে রাত্র যাপন করেছেন। এমনকি পুলিশের কাছে ধরা খেয়ে কয়েকবার জেলও খেটেছেন।
এদিগে ধামগড় ইউনিয়ন স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দলীয় দুর্দিনে মাঠে সক্রিয় থাকা, সাংগঠনিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সু-সম্পর্কের কারণে তৃণমূলে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। একজন সৎ, সহজ-সরল ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে গাজ্বী আমির হামজার পরিচিতি রয়েছে।
চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন প্রসঙ্গে গাজ্বী মোঃ আমির হামজা বলেন, আমি ধামগড় ইউনিয়ন সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। হিংসা-প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, ঐক্যবদ্ধভাবে একটি আধুনিক শান্তিপূর্ণ ও উন্নয়নমুখী ইউনিয়ন গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য। পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ নির্মূল করতে আমি বদ্ধ পরিকর। সেই জন্য আমরা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ আছি। তিনি আরও বলেন, জনগণ সুযোগ দিলে ইউনিয়নের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করে যাবো।
এদিকে তার প্রার্থিতা নিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সমর্থন ধরে রাখতে পারলে চেয়ারম্যান পদে তিনি শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারেন।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
বন্দর ধামগড় ইউপি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে আলোচনায় বিএনপি নেতা---আমির হামজা
বন্দর প্রতিনিধিঃ- আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি নেতা গাজ্বী মোঃ আমির হামজা আলোচনায় রয়েছেন। তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক, নারায়ণগঞ্জ মহানগর তারেক জিয়া পরিষদের সহ-সভাপতি। গত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে হাফ ডজন মিথ্যা মামলার বোঝা কাধে নিয়ে বেড়ানো একজন কারা নির্যাতিত নেতা। এছাড়া তিনি ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির একজন ত্যাগী নেতা। নারায়নগঞ্জ-৫ সদর-বন্দর আসনের সাংসদ এডভোকেট আবুল কালাম পরিবারের একনিষ্ঠ নেতা।
গত ৫ই আগষ্ট ফ্যাসিষ্ট সরকারের পতনের পর যখন ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির কিছু সুবিধাবাধী নেতৃবৃন্দ নগদ টাকার লোভে হাইব্রিড নেতাদের নিকট বিক্রি হয়েছিল তখন একমাত্র গাজ্বী আমির হামজা কালাম পরিবারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে সাংসদ আবুল কালাম পুত্র আবুল কাউসার আশা'র কাছ থেকে আলাদা করতে পারেনি। বিক্রিত হতে দেয়নি নিজের নীতি আর চরিত্র। অনেকেই আবার নগদ টাকার লোভে রাতে একরুপ দিনে অন্যরুপ ধারন করেছেন। নিজের তেমন কোন টাকা পয়সা না থাকলেও একটি মাত্র শ্লোগানে জনগনের মন জয় করে নিয়েছেন। আর সেই শ্লোগান ছিল "টাকা পয়সা কয়দিন, ভালোবাসা চিরদিন"। নিজের পকেটে টাকা না থাকলেও অন্যদের কখনো বুঝতে দেননা। নেতাকর্মীরা কখনো তার কাছ থেকে নৈরাশ হয়নি। নগদ টাকা দিয়ে উপকার করতে না পারলেও শারীরিক ও মানসিক শ্রম দিয়ে নেতাকর্মীদের উপকার করে যাচ্ছেন । এমনকি ভালোবেসে বুকে টেনে নিচ্ছেন। গাজ্বী মোঃ আমির হামজা উপজেলার ধামগড় ইউনিয়ন জাঙ্গাল আইলপাড়া গ্রামের --- পুত্র। দীর্ঘদিন ধরে সাংসদ আবুল কালম ও আবুল কাউসার আশা'র সাথে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে তিনি দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। গত নির্বাচন সহ কয়েকটি নির্বাচনে ধামগড় ইউনিয়ন নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেছেন। মাসের পর মাস বছরের পর পর ঘর বাড়ি ছেড়ে রাস্তার পাশের ঝোপঝাড় ও ধান, পাট খেতে রাত্র যাপন করেছেন। এমনকি পুলিশের কাছে ধরা খেয়ে কয়েকবার জেলও খেটেছেন।
এদিগে ধামগড় ইউনিয়ন স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দলীয় দুর্দিনে মাঠে সক্রিয় থাকা, সাংগঠনিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ততা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সু-সম্পর্কের কারণে তৃণমূলে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। একজন সৎ, সহজ-সরল ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে গাজ্বী আমির হামজার পরিচিতি রয়েছে।
চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন প্রসঙ্গে গাজ্বী মোঃ আমির হামজা বলেন, আমি ধামগড় ইউনিয়ন সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। হিংসা-প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, ঐক্যবদ্ধভাবে একটি আধুনিক শান্তিপূর্ণ ও উন্নয়নমুখী ইউনিয়ন গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য। পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ নির্মূল করতে আমি বদ্ধ পরিকর। সেই জন্য আমরা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ আছি। তিনি আরও বলেন, জনগণ সুযোগ দিলে ইউনিয়নের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করে যাবো।
এদিকে তার প্রার্থিতা নিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সমর্থন ধরে রাখতে পারলে চেয়ারম্যান পদে তিনি শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন