ভেড়ামারা শহরের শত বছরের পুরোনো "জলাশয়‘‘ দখল।
স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া জেলা। ভেড়ামারা রেল বাজারের প্লাটফর্ম সংলগ্ন খিচুরি পট্রি নামক মার্কেটে সম্প্রতি যে প্রশস্ত রাস্তা ছিল সেই রাস্তাটি ৫ই আগস্ট ২০২৪ ইং পরবর্তী এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েক মাস আগে একটি সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও দখলবাজ চক্র কতিপয় অসাধু রেল ডিপার্টমেন্ট কর্মকর্তার যোগসাজসে কাগজের অজুহাতে বাজারের ব্যবসায়ী ও বণিক সমিতির জোর আপত্তি থাকা সত্বেও পেশিশক্তি এবং অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে কয়েক রাতের মধ্যে প্রায় ১৫ /১৬ টি দোকানঘর নির্মাণ করার ফলে বর্তমানে রাস্তাটি চোরা গলিতে পরিণত হয়েছে।
একদিকে যখন বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্বেও জনস্বার্থে ভেড়ামারা শহরের শতশত দোকানঘর ভেঙে রাস্তা প্রশস্ত করা হয়েছে, অন্যদিকে রাস্তা দখল করে দখলবাজ চক্রটি দোকানঘর তৈরি করলেও প্রশাসন এবং স্হানীয় রাজনৈতিক নেতাদের নিরব ভূমিকার কারণে চক্রটি সে সময় থেকেই দখলি কর্মকান্ডে আগ্রাসী হয়ে ওঠে এবং তার-ই ধারাবাহিকতায় এই চক্রটি এক-ই কায়দায় এবার ভেড়ামারা রেলবাজারের পশ্চিমপার্শ্বের শত বৎসরের পুরোনো একটি বৃহৎ জলাশয় দখল করার লালসায় লিপ্ত হয়।
চক্রটি ইতিমধ্যেই পুকুরের দক্ষিণ পার্শ্বের বেশ কিছু জায়গা দখল করে আনুমানিক ২০/২৫ টা দোকান নির্মাণ করার পরও কোনো বাধা না আসায় এবার তারা ড্রাম টাকের সাহায্যে মাটি ভরাট করে পুরো জলাশয়টি গ্রাস করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।
যেখানে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমান দখলকৃত ও ভরাট হয়ে যাওয়া খাল-বিল, জলাশয়, নদী-নালা উদ্ধার ও খনন করে সেগুলোর প্রাণ ফিরাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সেখানে এদের এই দখলি কর্মকান্ড সরকারের চলমান কর্মসূচীকে প্রশ্নবিদ্ধ করার এক গভীর ষড়যন্ত্র কি-না নাকি অন্য কিছু তা নিয়ে অনেকের মনে নানান প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
ইতিমধ্যে ভেড়ামারা শহরের ব্যবসায়ী মহল সহ সুশীল সমাজের নাগরিকবৃন্দ এদের এই দখলি কর্মকান্ডে আতংকিত ও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। অনেকেই নিজেদের মধ্যে বলাবলি শুরু করেছে আওয়ামী সরকারের আমলেও যা হয়েছে এই সরকারের আমলেও তাই হচ্ছে, এ যেন মুদ্রার এপিট ওপিট।
সাধারণ জনগণ বলেন প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে - সরকারের ভাবমুর্তি রক্ষা ও জনস্বার্থে অনুগ্রহ পূর্বক জলাশয়টি রক্ষা করার যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।
সাধারণ লোকজন বলেন উপজেলা বি এন পির আহবায়ক এ্যাড মহঃ তৌহিদুল ইসলাম আলম, সদস্য সচিব শাজাহান আলী, পৌর বি এন পি'র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু দাউদ, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ডাবলুসহ বি এন পি'র নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি - সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন না করে বি এন পি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে দখলবাজদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে জলাশয়টি রক্ষার যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
ভেড়ামারা শহরের শত বছরের পুরোনো "জলাশয়‘‘ দখল।
স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া জেলা। ভেড়ামারা রেল বাজারের প্লাটফর্ম সংলগ্ন খিচুরি পট্রি নামক মার্কেটে সম্প্রতি যে প্রশস্ত রাস্তা ছিল সেই রাস্তাটি ৫ই আগস্ট ২০২৪ ইং পরবর্তী এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েক মাস আগে একটি সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও দখলবাজ চক্র কতিপয় অসাধু রেল ডিপার্টমেন্ট কর্মকর্তার যোগসাজসে কাগজের অজুহাতে বাজারের ব্যবসায়ী ও বণিক সমিতির জোর আপত্তি থাকা সত্বেও পেশিশক্তি এবং অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে কয়েক রাতের মধ্যে প্রায় ১৫ /১৬ টি দোকানঘর নির্মাণ করার ফলে বর্তমানে রাস্তাটি চোরা গলিতে পরিণত হয়েছে।
একদিকে যখন বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্বেও জনস্বার্থে ভেড়ামারা শহরের শতশত দোকানঘর ভেঙে রাস্তা প্রশস্ত করা হয়েছে, অন্যদিকে রাস্তা দখল করে দখলবাজ চক্রটি দোকানঘর তৈরি করলেও প্রশাসন এবং স্হানীয় রাজনৈতিক নেতাদের নিরব ভূমিকার কারণে চক্রটি সে সময় থেকেই দখলি কর্মকান্ডে আগ্রাসী হয়ে ওঠে এবং তার-ই ধারাবাহিকতায় এই চক্রটি এক-ই কায়দায় এবার ভেড়ামারা রেলবাজারের পশ্চিমপার্শ্বের শত বৎসরের পুরোনো একটি বৃহৎ জলাশয় দখল করার লালসায় লিপ্ত হয়।
চক্রটি ইতিমধ্যেই পুকুরের দক্ষিণ পার্শ্বের বেশ কিছু জায়গা দখল করে আনুমানিক ২০/২৫ টা দোকান নির্মাণ করার পরও কোনো বাধা না আসায় এবার তারা ড্রাম টাকের সাহায্যে মাটি ভরাট করে পুরো জলাশয়টি গ্রাস করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।
যেখানে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনায়ক তারেক রহমান দখলকৃত ও ভরাট হয়ে যাওয়া খাল-বিল, জলাশয়, নদী-নালা উদ্ধার ও খনন করে সেগুলোর প্রাণ ফিরাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সেখানে এদের এই দখলি কর্মকান্ড সরকারের চলমান কর্মসূচীকে প্রশ্নবিদ্ধ করার এক গভীর ষড়যন্ত্র কি-না নাকি অন্য কিছু তা নিয়ে অনেকের মনে নানান প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
ইতিমধ্যে ভেড়ামারা শহরের ব্যবসায়ী মহল সহ সুশীল সমাজের নাগরিকবৃন্দ এদের এই দখলি কর্মকান্ডে আতংকিত ও অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। অনেকেই নিজেদের মধ্যে বলাবলি শুরু করেছে আওয়ামী সরকারের আমলেও যা হয়েছে এই সরকারের আমলেও তাই হচ্ছে, এ যেন মুদ্রার এপিট ওপিট।
সাধারণ জনগণ বলেন প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে - সরকারের ভাবমুর্তি রক্ষা ও জনস্বার্থে অনুগ্রহ পূর্বক জলাশয়টি রক্ষা করার যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।
সাধারণ লোকজন বলেন উপজেলা বি এন পির আহবায়ক এ্যাড মহঃ তৌহিদুল ইসলাম আলম, সদস্য সচিব শাজাহান আলী, পৌর বি এন পি'র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু দাউদ, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ডাবলুসহ বি এন পি'র নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি - সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন না করে বি এন পি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে দখলবাজদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে জলাশয়টি রক্ষার যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

আপনার মতামত লিখুন