মিরপুরে ২ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী সহ ভুক্তভোগী নারীর সংবাদ সম্মেলন
স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া জেলা। কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ধুবইল ইউনিয়নের আজমতপুর গ্রাম নিবাসী দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন একজন ভুক্তভোগী নারী। ভুক্তভোগী রাবেয়া খাতুন একজন রেমিটেন্স যোদ্ধা এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে দুবাই থাকতেন। স্বামী কর্তৃক প্রতারিত হয়ে বর্তমানে তিনি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। রাবেয়ার বিনা অনুমতিতে তার স্বামী তারিক দ্বিতীয়বার বিবাহ করেছে মর্মে উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিক সম্মেলনে তারিকের প্রথমা স্ত্রী রাবেয়া খাতুন বলেন, তিনি দুবাইয়ে অবস্থানকালীন সময়ে তারিকের সাথে তার বিয়ে হয়।
পরবর্তীতে তারা দেশে চলে আসে। দেশে আসার পরে সে ইউরোপের মাল্টা নামক একটি দেশে যাওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়। মালটাতে যাওয়ার জন্য এবং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন চাহিদা পূরণের জন্য টাকা চাইলে তার স্ত্রী রাবেয়া তাকে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার মতো আর্থিক সহযোগিতা করে। ধুর্ত তারিক প্রতিশ্রুতি দেয় সে তার স্ত্রী রাবেয়াকে বিদেশে নিয়ে যাবে। কিন্তু মালটাতে যাওয়ার পরে সে নানা ধরনের টালবাহানা করতে থাকে এবং রাবেয়াকে বিদেশে নিয়ে যায় না। এদিকে দেশে ফিরে এসে তারিক গোপনে দ্বিতীয় বিবাহ করে। এ বিষয়টি প্রথম স্ত্রী রাবেয়া মেনে না নেওয়ায় রাবেয়া খাতুনের উপরে তার শ্বশুর- শাশুড়ি এবং সতীন চরম ক্ষিপ্ত হয় এবং সবাই মিলে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে মর্মে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
এদিকে তারিকের পক্ষ নিয়ে তার দুই ভাই যারা পুলিশে চাকরি করে এক জনের নাম পুলিশ কনস্টেবল মাহবুবুল হক তাঁজিম ও আরেকজন হলেন পুলিশ কনস্টেবল মাহফুজুল হক তৌহিদ তারা বিভিন্নভাবে ভুক্তভোগীকে হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। এলাকাবাসি রাবেয়ার পক্ষে কথা বললে, ২পুলিশ সদস্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। রাবেয়ার বড় ধরনের ক্ষতি করবে মর্মে তাদের হুমকি ধামকিতে রাবেয়া চরম আতঙ্কে পড়ে যায়। এদিকে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতন এবং সংসারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পরও স্বার্থপর স্বামী কর্তৃক নিগ্রহের কারণে রাবেয়া আজ দুচোখে অন্ধকার দেখছেন।
তিনি আজ বুধবার বিকেলে কুষ্টিয়ার মিরপুরে এ বিষয়ে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের সামনে লিখিত বক্তব্য প্রদান করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি সুবিচার দাবি করেছেন এবং সেইসাথে আইনের লোক হয়েও বেআইনি কর্মকান্ডের সমর্থন ও নারী নির্যাতনে উক্ত পুলিশ সদস্যদ্বয়ের সম্পৃক্ততার বিষয়টি বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এই সাথে তিনি তার আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে দেবার ব্যাপারেও সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
মিরপুরে ২ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী সহ ভুক্তভোগী নারীর সংবাদ সম্মেলন
স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া জেলা। কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার ধুবইল ইউনিয়নের আজমতপুর গ্রাম নিবাসী দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন একজন ভুক্তভোগী নারী। ভুক্তভোগী রাবেয়া খাতুন একজন রেমিটেন্স যোদ্ধা এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে দুবাই থাকতেন। স্বামী কর্তৃক প্রতারিত হয়ে বর্তমানে তিনি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। রাবেয়ার বিনা অনুমতিতে তার স্বামী তারিক দ্বিতীয়বার বিবাহ করেছে মর্মে উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিক সম্মেলনে তারিকের প্রথমা স্ত্রী রাবেয়া খাতুন বলেন, তিনি দুবাইয়ে অবস্থানকালীন সময়ে তারিকের সাথে তার বিয়ে হয়।
পরবর্তীতে তারা দেশে চলে আসে। দেশে আসার পরে সে ইউরোপের মাল্টা নামক একটি দেশে যাওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়। মালটাতে যাওয়ার জন্য এবং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন চাহিদা পূরণের জন্য টাকা চাইলে তার স্ত্রী রাবেয়া তাকে প্রায় ২০ লক্ষ টাকার মতো আর্থিক সহযোগিতা করে। ধুর্ত তারিক প্রতিশ্রুতি দেয় সে তার স্ত্রী রাবেয়াকে বিদেশে নিয়ে যাবে। কিন্তু মালটাতে যাওয়ার পরে সে নানা ধরনের টালবাহানা করতে থাকে এবং রাবেয়াকে বিদেশে নিয়ে যায় না। এদিকে দেশে ফিরে এসে তারিক গোপনে দ্বিতীয় বিবাহ করে। এ বিষয়টি প্রথম স্ত্রী রাবেয়া মেনে না নেওয়ায় রাবেয়া খাতুনের উপরে তার শ্বশুর- শাশুড়ি এবং সতীন চরম ক্ষিপ্ত হয় এবং সবাই মিলে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে মর্মে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
এদিকে তারিকের পক্ষ নিয়ে তার দুই ভাই যারা পুলিশে চাকরি করে এক জনের নাম পুলিশ কনস্টেবল মাহবুবুল হক তাঁজিম ও আরেকজন হলেন পুলিশ কনস্টেবল মাহফুজুল হক তৌহিদ তারা বিভিন্নভাবে ভুক্তভোগীকে হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। এলাকাবাসি রাবেয়ার পক্ষে কথা বললে, ২পুলিশ সদস্য তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। রাবেয়ার বড় ধরনের ক্ষতি করবে মর্মে তাদের হুমকি ধামকিতে রাবেয়া চরম আতঙ্কে পড়ে যায়। এদিকে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতন এবং সংসারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার পরও স্বার্থপর স্বামী কর্তৃক নিগ্রহের কারণে রাবেয়া আজ দুচোখে অন্ধকার দেখছেন।
তিনি আজ বুধবার বিকেলে কুষ্টিয়ার মিরপুরে এ বিষয়ে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের সামনে লিখিত বক্তব্য প্রদান করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি সুবিচার দাবি করেছেন এবং সেইসাথে আইনের লোক হয়েও বেআইনি কর্মকান্ডের সমর্থন ও নারী নির্যাতনে উক্ত পুলিশ সদস্যদ্বয়ের সম্পৃক্ততার বিষয়টি বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এই সাথে তিনি তার আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে দেবার ব্যাপারেও সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন