উখিয়ায় এখনো সন্ধ্যা হলে মাটির প্রদীপ জ্বলে মুহছেনা ঘরে।
সিরাজুল কবির বুলবুল, উখিয়া প্রতিনিধি :- উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের সিকদার গ্রামের গরুবাজার এলাকার দারিদ্র্য পরিবারে বেড়ে ওঠা মুহছেনার ঘরে অভাব অনটনের কারনে এখনো বৈদ্যুতিক আলো পৌঁছায়নি,সন্ধ্যা হলে জ্বলে মাটির প্রদীপ। অসহায় এই পরিবারটির প্রধান ফরিদ আলম নিজে প্রতিবন্ধী। মুহছেনার বক্তব্য অনুযায়ী স্বামী তাদের খুঁজ খবর ঠিক মতো রাখেনা। একছেলে, একমেয়ে
ছোট্ট একটি পরিবার হলেও তাদের অভাবের শেষ নেই।মানুষের বাড়ী,বাড়ী গিয়ে কাজ করে যা পায় তা দিয়ে তাদের সংসার চলেনা। ছোট ছেলে রবিউল আলম (১০) প্রতিবন্ধী তার নাওয়া খাওয়া পায়খানা প্রস্রাব, সব বিছানায়।এই ভাবে চলছে তাদের জীবন। বড় মেয়েটি অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে।ছেলে চিকিৎসা খরচ, মেয়ের পড়ালেখার খরচ যোগাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন মুহছেনা।
এলাকার আশপাশের অনেক বিত্তবান লোকজন আছে কেউ তার খবর রাখেনা। মুহছেনা বক্তব্য আমি আমার প্রতিবন্ধী শিশুকে চিকিৎসা করাতে পারছিনা,মেয়ের পড়াশোনা বন্ধের পথে অর্থের অভাবে। সন্ধ্যা হলে আলো জ্বলেনার আমার ঘরে, ঠিক মতো তিন বেলা খেতে পারিনা। এতো অভাবে আমাদের দেখার কি কেউ নেই। আমি সমাজের বিত্তবান, চিত্তবান ব্যক্তিদের কাছে বিনিত অনুরোধ করছি আমার পরিবারটাকে দয়া করে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন তা নাহলে আমার ছেলেটা সঠিক চিকিৎসার অভাবে মরে যাবে।মেয়েটার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাবে।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
উখিয়ায় এখনো সন্ধ্যা হলে মাটির প্রদীপ জ্বলে মুহছেনা ঘরে।
সিরাজুল কবির বুলবুল, উখিয়া প্রতিনিধি :- উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের সিকদার গ্রামের গরুবাজার এলাকার দারিদ্র্য পরিবারে বেড়ে ওঠা মুহছেনার ঘরে অভাব অনটনের কারনে এখনো বৈদ্যুতিক আলো পৌঁছায়নি,সন্ধ্যা হলে জ্বলে মাটির প্রদীপ। অসহায় এই পরিবারটির প্রধান ফরিদ আলম নিজে প্রতিবন্ধী। মুহছেনার বক্তব্য অনুযায়ী স্বামী তাদের খুঁজ খবর ঠিক মতো রাখেনা। একছেলে, একমেয়ে
ছোট্ট একটি পরিবার হলেও তাদের অভাবের শেষ নেই।মানুষের বাড়ী,বাড়ী গিয়ে কাজ করে যা পায় তা দিয়ে তাদের সংসার চলেনা। ছোট ছেলে রবিউল আলম (১০) প্রতিবন্ধী তার নাওয়া খাওয়া পায়খানা প্রস্রাব, সব বিছানায়।এই ভাবে চলছে তাদের জীবন। বড় মেয়েটি অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে।ছেলে চিকিৎসা খরচ, মেয়ের পড়ালেখার খরচ যোগাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন মুহছেনা।
এলাকার আশপাশের অনেক বিত্তবান লোকজন আছে কেউ তার খবর রাখেনা। মুহছেনা বক্তব্য আমি আমার প্রতিবন্ধী শিশুকে চিকিৎসা করাতে পারছিনা,মেয়ের পড়াশোনা বন্ধের পথে অর্থের অভাবে। সন্ধ্যা হলে আলো জ্বলেনার আমার ঘরে, ঠিক মতো তিন বেলা খেতে পারিনা। এতো অভাবে আমাদের দেখার কি কেউ নেই। আমি সমাজের বিত্তবান, চিত্তবান ব্যক্তিদের কাছে বিনিত অনুরোধ করছি আমার পরিবারটাকে দয়া করে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন তা নাহলে আমার ছেলেটা সঠিক চিকিৎসার অভাবে মরে যাবে।মেয়েটার লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন