ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : রোববার, ১০ মে ২০২৬

সোনাই নদী থেকে কোটি কোটি টাকার অবৈধ বালু লুট হুমকির মুখে রাবার ড্যাম,ও বিলুপ্তির পথে কয়েকটি গ্রাম'

সোনাই নদী থেকে কোটি কোটি টাকার অবৈধ বালু লুট হুমকির মুখে রাবার ড্যাম,ও বিলুপ্তির পথে কয়েকটি গ্রাম'

চার নম্বর ডেকারস লেনের একটি তিনতলা বাড়ির অর্ধেক অংশ হুড় মুড়িয়ে ভেঙে পড়লো।

চার নম্বর ডেকারস লেনের একটি তিনতলা বাড়ির অর্ধেক অংশ হুড় মুড়িয়ে ভেঙে পড়লো।

অসুস্থ প্রবীণ কর্মীর পাশে সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার, খোঁজখবর ও সমবেদনা

অসুস্থ প্রবীণ কর্মীর পাশে সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার, খোঁজখবর ও সমবেদনা

জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাদক বিরোধী সুধী সমাবেশ ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত।

জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাদক বিরোধী সুধী সমাবেশ ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত।

কাগজে-কলমে ৩০০ শিক্ষার্থী, বাস্তবে ফাঁকা শ্রেণিকক্ষ

কাগজে-কলমে ৩০০ শিক্ষার্থী, বাস্তবে ফাঁকা শ্রেণিকক্ষ

সোশ্যাল মিডিয়ার গুজব প্রতিরোধে শুধু টেকনিক্যালি নয় সামাজিক সচেতনতাও বৃদ্ধি করতে হবে, বিটিআরসি চেয়ারম্যান

সোশ্যাল মিডিয়ার গুজব প্রতিরোধে শুধু টেকনিক্যালি নয় সামাজিক সচেতনতাও বৃদ্ধি করতে হবে, বিটিআরসি চেয়ারম্যান

আখাউড়ায় খাসির মাংস না পেয়ে বিয়ে ভেঙে দিলেন জাপান প্রবাসী যুবক।

আখাউড়ায় খাসির মাংস না পেয়ে বিয়ে ভেঙে দিলেন জাপান প্রবাসী যুবক।

গফরগাঁওযের দাখিল মাদ্রাসা শিক্ষক মনজুরুল ইসলাম  শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

গফরগাঁওযের দাখিল মাদ্রাসা শিক্ষক মনজুরুল ইসলাম শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন হাতিয়ার জেলেরা

৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন হাতিয়ার জেলেরা

৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন হাতিয়ার জেলেরা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:- সামুদ্রিক মাছের প্রজনন রক্ষায় দেশের সমুদ্রসীমায় চলমান ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় নোয়াখালীর হাতিয়ার লক্ষাধিক জেলে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। মাছ ধরা বন্ধ থাকায় আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে অনেক পরিবার মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।

গত ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ১১ জুন পর্যন্ত। এ সময়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা, পরিবহন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে সরকার। তবে জেলেদের অভিযোগ, নিষিদ্ধ এলাকার সুনির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ না থাকায় তারা প্রায়ই হয়রানির শিকার হন।

স্থানীয় মৎস্য অফিস সূত্র জানায়, হাতিয়ার প্রায় ২০টি ঘাটে এক লাখের বেশি জেলে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। এর মধ্যে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা মাত্র ২৪ হাজার ২০ জন। এবার ৭৭ কেজি করে চাল সহায়তা দেওয়া হবে ৪ হাজার ৮৭৩টি পরিবারকে।

নলচিরার জেলে আব্দুর রব মাঝি বলেছেন, মাছ ধরতে না পারায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ধার-দেনা করে চলতে হচ্ছে। বছরের বেশির ভাগ সময়ই কোনো না কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকে। অল্প সময়ে মাছ ধরে খরচ তোলা সম্ভব হয় না। অনেকেই ঋণের বোঝায় জর্জরিত।

হাতিয়ার নতুন সুইজ ঘাটে শতাধিক ট্রলার অলস পড়ে থাকতে দেখা গেছে। প্রতিদিন জেলেরা ঘাটে এসে সময় কাটিয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি রাশেদ উদ্দিন বলেছেন, সরকারি সহায়তার পরিমাণ খুবই কম। প্রায় এক লাখ জেলের মধ্যে মাত্র ২৪ হাজার ২০ জন নিবন্ধনের আওতায় এসেছেন। বাকি জেলেরাও যাতে সহায়তা পান, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

হাতিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফয়জুর রহমান জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রকৃত জেলেদের তালিকা পেলেই চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হবে। তালিকা প্রস্তুতের কাজ শেষ হলেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জেলেদের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। বিষয়টি জানানো হয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও।




আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন হাতিয়ার জেলেরা

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন হাতিয়ার জেলেরা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:- সামুদ্রিক মাছের প্রজনন রক্ষায় দেশের সমুদ্রসীমায় চলমান ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞায় নোয়াখালীর হাতিয়ার লক্ষাধিক জেলে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। মাছ ধরা বন্ধ থাকায় আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে অনেক পরিবার মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।

গত ১৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা চলবে আগামী ১১ জুন পর্যন্ত। এ সময়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা, পরিবহন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে সরকার। তবে জেলেদের অভিযোগ, নিষিদ্ধ এলাকার সুনির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ না থাকায় তারা প্রায়ই হয়রানির শিকার হন।

স্থানীয় মৎস্য অফিস সূত্র জানায়, হাতিয়ার প্রায় ২০টি ঘাটে এক লাখের বেশি জেলে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। এর মধ্যে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা মাত্র ২৪ হাজার ২০ জন। এবার ৭৭ কেজি করে চাল সহায়তা দেওয়া হবে ৪ হাজার ৮৭৩টি পরিবারকে।

নলচিরার জেলে আব্দুর রব মাঝি বলেছেন, মাছ ধরতে না পারায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ধার-দেনা করে চলতে হচ্ছে। বছরের বেশির ভাগ সময়ই কোনো না কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকে। অল্প সময়ে মাছ ধরে খরচ তোলা সম্ভব হয় না। অনেকেই ঋণের বোঝায় জর্জরিত।

হাতিয়ার নতুন সুইজ ঘাটে শতাধিক ট্রলার অলস পড়ে থাকতে দেখা গেছে। প্রতিদিন জেলেরা ঘাটে এসে সময় কাটিয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি রাশেদ উদ্দিন বলেছেন, সরকারি সহায়তার পরিমাণ খুবই কম। প্রায় এক লাখ জেলের মধ্যে মাত্র ২৪ হাজার ২০ জন নিবন্ধনের আওতায় এসেছেন। বাকি জেলেরাও যাতে সহায়তা পান, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

হাতিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ফয়জুর রহমান জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রকৃত জেলেদের তালিকা পেলেই চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হবে। তালিকা প্রস্তুতের কাজ শেষ হলেই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জেলেদের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। বিষয়টি জানানো হয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও।






ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ