ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : রোববার, ৩১ মে ২০২৬

দেড় মাসেই ভেঙে গেল নতুন কালভার্ট

দেড় মাসেই ভেঙে গেল নতুন কালভার্ট

বিয়ে না হলে বাঁচব না, মরে যাব এমন আবেগঘন কথা বলে দ্বিতীয় ও পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া দুই শিক্ষার্থী

বিয়ে না হলে বাঁচব না, মরে যাব এমন আবেগঘন কথা বলে দ্বিতীয় ও পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া দুই শিক্ষার্থী

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের যাদুকাটা-১ ও ২ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে নৌ-পুলিশের এডিশন্যাল ডি আই জি মোঃ আব্দুল ওয়ারীশ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের যাদুকাটা-১ ও ২ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে নৌ-পুলিশের এডিশন্যাল ডি আই জি মোঃ আব্দুল ওয়ারীশ

গাজীপুরের বাসনে ধর্ষণ মামলার আসামি সিয়ামকে খুঁজছে পুলিশ, গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত

গাজীপুরের বাসনে ধর্ষণ মামলার আসামি সিয়ামকে খুঁজছে পুলিশ, গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থী মোস্তফার হত্যার বিচার এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছেন

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষার্থী মোস্তফার হত্যার বিচার এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছেন

বিজয়নগর পত্তনে মাদকবিরোধী গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত

বিজয়নগর পত্তনে মাদকবিরোধী গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত

সারাদিনের প্রবল বর্ষণে কলকাতার জনজীবন বিপর্যস্ত-- পথ চলতি মানুষ বিপাকে।

সারাদিনের প্রবল বর্ষণে কলকাতার জনজীবন বিপর্যস্ত-- পথ চলতি মানুষ বিপাকে।

পঞ্চগড়ে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে মন্দির ভাঙচুরের গুজব, প্রশাসনের তদন্তে ভিন্ন তথ্য

পঞ্চগড়ে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে মন্দির ভাঙচুরের গুজব, প্রশাসনের তদন্তে ভিন্ন তথ্য

মণিরামপুরে সরকারি খাস জমিতে মার্কেট নির্মাণ, দোকান ভাড়া তোলার অভিযোগ!

মণিরামপুরে সরকারি খাস জমিতে মার্কেট নির্মাণ, দোকান ভাড়া তোলার অভিযোগ!

মণিরামপুরে সরকারি খাস জমিতে মার্কেট নির্মাণ, দোকান ভাড়া তোলার অভিযোগ!

‎আবু  রায়হান,মণিরামপুর(যশোর): আদালতের রায় অমান্য করে সরকারি জমির উপর মার্কেট নির্মানের পর রীতিমতো দোকান ঘর বরাদ্দ দিয়ে ভাড়া তোলার অভিযোগ উঠেছে মণিরামপুর উপজেলার মোঃ শিহাব হোসেন নামে এক অবৈধ দখল দারের বিরুদ্ধে। শুধুই দখল নই, ইতিপূর্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে জরিমানা ও ঘর নির্মান নিষেধাজ্ঞা দিলেও সেটা অমান্য করে উপজেলার ঢাকুরিয়া-ব্রম্মপুর মৌজার বাওড় পাড়ে মার্কেট নির্মানের পর নিজস্ব সম্পত্তির আদলে প্রতিমাসে ভাড়াও ভোগ করে আসছে বিগত সরকারের আমল হতে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মাহির দায়ান আমিন এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিবেন বললেও প্রায় একমাস অতিবাহিত হলেও কোন ধরনের পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

‎ তথ্য আছে,সাবেক সংসদ সদস্য রনজিত রায়ের (এমপি)  ছেলে রাজিব রায়ের সাথে ঢাকুরিয়ার সালাম হোসেনের ছেলে মোঃ শিহাব হোসেনের বন্ধুত্বের সম্পর্কের সুবাদে দলীয় ক্ষমতাবলে প্রভাব বিস্তার করে অবৈধভাবে একে একে কয়েকটি ভাসমান ঘর গড়ে তোলে।

‎ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর কিভাবে চলছে শিহাব হোসেনের এই অদিপত্য! কি করে স্থানীয় প্রশাসন! এ প্রশ্নের উত্তরে ঢাকুরিয়া সরেজমিনে গেলে জানা যায়- শিহাব সহ কয়েকজন দখলদার সম্পূর্ণ অবৈধভাবে সর্বমোট ১৯টি দোকানঘর তৈরি করেছেন। এ সমস্ত দোকান হতে নিয়মিত মাসিক ৮শ,১ হাজার,১৫শ টাকা ভাড়া তোলা হয়,ব্যাবসায়ীরা করে নিয়েছেন চুক্তিনামা,অনেকে দিয়েছেন অগ্রিম মোটা অংকের অর্থ। 

‎অনুসন্ধান বলছে,ঢাকুরিয়ার অবৈধ দখলদার শিহাব হোসেনের "ওপেন সিক্রেট" এ দখলবাজির অর্জিত অর্থের ভাগ পান সবাই। স্থানীয় প্রশাসন,সাংবাদিক,রাজনীতিবিদ সবাইকে ম্যানেজ করে চলেন অবৈধ দখলদার শিহাব হোসেন। যার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন স্থানীয় ভূমি নায়েব মোঃ রফিকুল ইসলাম নিজেই । তিনি বলেন, সাবেক এসিল্যান্ড নিয়াজ মাগদূম স্যার এই শিহাবকে অবৈধ দখলে ঘর নির্মানের দায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেও যশোর-৪ (অভয়নগর-বাঘারপাড়া) আসনের সাবেক এমপি রনজিত রায়ের ছেলে রাজীব রয়ের আ'লীগের দলীয় ক্ষমতাবলে দখলের ধারা অব্যাহত রাখে শিহাব হোসেন। এটা নাকি আবার সবাই জানে,মহল কেন্দ্রীক ছোট-মোটা অংকের দেনদরবারের ভাগাভাগিতে সবাই দেখেও চোখে কাঠের চশমা পরে চলেন। তথ্য আছে,সাবেক সহকারি কমিশনার ভূমি নিয়াজ মাগদূমের জরিমানা ও নিষেধাজ্ঞায় দখলদারিত্বে বাধা উপেক্ষা করে রাতারাতি ঘর নির্মানের পরে সেই থেকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি শিহাবের। যখন যে দল ক্ষমতায় এসেছে তাদের লোকজনের হাত করে ধীরে ধীরে গড়ে তুলেছে জবরদখলের সম্রাজ্য।

সরেজমিনের তথ্য মোতাবেক,শিহাব হোসেনের দখলে দোকান ঘর ৪ টা,এর মধ্য মুদি দোকান তরিকুলের কাছ থেকে অগ্রিম বাবদ নিয়েছে ১ লাখ,২টা দোকান থেকে নিয়েছেন ৩০ হাজার ও ২০ হাজার টাকা। আর ১টা দোকানে শিহাব নিজেই বসেন।

‎এ ছাড়াও ব্রহ্মপুরের ভুশোন মাস্টার দোকান ঘর ২টা,বার পাড়ার আলামিন হোসেন,দোকান ঘর ১টা,সিরাজ মোল্লা দোকান ঘর ১টা,রফিক হোসেন দোকান ঘর ১টা,শ্যামল কুমার কুন্ডু ব্রহ্মপুর দোকান ঘর ১টা,জালাল উদ্দিন ব্রহ্মপুর দোকান ঘর ১টা,ভিম কুন্ডু দোকান ঘর ১টা, মহাদেব চাঁপাকোনা দোকান ঘর ১/ ইনসার আলী দোকান ঘর ১টা স্থাপনে অবৈধভাবে দখল করে আছে সরকারি খাস জমি। এ ছাড়াও একই মৌজায় ঢাকুরিয়া বাজারস্থ্য বাওড়ের উত্তরপাড়ে শুকনো মৌসুমে রিতীমতো নিজের জমির একটি ছোট ডোবার (পুকুর) সাথে বাওড়ের প্রায় ৬ শতক এরিয়ায় মাটি তুলে পাড় বেঁধে নিয়ে আটো-ছোট ঘের করে নিয়েছেন গ্রাম্য ডাক্তার আশরাফ আলী।

‎চলতি এ প্রতিবেদক সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহে গেলে  দখলদার আশরাফ ডাক্তারের ছেলে নিজে এগিয়ে এসে সাংবাদিকের পরিচয় সহ!"ভাইভা" নেওয়ার ব্যার্থ চেষ্টা করলে আইনী যুক্তিতর্কে চুপ হতে বাধ্য হয়।

‎স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী বিগত প্রশাসনিক কর্মকর্তার ভ্রাম্যমাণ আদালতের আইনী ব্যবস্থার পরও কিভাবে অবৈধভাবে সরকারি জায়গা ভোগদখল করে। প্রশ্ন থেকে যায়, সৈরাচারমুক্ত বৈষম্যহীন নতুন এই বাংলাদেশে যদি রাষ্ট্রীয় সম্পদ দখলমুক্ত করতে প্রশাসন ব্যার্থ হয়! সেখানে সাধারন মানুষের জানমালের শতভাগ নিরাপত্তা কিভাবে নিশ্চিত করবে প্রশাসন !

‎এ বিষয়ে প্রায় একমাস আগে সার্বিক আলোচনায় দুঃখ প্রকাশ করলে মণিরামপুর উপজেলা সহাকারি কমিশনার ভূমি মাহির দায়ান আমিন নিজে সরেজমিন পরিদর্শনে যাবেন বলে নিশ্চিত করলেও অজানা কোন কারনে এখনো সেই দখলদার শিহাব ও বাকিরা তাদের অবৈধ দখল বলবত রেখে তারা প্রমান করছে যে, হয়তো দখলদার ও প্রশাসনের মধ্য দফারফার সম্পর্ক বিগত দিনের চেয়ে আরো দৃঢ় হয়েছে।

‎এদিকে এ বিষয়ে সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের মধ্য দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই বলছেন এসব লেখালেখির চেয়ে দখলদার- প্রশাসন তাদের হিসাব বরাবর রাখাতে কোন ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়না। স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, বিগত দিনে শিহাব হোসেন আ'লীগের লোকজনকে হাত করে চলতো,এখন বিএনপি-জামায়াতের নেতাদের হাত করে চলে বিধায় শিহাব ঢাকুরিয়ার স্ব-ঘোষিত দখল-দারিত্বের রাজার বেশে ছিলো,আছে ও থেকেই যাবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬


মণিরামপুরে সরকারি খাস জমিতে মার্কেট নির্মাণ, দোকান ভাড়া তোলার অভিযোগ!

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬

featured Image

মণিরামপুরে সরকারি খাস জমিতে মার্কেট নির্মাণ, দোকান ভাড়া তোলার অভিযোগ!

‎আবু  রায়হান,মণিরামপুর(যশোর): আদালতের রায় অমান্য করে সরকারি জমির উপর মার্কেট নির্মানের পর রীতিমতো দোকান ঘর বরাদ্দ দিয়ে ভাড়া তোলার অভিযোগ উঠেছে মণিরামপুর উপজেলার মোঃ শিহাব হোসেন নামে এক অবৈধ দখল দারের বিরুদ্ধে। শুধুই দখল নই, ইতিপূর্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে জরিমানা ও ঘর নির্মান নিষেধাজ্ঞা দিলেও সেটা অমান্য করে উপজেলার ঢাকুরিয়া-ব্রম্মপুর মৌজার বাওড় পাড়ে মার্কেট নির্মানের পর নিজস্ব সম্পত্তির আদলে প্রতিমাসে ভাড়াও ভোগ করে আসছে বিগত সরকারের আমল হতে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মাহির দায়ান আমিন এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিবেন বললেও প্রায় একমাস অতিবাহিত হলেও কোন ধরনের পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

‎ তথ্য আছে,সাবেক সংসদ সদস্য রনজিত রায়ের (এমপি)  ছেলে রাজিব রায়ের সাথে ঢাকুরিয়ার সালাম হোসেনের ছেলে মোঃ শিহাব হোসেনের বন্ধুত্বের সম্পর্কের সুবাদে দলীয় ক্ষমতাবলে প্রভাব বিস্তার করে অবৈধভাবে একে একে কয়েকটি ভাসমান ঘর গড়ে তোলে।

‎ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর কিভাবে চলছে শিহাব হোসেনের এই অদিপত্য! কি করে স্থানীয় প্রশাসন! এ প্রশ্নের উত্তরে ঢাকুরিয়া সরেজমিনে গেলে জানা যায়- শিহাব সহ কয়েকজন দখলদার সম্পূর্ণ অবৈধভাবে সর্বমোট ১৯টি দোকানঘর তৈরি করেছেন। এ সমস্ত দোকান হতে নিয়মিত মাসিক ৮শ,১ হাজার,১৫শ টাকা ভাড়া তোলা হয়,ব্যাবসায়ীরা করে নিয়েছেন চুক্তিনামা,অনেকে দিয়েছেন অগ্রিম মোটা অংকের অর্থ। 

‎অনুসন্ধান বলছে,ঢাকুরিয়ার অবৈধ দখলদার শিহাব হোসেনের "ওপেন সিক্রেট" এ দখলবাজির অর্জিত অর্থের ভাগ পান সবাই। স্থানীয় প্রশাসন,সাংবাদিক,রাজনীতিবিদ সবাইকে ম্যানেজ করে চলেন অবৈধ দখলদার শিহাব হোসেন। যার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন স্থানীয় ভূমি নায়েব মোঃ রফিকুল ইসলাম নিজেই । তিনি বলেন, সাবেক এসিল্যান্ড নিয়াজ মাগদূম স্যার এই শিহাবকে অবৈধ দখলে ঘর নির্মানের দায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেও যশোর-৪ (অভয়নগর-বাঘারপাড়া) আসনের সাবেক এমপি রনজিত রায়ের ছেলে রাজীব রয়ের আ'লীগের দলীয় ক্ষমতাবলে দখলের ধারা অব্যাহত রাখে শিহাব হোসেন। এটা নাকি আবার সবাই জানে,মহল কেন্দ্রীক ছোট-মোটা অংকের দেনদরবারের ভাগাভাগিতে সবাই দেখেও চোখে কাঠের চশমা পরে চলেন। তথ্য আছে,সাবেক সহকারি কমিশনার ভূমি নিয়াজ মাগদূমের জরিমানা ও নিষেধাজ্ঞায় দখলদারিত্বে বাধা উপেক্ষা করে রাতারাতি ঘর নির্মানের পরে সেই থেকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি শিহাবের। যখন যে দল ক্ষমতায় এসেছে তাদের লোকজনের হাত করে ধীরে ধীরে গড়ে তুলেছে জবরদখলের সম্রাজ্য।

সরেজমিনের তথ্য মোতাবেক,শিহাব হোসেনের দখলে দোকান ঘর ৪ টা,এর মধ্য মুদি দোকান তরিকুলের কাছ থেকে অগ্রিম বাবদ নিয়েছে ১ লাখ,২টা দোকান থেকে নিয়েছেন ৩০ হাজার ও ২০ হাজার টাকা। আর ১টা দোকানে শিহাব নিজেই বসেন।

‎এ ছাড়াও ব্রহ্মপুরের ভুশোন মাস্টার দোকান ঘর ২টা,বার পাড়ার আলামিন হোসেন,দোকান ঘর ১টা,সিরাজ মোল্লা দোকান ঘর ১টা,রফিক হোসেন দোকান ঘর ১টা,শ্যামল কুমার কুন্ডু ব্রহ্মপুর দোকান ঘর ১টা,জালাল উদ্দিন ব্রহ্মপুর দোকান ঘর ১টা,ভিম কুন্ডু দোকান ঘর ১টা, মহাদেব চাঁপাকোনা দোকান ঘর ১/ ইনসার আলী দোকান ঘর ১টা স্থাপনে অবৈধভাবে দখল করে আছে সরকারি খাস জমি। এ ছাড়াও একই মৌজায় ঢাকুরিয়া বাজারস্থ্য বাওড়ের উত্তরপাড়ে শুকনো মৌসুমে রিতীমতো নিজের জমির একটি ছোট ডোবার (পুকুর) সাথে বাওড়ের প্রায় ৬ শতক এরিয়ায় মাটি তুলে পাড় বেঁধে নিয়ে আটো-ছোট ঘের করে নিয়েছেন গ্রাম্য ডাক্তার আশরাফ আলী।

‎চলতি এ প্রতিবেদক সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহে গেলে  দখলদার আশরাফ ডাক্তারের ছেলে নিজে এগিয়ে এসে সাংবাদিকের পরিচয় সহ!"ভাইভা" নেওয়ার ব্যার্থ চেষ্টা করলে আইনী যুক্তিতর্কে চুপ হতে বাধ্য হয়।

‎স্থানীয় সচেতন মহলের দাবী বিগত প্রশাসনিক কর্মকর্তার ভ্রাম্যমাণ আদালতের আইনী ব্যবস্থার পরও কিভাবে অবৈধভাবে সরকারি জায়গা ভোগদখল করে। প্রশ্ন থেকে যায়, সৈরাচারমুক্ত বৈষম্যহীন নতুন এই বাংলাদেশে যদি রাষ্ট্রীয় সম্পদ দখলমুক্ত করতে প্রশাসন ব্যার্থ হয়! সেখানে সাধারন মানুষের জানমালের শতভাগ নিরাপত্তা কিভাবে নিশ্চিত করবে প্রশাসন !

‎এ বিষয়ে প্রায় একমাস আগে সার্বিক আলোচনায় দুঃখ প্রকাশ করলে মণিরামপুর উপজেলা সহাকারি কমিশনার ভূমি মাহির দায়ান আমিন নিজে সরেজমিন পরিদর্শনে যাবেন বলে নিশ্চিত করলেও অজানা কোন কারনে এখনো সেই দখলদার শিহাব ও বাকিরা তাদের অবৈধ দখল বলবত রেখে তারা প্রমান করছে যে, হয়তো দখলদার ও প্রশাসনের মধ্য দফারফার সম্পর্ক বিগত দিনের চেয়ে আরো দৃঢ় হয়েছে।

‎এদিকে এ বিষয়ে সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের মধ্য দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই বলছেন এসব লেখালেখির চেয়ে দখলদার- প্রশাসন তাদের হিসাব বরাবর রাখাতে কোন ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়না। স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, বিগত দিনে শিহাব হোসেন আ'লীগের লোকজনকে হাত করে চলতো,এখন বিএনপি-জামায়াতের নেতাদের হাত করে চলে বিধায় শিহাব ঢাকুরিয়ার স্ব-ঘোষিত দখল-দারিত্বের রাজার বেশে ছিলো,আছে ও থেকেই যাবে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ