কক্সবাজারে মানবপাচার প্রতিরোধে কর্মশালা অনুষ্ঠিত
সিরাজুল কবির বুলবুল উখিয়া প্রতিনিধি :- দালালের খপ্পর থেকে ফেরা মানুষের গল্পই রুখবে মানবপাচার মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হতে পারে এই অপরাধের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের তিক্ত অভিজ্ঞতা। পাচার ও প্রতারণা থেকে বেঁচে ফেরা মানুষেরাই যখন সমাজে তাঁদের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরবেন, তখন সাধারণ মানুষ সচেতন হবে। আর এই ‘সারভাইভার অ্যাক্টিভিজম’ বা ভুক্তভোগীদের সক্রিয়তাই রুখে দিতে পারে মানবপাচারের শেকল।
বুধবার (৬ মে) সকালে কক্সবাজার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। অস্ট্রেলিয়া সরকারের সহায়তায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ‘ম্যাস ক্যাম্পেইন টু কমব্যাট হিউম্যান ট্রাফিকিং অ্যান্ড পিপল স্মাগলিং’ প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কক্সবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার বলেন, “একজন ভুক্তভোগীর অভিজ্ঞতা যখন সচেতনতার ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন দালালের প্রলোভন আর কাজ করে না। ভুক্তভোগীরা যদি তাঁদের গল্প সমাজে ছড়িয়ে দেন, তবে অন্তত একজন মানুষও যদি সচেতন হয়—সেটাই হবে আমাদের প্রকৃত সফলতা।” তিনি ব্র্যাকের এই সামাজিক আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।
কর্মশালায় অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা হলো ‘প্রতিরোধের প্রতিষেধক’। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে সঠিক তথ্য ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ দিতে পারলে তাঁরা দালালের খপ্পরে না পড়ে সচেতনভাবে জীবন গড়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। অভিবাসনপ্রত্যাশীরা সঠিক তথ্য না জানার কারণেই মূলত প্রতারণার শিকার হন।
ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়ক মো. আবুল কাহ্হারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুর রহমান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জুলফিকার আলী ও কক্সবাজার মডেল থানার পরিদর্শক মো. আসাদুর রহমান।
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সেন্টার ম্যানেজার মো. আজিমুল হকের সঞ্চালনায় কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডেপুটি ম্যানেজার মো. শিহাবুল হোসেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, গ্রাম পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবক এবং পাচারের শিকার বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী তাঁদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সাল থেকে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম সারা দেশে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ ও মানবপাচার প্রতিরোধে কাজ করে আসছে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
কক্সবাজারে মানবপাচার প্রতিরোধে কর্মশালা অনুষ্ঠিত
সিরাজুল কবির বুলবুল উখিয়া প্রতিনিধি :- দালালের খপ্পর থেকে ফেরা মানুষের গল্পই রুখবে মানবপাচার মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হতে পারে এই অপরাধের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের তিক্ত অভিজ্ঞতা। পাচার ও প্রতারণা থেকে বেঁচে ফেরা মানুষেরাই যখন সমাজে তাঁদের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরবেন, তখন সাধারণ মানুষ সচেতন হবে। আর এই ‘সারভাইভার অ্যাক্টিভিজম’ বা ভুক্তভোগীদের সক্রিয়তাই রুখে দিতে পারে মানবপাচারের শেকল।
বুধবার (৬ মে) সকালে কক্সবাজার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। অস্ট্রেলিয়া সরকারের সহায়তায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ‘ম্যাস ক্যাম্পেইন টু কমব্যাট হিউম্যান ট্রাফিকিং অ্যান্ড পিপল স্মাগলিং’ প্রকল্পের আওতায় এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কক্সবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার বলেন, “একজন ভুক্তভোগীর অভিজ্ঞতা যখন সচেতনতার ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন দালালের প্রলোভন আর কাজ করে না। ভুক্তভোগীরা যদি তাঁদের গল্প সমাজে ছড়িয়ে দেন, তবে অন্তত একজন মানুষও যদি সচেতন হয়—সেটাই হবে আমাদের প্রকৃত সফলতা।” তিনি ব্র্যাকের এই সামাজিক আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।
কর্মশালায় অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধে জনসচেতনতা হলো ‘প্রতিরোধের প্রতিষেধক’। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে সঠিক তথ্য ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ দিতে পারলে তাঁরা দালালের খপ্পরে না পড়ে সচেতনভাবে জীবন গড়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। অভিবাসনপ্রত্যাশীরা সঠিক তথ্য না জানার কারণেই মূলত প্রতারণার শিকার হন।
ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়ক মো. আবুল কাহ্হারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুর রহমান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জুলফিকার আলী ও কক্সবাজার মডেল থানার পরিদর্শক মো. আসাদুর রহমান।
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সেন্টার ম্যানেজার মো. আজিমুল হকের সঞ্চালনায় কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডেপুটি ম্যানেজার মো. শিহাবুল হোসেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, গ্রাম পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবক এবং পাচারের শিকার বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী তাঁদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সাল থেকে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম সারা দেশে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ ও মানবপাচার প্রতিরোধে কাজ করে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন