চিকিৎসকের অবহেলায় বৃদ্ধার মৃত্যুর অভিযোগ, তদন্তের দাবি স্বজনদের
মোঃ রাসেল আহমেদ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনার মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের অবহেলায় দেলোয়ারা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্বজনরা দায়ী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
পারিবারিক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের নওয়াগাঁও গ্রামের মৃত কাছুম আলীর স্ত্রী দেলোয়ারা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে শনিবার সকালে স্বজনরা তাকে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে আনার পর রোগীর শ্বাসকষ্টের বিষয়টি কর্তব্যরত চিকিৎসককে বারবার জানানো হলেও যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। একপর্যায়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ছোট বোন সাহেদা আক্তার বলেন, “আমার বড় বোনের শ্বাস নিতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। আমরা বারবার ডাক্তারকে জানিয়েছি। কিন্তু গুরুত্ব না দেওয়ার কারণেই আমার বোন মারা গেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তি চাই।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাফরিন সুলতানা। তিনি বলেন, “রোগীর স্বজনরা আমাকে জানালে আমি সঙ্গে সঙ্গে উপরে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি রোগী ইতোমধ্যে মারা গেছেন। আমি দায়িত্বে ছিলাম এবং অন্যান্য রোগীও দেখছিলাম।”
এ বিষয়ে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. নুরুল হুদা খান বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬
চিকিৎসকের অবহেলায় বৃদ্ধার মৃত্যুর অভিযোগ, তদন্তের দাবি স্বজনদের
মোঃ রাসেল আহমেদ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনার মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের অবহেলায় দেলোয়ারা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্বজনরা দায়ী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
পারিবারিক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের নওয়াগাঁও গ্রামের মৃত কাছুম আলীর স্ত্রী দেলোয়ারা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে শনিবার সকালে স্বজনরা তাকে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে আনার পর রোগীর শ্বাসকষ্টের বিষয়টি কর্তব্যরত চিকিৎসককে বারবার জানানো হলেও যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। একপর্যায়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ছোট বোন সাহেদা আক্তার বলেন, “আমার বড় বোনের শ্বাস নিতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। আমরা বারবার ডাক্তারকে জানিয়েছি। কিন্তু গুরুত্ব না দেওয়ার কারণেই আমার বোন মারা গেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তি চাই।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাফরিন সুলতানা। তিনি বলেন, “রোগীর স্বজনরা আমাকে জানালে আমি সঙ্গে সঙ্গে উপরে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি রোগী ইতোমধ্যে মারা গেছেন। আমি দায়িত্বে ছিলাম এবং অন্যান্য রোগীও দেখছিলাম।”
এ বিষয়ে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. নুরুল হুদা খান বলেন, “এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন