অভয়নগরের ৩ নং চলিশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: সততা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার নিয়ে আলোচনায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তাওহীদ হাসান উসামা
যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার প্রতিনিধিঃ আল মামুন গাজী:- আসন্ন যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার ৩ নং চলিশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এই নির্বাচনে প্রথাগত রাজনীতির বাইরে সম্পূর্ণ নতুন ও সততার এক ব্যতিক্রমী বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছেন তরুণ সমাজসেবক তাওহীদ হাসান উসামা। চলিশিয়া ইউনিয়নের কোটা গ্রামের মরহুম বজলুর রহমানের এই সন্তান স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।
তাওহীদ হাসান উসামা তার নির্বাচনি ভাবনা তুলে ধরে বলেন, "আমার মূল লক্ষ্য অবহেলিত চলিশিয়া ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করা। সরকারি সেবা যাতে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায় এবং দরিদ্র মানুষ যাতে তাদের প্রাপ্য অধিকার ফিরে পায়, তা নিশ্চিত করাই আমার প্রধান উদ্দেশ্য।" তিনি আরও জানান, রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার মান নিশ্চিত করা এবং উঠতি বয়সের কিশোর-যুবকদের অনলাইন গেমস, জুয়া ও মাদক থেকে দূরে রেখে খেলার মাঠমুখী করাই হবে তার প্রাথমিক লক্ষ্য। নির্বাচনী প্রচারণায় যখন বিশাল মহড়া আর অর্থের ঝনঝনানি সাধারণ চিত্র, সেখানে উসামা নিয়েছেন এক সাহসী ও মিতব্যয়ী পদক্ষেপ।
তিনি ঘোষণা করেছেন: ১. জনগণের সাথে কোনো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেবেন না; যা বাস্তবায়ন সম্ভব কেবল সেটিই বলবেন। ২. একটি দরিদ্র পরিবারের সন্তান হিসেবে টাকা দিয়ে ভোট কেনার সংস্কৃতিতে তিনি বিশ্বাসী নন। ৩. কোনো বড় মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বা জাঁকজমকপূর্ণ সমাবেশ করবেন না, কারণ তার দৃশ্যমান কোনো রাজনৈতিক জনবল নেই। ৪. কোনো অপরাধী বা বিতর্কিত ব্যক্তিকে নিজের নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে স্থান দেবেন না। ৫. সম্পূর্ণ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকার বেশি ব্যয় করবেন না।
নির্বাচিত হলে ৫টি বিশেষ পদক্ষেপ জয়লাভের পর ইউনিয়নের চিত্র বদলে দিতে উসামা বেশ কিছু বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন:
• দুর্নীতিমুক্ত সেবা: সরকারি সেবা পেতে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন বা ঘুষ দিতে হবে না।
• অরাজনৈতিক সেবা: ইউনিয়ন পরিষদের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে দল-মত বিবেচনা করা হবে না; প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার পাবেন।
• মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ: মাদক নির্মূলে 'জিরো টলারেন্স' নীতিসহ অনলাইন জুয়া ও ক্ষতিকর গেমস বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
• ন্যায্যতা ও সততা: নির্বাচনের আগে যেমন কাউকে অবৈধ সুবিধা দেবেন না, নির্বাচনের পরেও কোনো অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করবেন না।
• জবাবদিহিতা: প্রতিটি কাজের জন্য জনগণের কাছে সরাসরি জবাবদিহি করবেন এবং সকল জনপ্রতিনিধিকে জনগণের কাঠগড়ায় জবাবদিহিতার আওতায় আনবেন।
চলিশিয়া ইউনিয়নবাসীর প্রতি আহ্বান কোটা গ্রামের সন্তান তাওহীদ হাসান উসামা মনে করেন, কেবল অর্থ বা ক্ষমতা নয়, বরং সততা ও সদিচ্ছাই পারে চলিশিয়া ইউনিয়নের চেহারা পাল্টে দিতে। তার এই ভিন্নধর্মী প্রচারণার বার্তা ইতিমধ্যে অভয়নগর উপজেলার বিভিন্ন মহলে প্রশংসা কুড়াচ্ছে। সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন, তাওহীদ হাসান উসামা মতো সৎ ও নীতিবান প্রার্থী নির্বাচিত হলে চলিশিয়া ইউনিয়ন প্রকৃতপক্ষে একটি সেবামূলক ও আদর্শ ইউনিয়নে পরিণত হবে।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
অভয়নগরের ৩ নং চলিশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: সততা ও জবাবদিহিতার অঙ্গীকার নিয়ে আলোচনায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তাওহীদ হাসান উসামা
যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার প্রতিনিধিঃ আল মামুন গাজী:- আসন্ন যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার ৩ নং চলিশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এই নির্বাচনে প্রথাগত রাজনীতির বাইরে সম্পূর্ণ নতুন ও সততার এক ব্যতিক্রমী বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছেন তরুণ সমাজসেবক তাওহীদ হাসান উসামা। চলিশিয়া ইউনিয়নের কোটা গ্রামের মরহুম বজলুর রহমানের এই সন্তান স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।
তাওহীদ হাসান উসামা তার নির্বাচনি ভাবনা তুলে ধরে বলেন, "আমার মূল লক্ষ্য অবহেলিত চলিশিয়া ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করা। সরকারি সেবা যাতে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যায় এবং দরিদ্র মানুষ যাতে তাদের প্রাপ্য অধিকার ফিরে পায়, তা নিশ্চিত করাই আমার প্রধান উদ্দেশ্য।" তিনি আরও জানান, রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার মান নিশ্চিত করা এবং উঠতি বয়সের কিশোর-যুবকদের অনলাইন গেমস, জুয়া ও মাদক থেকে দূরে রেখে খেলার মাঠমুখী করাই হবে তার প্রাথমিক লক্ষ্য। নির্বাচনী প্রচারণায় যখন বিশাল মহড়া আর অর্থের ঝনঝনানি সাধারণ চিত্র, সেখানে উসামা নিয়েছেন এক সাহসী ও মিতব্যয়ী পদক্ষেপ।
তিনি ঘোষণা করেছেন: ১. জনগণের সাথে কোনো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেবেন না; যা বাস্তবায়ন সম্ভব কেবল সেটিই বলবেন। ২. একটি দরিদ্র পরিবারের সন্তান হিসেবে টাকা দিয়ে ভোট কেনার সংস্কৃতিতে তিনি বিশ্বাসী নন। ৩. কোনো বড় মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা বা জাঁকজমকপূর্ণ সমাবেশ করবেন না, কারণ তার দৃশ্যমান কোনো রাজনৈতিক জনবল নেই। ৪. কোনো অপরাধী বা বিতর্কিত ব্যক্তিকে নিজের নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে স্থান দেবেন না। ৫. সম্পূর্ণ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকার বেশি ব্যয় করবেন না।
নির্বাচিত হলে ৫টি বিশেষ পদক্ষেপ জয়লাভের পর ইউনিয়নের চিত্র বদলে দিতে উসামা বেশ কিছু বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন:
• দুর্নীতিমুক্ত সেবা: সরকারি সেবা পেতে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন বা ঘুষ দিতে হবে না।
• অরাজনৈতিক সেবা: ইউনিয়ন পরিষদের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে দল-মত বিবেচনা করা হবে না; প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার পাবেন।
• মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ: মাদক নির্মূলে 'জিরো টলারেন্স' নীতিসহ অনলাইন জুয়া ও ক্ষতিকর গেমস বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
• ন্যায্যতা ও সততা: নির্বাচনের আগে যেমন কাউকে অবৈধ সুবিধা দেবেন না, নির্বাচনের পরেও কোনো অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করবেন না।
• জবাবদিহিতা: প্রতিটি কাজের জন্য জনগণের কাছে সরাসরি জবাবদিহি করবেন এবং সকল জনপ্রতিনিধিকে জনগণের কাঠগড়ায় জবাবদিহিতার আওতায় আনবেন।
চলিশিয়া ইউনিয়নবাসীর প্রতি আহ্বান কোটা গ্রামের সন্তান তাওহীদ হাসান উসামা মনে করেন, কেবল অর্থ বা ক্ষমতা নয়, বরং সততা ও সদিচ্ছাই পারে চলিশিয়া ইউনিয়নের চেহারা পাল্টে দিতে। তার এই ভিন্নধর্মী প্রচারণার বার্তা ইতিমধ্যে অভয়নগর উপজেলার বিভিন্ন মহলে প্রশংসা কুড়াচ্ছে। সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন, তাওহীদ হাসান উসামা মতো সৎ ও নীতিবান প্রার্থী নির্বাচিত হলে চলিশিয়া ইউনিয়ন প্রকৃতপক্ষে একটি সেবামূলক ও আদর্শ ইউনিয়নে পরিণত হবে।

আপনার মতামত লিখুন