ফুটবল খেলায় কাপ জিতে টাকা তুলতে রোহিঙ্গা শিশুরা উখিয়া স্টেশনের দোকানে ভীড়
সিরাজুল কবির বুলবুল উখিয়া কক্সবাজার:- শিশুরা অবুঝ, শিশুরা নিষ্পাপ, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শিশুরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থান করবে এটাই স্বাভাবিক, আইন এটাই বলে। কিন্তু বাস্তবচিত্র ভিন্ন,
(৩ জুন) বুধবার সকালে কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের শুক্কুর মাঝির ডি ব্লকে বসবাসরত একদল রোহিঙ্গা শিশু কুতুপালং বালুর ডেইলে ফুটবল খেলায় কাপ জিতে উখিয়ার বিভিন্ন মার্কেটে টাকা তুলার সময় বনফুল ফাস্ট ফুডের সামনে এলে কিছু সচেতন সাংবাদিকের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়। তখন শিশুরা নির্দ্বিধায় বলে, আমরা কুতুপালং ক্যাম্প থেকে এসেছি,ফুটবল খেলে কাপ জিতেছি,আমাদের খুশি করেন,আমাদের টাকা দেন। এই বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল জানান,রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো থেকে প্রতিদিন উখিয়া, কক্সবাজারের উদ্দেশ্য বের হয়ে যাচ্ছে হাজার, হাজার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী, প্রশ্ন হলো তাহলে জননিরাপত্তা বলয় হিসেবে কোটিটাকা খরচে ক্যাম্পের চতুর্পাশে কাঁটাতারের ঘেরা দিয়ে কি লাভ হলো? এ,পি,বি,এন,পুলিশ সহ সেনা চেকপোস্ট গুলো কেন বসানো হলো? যদি প্রতিদিন বিনা বাঁধায় রোহিঙ্গারা অবাধে চলাচল করতে পারে তাহলে সরকারী কোষাগার থেকে কোটিটাকা বেতন প্রদান করে কি লাভ?
কি নিরাপত্তা পেলো স্থানীয় জণগোষ্ঠী,এই ভাবে চলতে থাকলে উখিয়া, টেকনাফ একসময় অরক্ষিত অঞ্চলে পরিনত হবে। আমরা প্রশাসনের কাছে এই সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই। না হলে যে কোন মুহূর্তে বড়ধরনে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সম্মুখীন হতে পারে স্থানীয় জনসাধারণ।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
ফুটবল খেলায় কাপ জিতে টাকা তুলতে রোহিঙ্গা শিশুরা উখিয়া স্টেশনের দোকানে ভীড়
সিরাজুল কবির বুলবুল উখিয়া কক্সবাজার:- শিশুরা অবুঝ, শিশুরা নিষ্পাপ, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শিশুরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থান করবে এটাই স্বাভাবিক, আইন এটাই বলে। কিন্তু বাস্তবচিত্র ভিন্ন,
(৩ জুন) বুধবার সকালে কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের শুক্কুর মাঝির ডি ব্লকে বসবাসরত একদল রোহিঙ্গা শিশু কুতুপালং বালুর ডেইলে ফুটবল খেলায় কাপ জিতে উখিয়ার বিভিন্ন মার্কেটে টাকা তুলার সময় বনফুল ফাস্ট ফুডের সামনে এলে কিছু সচেতন সাংবাদিকের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়। তখন শিশুরা নির্দ্বিধায় বলে, আমরা কুতুপালং ক্যাম্প থেকে এসেছি,ফুটবল খেলে কাপ জিতেছি,আমাদের খুশি করেন,আমাদের টাকা দেন। এই বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল জানান,রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো থেকে প্রতিদিন উখিয়া, কক্সবাজারের উদ্দেশ্য বের হয়ে যাচ্ছে হাজার, হাজার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী, প্রশ্ন হলো তাহলে জননিরাপত্তা বলয় হিসেবে কোটিটাকা খরচে ক্যাম্পের চতুর্পাশে কাঁটাতারের ঘেরা দিয়ে কি লাভ হলো? এ,পি,বি,এন,পুলিশ সহ সেনা চেকপোস্ট গুলো কেন বসানো হলো? যদি প্রতিদিন বিনা বাঁধায় রোহিঙ্গারা অবাধে চলাচল করতে পারে তাহলে সরকারী কোষাগার থেকে কোটিটাকা বেতন প্রদান করে কি লাভ?
কি নিরাপত্তা পেলো স্থানীয় জণগোষ্ঠী,এই ভাবে চলতে থাকলে উখিয়া, টেকনাফ একসময় অরক্ষিত অঞ্চলে পরিনত হবে। আমরা প্রশাসনের কাছে এই সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই। না হলে যে কোন মুহূর্তে বড়ধরনে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সম্মুখীন হতে পারে স্থানীয় জনসাধারণ।

আপনার মতামত লিখুন