জমিজমার নিয়ে সংঘর্ষ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিহত - ০১
জিএম তারিকুল ইসলাম কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি:- খুলনার কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের শিমলারআইট গ্রামে চলাচলের পথ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সংঘর্ষে গুরুতর আহত এছার আলী সরদার (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলাচলের একটি পথের জমি দখলকে কেন্দ্র করে শামছুর সরদার ও তার ছেলে আব্দুল হালিম সরদারের সঙ্গে এছার আলী সরদার গংদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ওই জমিতে গত ৩১ মে উভয়পক্ষ অবস্থান নিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে এছার আলী সরদারসহ দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ জুন সন্ধ্যায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেডে তার মৃত্যু হয়।
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, “ঘটনার বিষয়ে উভয় পক্ষ মামলা করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এছার আলী সরদার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় মামলায় হত্যার ধারা সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মানববন্ধনে বক্তারা আব্দুল হালিম সরদারকে হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত দাবি করে তার ফাঁসির দাবি জানান। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা। কর্মসূচিতে কয়েকশ’ নারী-পুরুষ অংশ গ্রহণ করেন।
এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা মো. মজিবুর রহমান, হাফেজ মো. দিদারুল ইসলাম, হাফেজ মো. ইব্রাহিম খলিলসহ কয়েকজন মন্তব্য করেন।

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
জমিজমার নিয়ে সংঘর্ষ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিহত - ০১
জিএম তারিকুল ইসলাম কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি:- খুলনার কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের শিমলারআইট গ্রামে চলাচলের পথ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সংঘর্ষে গুরুতর আহত এছার আলী সরদার (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলাচলের একটি পথের জমি দখলকে কেন্দ্র করে শামছুর সরদার ও তার ছেলে আব্দুল হালিম সরদারের সঙ্গে এছার আলী সরদার গংদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ওই জমিতে গত ৩১ মে উভয়পক্ষ অবস্থান নিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে এছার আলী সরদারসহ দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ জুন সন্ধ্যায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেডে তার মৃত্যু হয়।
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, “ঘটনার বিষয়ে উভয় পক্ষ মামলা করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এছার আলী সরদার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় মামলায় হত্যার ধারা সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মানববন্ধনে বক্তারা আব্দুল হালিম সরদারকে হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত দাবি করে তার ফাঁসির দাবি জানান। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা। কর্মসূচিতে কয়েকশ’ নারী-পুরুষ অংশ গ্রহণ করেন।
এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা মো. মজিবুর রহমান, হাফেজ মো. দিদারুল ইসলাম, হাফেজ মো. ইব্রাহিম খলিলসহ কয়েকজন মন্তব্য করেন।

আপনার মতামত লিখুন