খেলতে খেলতে বহু ভাষা শেখা: ব্যতিক্রমধর্মী সমাপনী কনফারেন্স।
জাহাঙ্গীর আলমজেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:- রাজধানী ঢাকায় “খেলাই পড়া: খেলতে খেলতে বহুভাষা শিখুন” শীর্ষক এক ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষা উদ্যোগের সমাপনী কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন প্রজন্মকে আনন্দমুখর পদ্ধতিতে ভাষা শিক্ষায় আগ্রহী করে তুলতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সুধীজনের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও মৃত্তিকাকর্মী জাকিয়া শিশির বলেন, “খেলাই পড়া—খেলতে খেলতে বহুভাষা শিখুন” শীর্ষক আম্মাম মডেল বর্তমান সময়ের জন্য অত্যন্ত যুগোপযোগী একটি উদ্ভাবন। তিনি বলেন, এই মডেল ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান, সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং সৃজনশীল বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “আম্মাম মডেল কেবল ভাষা শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি ভবিষ্যতের শ্রমবাজার, কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করে তোলে। ফলে এটি একটি সমন্বিত ও দূরদর্শী শিক্ষাপদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-এর ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমেদ রেজা বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে কবি আনিস মুহম্মদ বিশ্বপরিসরে প্রতিষ্ঠিত ভাষা-দর্শনের একটি বাস্তব প্রয়োগ তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মহাত্মা গান্ধী, আই এ রিচার্ডস, সি কে ওগডেন, নোম চমস্কি, মিশেল ফুকো এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ-এর ভাষা-ভাবনার সাথে এ মডেলের গভীর সাযুজ্য রয়েছে।
আম্মাম মডেলের উদ্ভাবক কবি আনিস মুহম্মদ বলেন, এই পদ্ধতিতে পঞ্চইন্দ্রিয়ের ব্যবহার এবং অবচেতন মনের সহায়তায় প্রায় ছয় হাজার শব্দ ও চিত্র স্থায়ীভাবে স্মৃতিতে ধারণ করা সম্ভব হয়। তিনি জানান, লেখা, পড়া, শোনা ও বলার সময় শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় শব্দ স্মৃতি থেকে ব্যবহার করতে পারে, যা ভাষা শিক্ষাকে সহজ, কার্যকর ও আনন্দময় করে তোলে।
সমাপনী পর্বে বক্তারা এই মডেলকে জাতীয় পর্যায়ে বিস্তারের আহ্বান জানান এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় এমন উদ্ভাবনী পদ্ধতি অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
খেলতে খেলতে বহু ভাষা শেখা: ব্যতিক্রমধর্মী সমাপনী কনফারেন্স।
জাহাঙ্গীর আলমজেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:- রাজধানী ঢাকায় “খেলাই পড়া: খেলতে খেলতে বহুভাষা শিখুন” শীর্ষক এক ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষা উদ্যোগের সমাপনী কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন প্রজন্মকে আনন্দমুখর পদ্ধতিতে ভাষা শিক্ষায় আগ্রহী করে তুলতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সুধীজনের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও মৃত্তিকাকর্মী জাকিয়া শিশির বলেন, “খেলাই পড়া—খেলতে খেলতে বহুভাষা শিখুন” শীর্ষক আম্মাম মডেল বর্তমান সময়ের জন্য অত্যন্ত যুগোপযোগী একটি উদ্ভাবন। তিনি বলেন, এই মডেল ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান, সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং সৃজনশীল বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “আম্মাম মডেল কেবল ভাষা শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি ভবিষ্যতের শ্রমবাজার, কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করে তোলে। ফলে এটি একটি সমন্বিত ও দূরদর্শী শিক্ষাপদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-এর ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমেদ রেজা বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে কবি আনিস মুহম্মদ বিশ্বপরিসরে প্রতিষ্ঠিত ভাষা-দর্শনের একটি বাস্তব প্রয়োগ তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মহাত্মা গান্ধী, আই এ রিচার্ডস, সি কে ওগডেন, নোম চমস্কি, মিশেল ফুকো এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ-এর ভাষা-ভাবনার সাথে এ মডেলের গভীর সাযুজ্য রয়েছে।
আম্মাম মডেলের উদ্ভাবক কবি আনিস মুহম্মদ বলেন, এই পদ্ধতিতে পঞ্চইন্দ্রিয়ের ব্যবহার এবং অবচেতন মনের সহায়তায় প্রায় ছয় হাজার শব্দ ও চিত্র স্থায়ীভাবে স্মৃতিতে ধারণ করা সম্ভব হয়। তিনি জানান, লেখা, পড়া, শোনা ও বলার সময় শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় শব্দ স্মৃতি থেকে ব্যবহার করতে পারে, যা ভাষা শিক্ষাকে সহজ, কার্যকর ও আনন্দময় করে তোলে।
সমাপনী পর্বে বক্তারা এই মডেলকে জাতীয় পর্যায়ে বিস্তারের আহ্বান জানান এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় এমন উদ্ভাবনী পদ্ধতি অন্তর্ভুক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আপনার মতামত লিখুন