ডেইলি বাংল সংবাদ
Post Ads 1
প্রকাশ : সোমবার, ১১ মে ২০২৬

পীরগাছায় মেধাবী শিক্ষার্থী বাছাইয়ে বন্ধুমহল যুব ফাউন্ডেশনের মেধা যাচাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

পীরগাছায় মেধাবী শিক্ষার্থী বাছাইয়ে বন্ধুমহল যুব ফাউন্ডেশনের মেধা যাচাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

Post Ads 7
মোল্লাহাটে গৃহবধূর ওপর নির্যাতনের অভিযোগ, বিচার ও সংসার ফেরতের দাবি

মোল্লাহাটে গৃহবধূর ওপর নির্যাতনের অভিযোগ, বিচার ও সংসার ফেরতের দাবি

পটুয়াখালীতে জুয়েলারি দোকানে দুর্ধষ্য চুরি: আনুমানিক ১৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা

পটুয়াখালীতে জুয়েলারি দোকানে দুর্ধষ্য চুরি: আনুমানিক ১৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট, আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা

বিজয়নগর হরষপুরে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী বৈঠক অনুষ্ঠিত

বিজয়নগর হরষপুরে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী বৈঠক অনুষ্ঠিত

অন্নদানগরে নির্বাচনী হাওয়ায় আলোচনার কেন্দ্রে কাজী মাহাবুবার রহমান মাহাবুর

অন্নদানগরে নির্বাচনী হাওয়ায় আলোচনার কেন্দ্রে কাজী মাহাবুবার রহমান মাহাবুর

বিএনপির নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে সোহেলে প্রতারণার ফাঁদ:হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা।

বিএনপির নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে সোহেলে প্রতারণার ফাঁদ:হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা।

মসূয়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে মাদকবিরোধী সচেতনতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মসূয়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে মাদকবিরোধী সচেতনতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রাজধানীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে তারেক মঞ্চের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন

রাজধানীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে তারেক মঞ্চের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন

Post Ads 2

‎স্বাধীনতার পর থেকেও অবহেলিত জনপদে পরিণত হয়েছে বিজয়নগর বাসী।

‎বিজয়নগরের ৪ লক্ষ ৩৫ হাজার মানুষের জীবনযাত্রা আজ ভয়াবহ সড়ক দুর্ভোগে বিপর্যস্ত

‎বিজয়নগরের ৪ লক্ষ ৩৫ হাজার মানুষের জীবনযাত্রা আজ ভয়াবহ সড়ক দুর্ভোগে বিপর্যস্ত
Post Ads 3

‎বিজয়নগরের ৪ লক্ষ ৩৫ হাজার মানুষের জীবনযাত্রা আজ ভয়াবহ সড়ক দুর্ভোগে বিপর্যস্ত

Middle Post Content 1

‎স্বাধীনতার পর থেকেও অবহেলিত জনপদে পরিণত হয়েছে বিজয়নগর বাসী।

Middle Post Content 2

‎জাহাঙ্গীর আলম ‎জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:- ‎ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার প্রায় ৪ লক্ষ ৩৫ হাজার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের নাম এখন “রাস্তা”। স্বাধীনতার পর থেকে নানা অবহেলা, উন্নয়ন বঞ্চনা ও প্রশাসনিক উদাসীনতার শিকার এ জনপদের মানুষের কাছে বর্তমানে সবচেয়ে বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে ভাঙাচোরা সড়ক ব্যবস্থা। বিশেষ করে চান্দুরা থেকে চম্পকনগর এবং চম্পকনগর থেকে সিঙ্গারবিল পর্যন্ত প্রধান সড়কটি এখন কার্যত মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।

Middle Post Content 3

‎গত দেড় বছর ধরে সড়কটির ভয়াবহ বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। স্থানীয়রা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা, টেলিভিশন চ্যানেলসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিকবার সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ এখনো দৃশ্যমান হয়নি।

Middle Post Content 1

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৮ থেকে ৯ মাস আগে চান্দুরা থেকে চম্পকনগর পর্যন্ত সড়ক সংস্কারের টেন্ডার কার্যক্রম শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে প্রায় এক থেকে দেড় কিলোমিটার রাস্তার কাজ সম্পন্ন করা হয় এবং বড় বড় গর্তগুলো আংশিক ভরাট করা হয়। তবে গত তিন থেকে চার মাস ধরে হঠাৎ করেই কাজ বন্ধ হয়ে যায়। কেন কাজ বন্ধ রয়েছে—এ বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

Middle Post Content 1

‎এদিকে বর্ষা শুরু হওয়ায় টানা বৃষ্টিতে সড়কের অবস্থা আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বিভিন্ন স্থানে সড়ক ভেঙে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তা পানির নিচে তলিয়ে গিয়ে ছোটখাটো খাল কিংবা জলাশয়ের রূপ নিয়েছে।

Middle Post Content 1

‎চম্পকনগর থেকে সিঙ্গারবিল পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখা গেছে, টুকচানপুর, লক্ষ্মীপুর, আদমপুর, নোয়াগাঁও মোড়, খিঁড়াতলা ও আটকলা এলাকায় অসংখ্য বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। কিছু গর্তের দৈর্ঘ্য ৩০ থেকে ৫০ ফুট পর্যন্ত। বিশেষ করে নোয়াগাঁও মোড়ের দক্ষিণ পাশে প্রায় ৩০০ ফুট রাস্তা পানির নিচে ডুবে আছে।

Middle Post Content 1

‎খিঁড়াতলা গ্রামের দুটি স্থান বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো সময় সেখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে কিংবা যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আটকলা গ্রামের প্রায় ২০০ ফুট এলাকা এখন আর রাস্তা নয়, যেন ছোট একটি খাল। উজির বাড়ির মোড় থেকে সিঙ্গারবিল বাজার পর্যন্ত প্রায় ৪০০ ফুট সড়ক খানা-খন্দকে ভরে গেছে।

Middle Post Content 1

‎স্থানীয় পরিবহন চালকরা জানান, প্রতিদিন সিএনজি, অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন বিকল হচ্ছে। দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ছে আশঙ্কাজনকভাবে। অনেক রোগী হাসপাতালে নেওয়ার আগেই রাস্তায় ভোগান্তির কারণে জীবন হারানোর ঝুঁকিতে পড়ছেন।

Middle Post Content 1

‎এলাকাবাসীর অভিযোগ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ সংকট কিংবা কৃষকের ফসলহানির চেয়েও এখন বিজয়নগরের মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো রাস্তা। চায়ের দোকান থেকে বাজার—সবখানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন এই সড়ক দুর্ভোগ।

Middle Post Content 1

‎স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী জনগণ অবিলম্বে জরুরি ভিত্তিতে বড় বড় গর্ত ভরাট ও ঝুঁকিপূর্ণ অংশ মেরামতের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন কাজ বর্ষার পরে হলেও আপাতত অন্তত চলাচলের উপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

Middle Post Content 1

‎এ বিষয়ে এলাকাবাসী এমপি মহোদয় ও বিজয়নগর উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “টেন্ডারের দীর্ঘসূত্রতা অপেক্ষা না করে অন্তত বড় গর্তগুলো দ্রুত ভরাট করা হোক। তাহলে সাধারণ মানুষ অন্তত সাময়িক স্বস্তি নিয়ে চলাচল করতে পারবে।”

Middle Post Content 1

‎জনস্বার্থে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে—এমন প্রত্যাশা এখন বিজয়নগরের লাখো মানুষের।

Post Ads 5

আপনার মতামত লিখুন

Post Ads 6
Post Ads 10
পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬


‎বিজয়নগরের ৪ লক্ষ ৩৫ হাজার মানুষের জীবনযাত্রা আজ ভয়াবহ সড়ক দুর্ভোগে বিপর্যস্ত

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

‎বিজয়নগরের ৪ লক্ষ ৩৫ হাজার মানুষের জীবনযাত্রা আজ ভয়াবহ সড়ক দুর্ভোগে বিপর্যস্ত

‎স্বাধীনতার পর থেকেও অবহেলিত জনপদে পরিণত হয়েছে বিজয়নগর বাসী।

‎জাহাঙ্গীর আলম ‎জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া:- ‎ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার প্রায় ৪ লক্ষ ৩৫ হাজার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের নাম এখন “রাস্তা”। স্বাধীনতার পর থেকে নানা অবহেলা, উন্নয়ন বঞ্চনা ও প্রশাসনিক উদাসীনতার শিকার এ জনপদের মানুষের কাছে বর্তমানে সবচেয়ে বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে ভাঙাচোরা সড়ক ব্যবস্থা। বিশেষ করে চান্দুরা থেকে চম্পকনগর এবং চম্পকনগর থেকে সিঙ্গারবিল পর্যন্ত প্রধান সড়কটি এখন কার্যত মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।

‎গত দেড় বছর ধরে সড়কটির ভয়াবহ বেহাল অবস্থার কারণে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। স্থানীয়রা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা, টেলিভিশন চ্যানেলসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিকবার সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ এখনো দৃশ্যমান হয়নি।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৮ থেকে ৯ মাস আগে চান্দুরা থেকে চম্পকনগর পর্যন্ত সড়ক সংস্কারের টেন্ডার কার্যক্রম শুরু হয়। প্রাথমিকভাবে প্রায় এক থেকে দেড় কিলোমিটার রাস্তার কাজ সম্পন্ন করা হয় এবং বড় বড় গর্তগুলো আংশিক ভরাট করা হয়। তবে গত তিন থেকে চার মাস ধরে হঠাৎ করেই কাজ বন্ধ হয়ে যায়। কেন কাজ বন্ধ রয়েছে—এ বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

‎এদিকে বর্ষা শুরু হওয়ায় টানা বৃষ্টিতে সড়কের অবস্থা আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বিভিন্ন স্থানে সড়ক ভেঙে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও রাস্তা পানির নিচে তলিয়ে গিয়ে ছোটখাটো খাল কিংবা জলাশয়ের রূপ নিয়েছে।

‎চম্পকনগর থেকে সিঙ্গারবিল পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখা গেছে, টুকচানপুর, লক্ষ্মীপুর, আদমপুর, নোয়াগাঁও মোড়, খিঁড়াতলা ও আটকলা এলাকায় অসংখ্য বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। কিছু গর্তের দৈর্ঘ্য ৩০ থেকে ৫০ ফুট পর্যন্ত। বিশেষ করে নোয়াগাঁও মোড়ের দক্ষিণ পাশে প্রায় ৩০০ ফুট রাস্তা পানির নিচে ডুবে আছে।

‎খিঁড়াতলা গ্রামের দুটি স্থান বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো সময় সেখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে কিংবা যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আটকলা গ্রামের প্রায় ২০০ ফুট এলাকা এখন আর রাস্তা নয়, যেন ছোট একটি খাল। উজির বাড়ির মোড় থেকে সিঙ্গারবিল বাজার পর্যন্ত প্রায় ৪০০ ফুট সড়ক খানা-খন্দকে ভরে গেছে।

‎স্থানীয় পরিবহন চালকরা জানান, প্রতিদিন সিএনজি, অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন বিকল হচ্ছে। দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ছে আশঙ্কাজনকভাবে। অনেক রোগী হাসপাতালে নেওয়ার আগেই রাস্তায় ভোগান্তির কারণে জীবন হারানোর ঝুঁকিতে পড়ছেন।

‎এলাকাবাসীর অভিযোগ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ সংকট কিংবা কৃষকের ফসলহানির চেয়েও এখন বিজয়নগরের মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো রাস্তা। চায়ের দোকান থেকে বাজার—সবখানেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন এই সড়ক দুর্ভোগ।

‎স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী জনগণ অবিলম্বে জরুরি ভিত্তিতে বড় বড় গর্ত ভরাট ও ঝুঁকিপূর্ণ অংশ মেরামতের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন কাজ বর্ষার পরে হলেও আপাতত অন্তত চলাচলের উপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

‎এ বিষয়ে এলাকাবাসী এমপি মহোদয় ও বিজয়নগর উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “টেন্ডারের দীর্ঘসূত্রতা অপেক্ষা না করে অন্তত বড় গর্তগুলো দ্রুত ভরাট করা হোক। তাহলে সাধারণ মানুষ অন্তত সাময়িক স্বস্তি নিয়ে চলাচল করতে পারবে।”

‎জনস্বার্থে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে—এমন প্রত্যাশা এখন বিজয়নগরের লাখো মানুষের।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ