কসবায় বিএসএফের ছররা গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত, সীমান্তে উত্তেজনা।
জাহাঙ্গীর আলম জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর ছররা গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগর-পাথারিয়াদ্বার সীমান্ত এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সীমান্তবর্তী এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তিনি হলেন মুরসালিন (২২)। তিনি ধজনগরের বাতেনবাড়ি গ্রামের খেবজু মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয় শাহ আলম ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। অপর নিহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের কোনো এক সময় সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় গুলির শব্দ শোনা যায়। পরে স্থানীয়রা জানতে পারেন, বিএসএফের ছররা গুলিতে দুই বাংলাদেশি গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কী কারণে বিএসএফ গুলি চালিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নিহত মুরসালিনের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সীমান্তে বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে সীমান্তে বারবার বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। সচেতন মহল বলছে, সীমান্তে প্রাণহানি রোধে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
কসবায় বিএসএফের ছররা গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত, সীমান্তে উত্তেজনা।
জাহাঙ্গীর আলম জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর ছররা গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগর-পাথারিয়াদ্বার সীমান্ত এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সীমান্তবর্তী এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তিনি হলেন মুরসালিন (২২)। তিনি ধজনগরের বাতেনবাড়ি গ্রামের খেবজু মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয় শাহ আলম ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। অপর নিহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের কোনো এক সময় সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় গুলির শব্দ শোনা যায়। পরে স্থানীয়রা জানতে পারেন, বিএসএফের ছররা গুলিতে দুই বাংলাদেশি গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কী কারণে বিএসএফ গুলি চালিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নিহত মুরসালিনের পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সীমান্তে বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে সীমান্তে বারবার বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। সচেতন মহল বলছে, সীমান্তে প্রাণহানি রোধে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন