ফার্মেসি যেন নির্যাতনের আখড়া অভয়নগরে ৫ মাসে জোড়া হামলার ঘটনায় আকতার ও মনি মোল্যার বিরুদ্ধে ক্ষোভ
অভয়নগর উপজেলার প্রতিনিধি:- যশোরের অভয়নগর উপজেলার ৪ নং পায়রা ইউনিয়নের পায়রা মাদ্রাসা বাজারে ওষুধ বিক্রির দোকানের ভেতর ডেকে নিয়ে সাধারণ মানুষকে শারীরিক নির্যাতনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের চিকিৎসা ও সেবাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত মোঃ আকতার হোসেনের ফার্মেসি'কে অপরাধের কেন্দ্রস্থল বানিয়ে একের পর এক নির্যাতনের ঘটনায় ফার্মেসি মালিক মো. আকতার হোসেন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন এলাকাবাসী।
৫ মাসের ব্যবধানে একই ফার্মেসিতে সাংবাদিকসহ দুই জনের ওপর শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে অভয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১০:৩০ মিনিটে পায়রা রুহের বিল এলাকায় দুই যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে এনে নির্যাতনের খবর পেয়ে পেশাগত দায়িত্বে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় সাংবাদিক আল-মামুন গাজী। সেখানে পৌঁছানোর পরপরই তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়, যার ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
এরই জেরে গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সকাল ১০:০০ ঘটিকার সময় সাংবাদিক আল-মামুন গাজী নওয়াপাড়া থেকে বাড়ি ফেরার পথে পায়রা মাদ্রাসা বাজারে পৌঁছালে মো. লতিফ মোল্যার বড় ছেলে মো. মনি মোল্যা তাকে পিছন থেকে ডেকে নেন। পরবর্তীতে মো. আকতার হোসেনের ইন্ধনে ও তার ফার্মেসির ভেতরে বসিয়ে 'কেন নিউজ করলি' অজুহাতে মনি মোল্যা, আকতার হোসেনসহ ৮-১০ জন মিলে ওই সাংবাদিকের ওপর অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন চালায়। এ ঘটনায় অভয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হলে অভিযুক্তরা ভুল স্বীকার করে মুচলেকা দিয়ে পার পায়।
পূর্বের ঘটনায় মুচলেকা দিলেও থামেনি ফার্মেসি কেন্দ্রিক অপরাধ চক্রের দৌরাত্ম্য। গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১০:০০ ঘটিকার সময় মনি মোল্যা ও তার সহযোগীরা মো. ইমদাদুল ইসলাম নামে এক যুবককে পুনরায় পায়রা মাদ্রাসা বাজারের একই ফার্মেসিতে ডেকে আনে। সেখানে ফার্মেসি মালিক মো. আকতার হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও উপস্থিতিতে ইমদাদুলকে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। আহত ইমদাদুল ইসলাম এ ঘটনায় মো. আকতার হোসেন ও মনি মোল্যাসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অভয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
চিকিৎসা সেবা পাওয়ার নিরাপদ স্থানকে নির্যাতন কক্ষ বানানোর পেছনে সরাসরি ফার্মেসি মালিক মো. আকতার হোসেনের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা ও প্রশ্রয় রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। সাধারণ মানুষ ও বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, ওষুধ কেনার স্থানে মানুষকে ডেকে এনে এভাবে মারধর করায় পুরো এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে অপরাধের প্রধান মদদদাতা ফার্মেসি মালিক মো. আকতার হোসেন ও মূল অভিযুক্ত মনি মোল্যাসহ জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফার্মেসি যেন নির্যাতনের আখড়া অভয়নগরে ৫ মাসে জোড়া হামলার ঘটনায় আকতার ও মনি মোল্যার বিরুদ্ধে ক্ষোভ
অভয়নগর উপজেলার প্রতিনিধি:- যশোরের অভয়নগর উপজেলার ৪ নং পায়রা ইউনিয়নের পায়রা মাদ্রাসা বাজারে ওষুধ বিক্রির দোকানের ভেতর ডেকে নিয়ে সাধারণ মানুষকে শারীরিক নির্যাতনের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের চিকিৎসা ও সেবাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত মোঃ আকতার হোসেনের ফার্মেসি'কে অপরাধের কেন্দ্রস্থল বানিয়ে একের পর এক নির্যাতনের ঘটনায় ফার্মেসি মালিক মো. আকতার হোসেন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন এলাকাবাসী।
৫ মাসের ব্যবধানে একই ফার্মেসিতে সাংবাদিকসহ দুই জনের ওপর শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে অভয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১০:৩০ মিনিটে পায়রা রুহের বিল এলাকায় দুই যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে এনে নির্যাতনের খবর পেয়ে পেশাগত দায়িত্বে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় সাংবাদিক আল-মামুন গাজী। সেখানে পৌঁছানোর পরপরই তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়, যার ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
এরই জেরে গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সকাল ১০:০০ ঘটিকার সময় সাংবাদিক আল-মামুন গাজী নওয়াপাড়া থেকে বাড়ি ফেরার পথে পায়রা মাদ্রাসা বাজারে পৌঁছালে মো. লতিফ মোল্যার বড় ছেলে মো. মনি মোল্যা তাকে পিছন থেকে ডেকে নেন। পরবর্তীতে মো. আকতার হোসেনের ইন্ধনে ও তার ফার্মেসির ভেতরে বসিয়ে 'কেন নিউজ করলি' অজুহাতে মনি মোল্যা, আকতার হোসেনসহ ৮-১০ জন মিলে ওই সাংবাদিকের ওপর অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন চালায়। এ ঘটনায় অভয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হলে অভিযুক্তরা ভুল স্বীকার করে মুচলেকা দিয়ে পার পায়।
পূর্বের ঘটনায় মুচলেকা দিলেও থামেনি ফার্মেসি কেন্দ্রিক অপরাধ চক্রের দৌরাত্ম্য। গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১০:০০ ঘটিকার সময় মনি মোল্যা ও তার সহযোগীরা মো. ইমদাদুল ইসলাম নামে এক যুবককে পুনরায় পায়রা মাদ্রাসা বাজারের একই ফার্মেসিতে ডেকে আনে। সেখানে ফার্মেসি মালিক মো. আকতার হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও উপস্থিতিতে ইমদাদুলকে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। আহত ইমদাদুল ইসলাম এ ঘটনায় মো. আকতার হোসেন ও মনি মোল্যাসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অভয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
চিকিৎসা সেবা পাওয়ার নিরাপদ স্থানকে নির্যাতন কক্ষ বানানোর পেছনে সরাসরি ফার্মেসি মালিক মো. আকতার হোসেনের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা ও প্রশ্রয় রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। সাধারণ মানুষ ও বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, ওষুধ কেনার স্থানে মানুষকে ডেকে এনে এভাবে মারধর করায় পুরো এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে অপরাধের প্রধান মদদদাতা ফার্মেসি মালিক মো. আকতার হোসেন ও মূল অভিযুক্ত মনি মোল্যাসহ জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন