ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বনাথে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৪৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা, গ্রেপ্তার ১।

বিশ্বনাথে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৪৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা, গ্রেপ্তার ১।

টাঙ্গুয়ার হাওরে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান, ৩ নৌযানকে জরিমানা।

টাঙ্গুয়ার হাওরে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান, ৩ নৌযানকে জরিমানা।

রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের পদত্যাগ দাবি

রাজশাহী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের পদত্যাগ দাবি

গ্লোবাল কনজ্যুমার এন্ড হিউম্যান রাইটস ফোরামের লাইফ মেম্বার হলেন মোছাব্বির হাসান সজীব

গ্লোবাল কনজ্যুমার এন্ড হিউম্যান রাইটস ফোরামের লাইফ মেম্বার হলেন মোছাব্বির হাসান সজীব

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসাছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষ: ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসাছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষ: ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

RDDC-এর Brand Ambassador (Marketing) হিসেবে নিয়োগ পেলেন মিসেস লিসা খাতুন

RDDC-এর Brand Ambassador (Marketing) হিসেবে নিয়োগ পেলেন মিসেস লিসা খাতুন

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আদর্শ জীবন। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর আদর্শ জীবন। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী।

গাইবান্ধায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

গাইবান্ধায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ভাঙা সেড, কাদাময় রাস্তা, ড্রেনেজ সংকট ও জায়গার অভাবে স্থবির বেচাকেনা; দ্রুত উন্নয়নের দাবি ব্যবসায়ী-ক্রেতাদের

রাজস্ব আসে কোটি টাকা, উন্নয়ন নেই এক যুগেও: তাড়াশের হাটগুলোতে চরম দুর্ভোগ

রাজস্ব আসে কোটি টাকা, উন্নয়ন নেই এক যুগেও: তাড়াশের হাটগুলোতে চরম দুর্ভোগ

রাজস্ব আসে কোটি টাকা, উন্নয়ন নেই এক যুগেও: তাড়াশের হাটগুলোতে চরম দুর্ভোগ

ভাঙা সেড, কাদাময় রাস্তা, ড্রেনেজ সংকট ও জায়গার অভাবে স্থবির বেচাকেনা; দ্রুত উন্নয়নের দাবি ব্যবসায়ী-ক্রেতাদের

মো. আলামিন হোসেন, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:- সরকারের রাজস্ব ভান্ডারে প্রতি বছর লাখ লাখ টাকা জমা হলেও সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার অধিকাংশ হাটের চিত্র রয়ে গেছে বছরের পর বছর একই রকম। প্রায় এক যুগ ধরে অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হাটগুলোতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ী, কৃষক, পরিবহন চালক ও সাধারণ ক্রেতারা। বর্ষা মৌসুমে কাদায় একাকার হয়ে যায় হাটের ভেতর ও সংযোগ সড়ক। ভাঙাচোরা সেড, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ, স্যানিটেশন সংকট এবং জায়গার অভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক বেচাকেনা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলায় ২৯টি হাট রয়েছে। এসব হাট ইজারা দিয়ে প্রতিবছর সরকার বিপুল অঙ্কের রাজস্ব আয় করলেও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে স্থানীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্রগুলো এখন অব্যবস্থাপনার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিনসাড়া হাটের ইজারাদার মো. নুরুল ইসলাম বলেন, হাটের নির্ধারিত স্থানের মাঝখানে বড় একটি পুকুর থাকায় বাধ্য হয়ে আঞ্চলিক সড়কের ওপর ধানের হাট বসাতে হয়। এতে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে। পুকুরটি ভরাট করে হাট সম্প্রসারণ করা গেলে দীর্ঘদিনের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।

একই চিত্র নওগাঁ পশুর হাটেও। হাটের ইজারাদার মো. সুমিত হাসান জিসুর জানান, উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ গবাদিপশুর হাট হওয়া সত্ত্বেও পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে ক্রেতা-বিক্রেতাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বর্ষাকালে কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে ব্যবসা পরিচালনা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

ব্যবসায়ীরা জানান, হাটের সেডগুলো দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। কোথাও নেই কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা, কোথাও আবার স্যানিটেশন সুবিধাও অপ্রতুল। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই হাট কাদার সাগরে পরিণত হয়। এতে কৃষিপণ্য ও গবাদিপশুর বেচাকেনা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজস্ব আদায়ে গুরুত্ব থাকলেও হাটগুলোর উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগের অভাব স্পষ্ট। আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলা হলে ব্যবসা-বাণিজ্য যেমন সম্প্রসারিত হবে, তেমনি স্থানীয় অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন তারা।

এ বিষয়ে উপজেলা হাট-বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি  হাটগুলোর বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে প্রশাসন অবগত রয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হাটগুলোকে আধুনিকায়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ভাঙা সেড সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন, সড়ক মেরামত, পর্যাপ্ত জায়গা সম্প্রসারণ এবং নিরাপদ অবকাঠামো নিশ্চিত করা হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬


রাজস্ব আসে কোটি টাকা, উন্নয়ন নেই এক যুগেও: তাড়াশের হাটগুলোতে চরম দুর্ভোগ

প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬

featured Image

রাজস্ব আসে কোটি টাকা, উন্নয়ন নেই এক যুগেও: তাড়াশের হাটগুলোতে চরম দুর্ভোগ

ভাঙা সেড, কাদাময় রাস্তা, ড্রেনেজ সংকট ও জায়গার অভাবে স্থবির বেচাকেনা; দ্রুত উন্নয়নের দাবি ব্যবসায়ী-ক্রেতাদের

মো. আলামিন হোসেন, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:- সরকারের রাজস্ব ভান্ডারে প্রতি বছর লাখ লাখ টাকা জমা হলেও সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার অধিকাংশ হাটের চিত্র রয়ে গেছে বছরের পর বছর একই রকম। প্রায় এক যুগ ধরে অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হাটগুলোতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ী, কৃষক, পরিবহন চালক ও সাধারণ ক্রেতারা। বর্ষা মৌসুমে কাদায় একাকার হয়ে যায় হাটের ভেতর ও সংযোগ সড়ক। ভাঙাচোরা সেড, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ, স্যানিটেশন সংকট এবং জায়গার অভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক বেচাকেনা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলায় ২৯টি হাট রয়েছে। এসব হাট ইজারা দিয়ে প্রতিবছর সরকার বিপুল অঙ্কের রাজস্ব আয় করলেও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে স্থানীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্রগুলো এখন অব্যবস্থাপনার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিনসাড়া হাটের ইজারাদার মো. নুরুল ইসলাম বলেন, হাটের নির্ধারিত স্থানের মাঝখানে বড় একটি পুকুর থাকায় বাধ্য হয়ে আঞ্চলিক সড়কের ওপর ধানের হাট বসাতে হয়। এতে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে। পুকুরটি ভরাট করে হাট সম্প্রসারণ করা গেলে দীর্ঘদিনের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।

একই চিত্র নওগাঁ পশুর হাটেও। হাটের ইজারাদার মো. সুমিত হাসান জিসুর জানান, উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ গবাদিপশুর হাট হওয়া সত্ত্বেও পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে ক্রেতা-বিক্রেতাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বর্ষাকালে কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে ব্যবসা পরিচালনা আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

ব্যবসায়ীরা জানান, হাটের সেডগুলো দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। কোথাও নেই কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা, কোথাও আবার স্যানিটেশন সুবিধাও অপ্রতুল। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই হাট কাদার সাগরে পরিণত হয়। এতে কৃষিপণ্য ও গবাদিপশুর বেচাকেনা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজস্ব আদায়ে গুরুত্ব থাকলেও হাটগুলোর উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগের অভাব স্পষ্ট। আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলা হলে ব্যবসা-বাণিজ্য যেমন সম্প্রসারিত হবে, তেমনি স্থানীয় অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন তারা।

এ বিষয়ে উপজেলা হাট-বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি  হাটগুলোর বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে প্রশাসন অবগত রয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হাটগুলোকে আধুনিকায়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ভাঙা সেড সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন, সড়ক মেরামত, পর্যাপ্ত জায়গা সম্প্রসারণ এবং নিরাপদ অবকাঠামো নিশ্চিত করা হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ