কচুয়া পৌরসভার রাজনীতিতে প্রবাসী সায়েমের অবদান: প্রাপ্য মূল্যায়ন কি পাচ্ছেন তিনি
কচুয়া, চাঁদপুর প্রতিনিধি | মোঃ আনোয়ার হোসেন (রাজ) কচুয়া পৌরসভার রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের ত্যাগ-শ্রম অনেক সময় প্রচারের আলো পায় না। অথচ তাদের আর্থিক সহযোগিতা ও নীরব কর্মকাণ্ড ছাড়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ সফল হতো না। তাদেরই একজন আমেরিকা প্রবাসী সায়েম হাসান।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি কচুয়া পৌরসভার মানুষের কল্যাণে এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নীরবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। শুধু রাজনীতি নয়, খারাপ সময়ে গরিব, দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সমাজসেবামূলক কাজেও তিনি নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। বিপদ-আপদে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন সবসময় অগ্রভাগে।
বিশেষ করে মিলন সাহেবের রাজনৈতিক পথচলা ও নির্বাচনী কার্যক্রমে প্রবাসী সায়েমের অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যখন মিলন সাহেব মনোনয়ন পাওয়ার আগের সময়ে কচুয়া পৌরসভার ৩, ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী কার্যক্রম ও ফান্ডিংয়ের উদ্যোগের অভাব ছিল, তখন সায়েম নিজ উদ্যোগে এগিয়ে আসেন।
সেই সময় তিনি একাই প্রায় ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনা করেন। শুধু সফল আয়োজনই নয়, এটি কচুয়া পৌরসভার রাজনৈতিক সক্ষমতারও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে। বিষয়টি স্থানীয় অনেকেই জানেন এবং স্বীকার করেন।
নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহ, কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা নিশ্চিতে তিনি নিরলস কাজ করেছেন। যখন অনেক নেতা-কর্মী বিভিন্ন কারণে পিছিয়ে ছিলেন বা তহবিল সংগ্রহে ভূমিকা রাখতে পারেননি, তখন প্রবাস থেকেও সায়েম সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। দলের স্বার্থে কাজ করেছেন নিঃস্বার্থভাবে।
প্রশ্ন আজ একটাই অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, আজ অনেকেই বড় বড় রাজনৈতিক বক্তব্য দিলেও প্রবাসী সায়েম ও তার পরিবারের প্রতি সেই অনুপাতে সম্মান, মূল্যায়ন কিংবা কৃতজ্ঞতার প্রকাশ দেখা যায় না।
যিনি দলের প্রয়োজনে, এলাকার প্রয়োজনে ও মানুষের কল্যাণে নিজের সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করেছেন, তার অবদান স্মরণ করা এবং যথাযথ মর্যাদা দেওয়া সংশ্লিষ্ট সবার নৈতিক দায়িত্ব।কচুয়াবাসীর কাছে প্রশ্ন - যে মানুষটি কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন, দলের জন্য কাজ করেছেন, মানুষের জন্য কাজ করেছেন এবং নিজের অর্থ ব্যয় করে নেতৃত্বের প্রতি আস্থা দেখিয়েছেন, তিনি কি তার প্রাপ্য সম্মান ও মূল্যায়ন পাচ্ছেন।
প্রবাসী সায়েমের অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়িত হলে তা শুধু একজন ব্যক্তির সম্মানই নয়, ভবিষ্যতে সমাজ ও রাজনীতিতে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করা মানুষদেরও উৎসাহিত করবে। যোগ্য মানুষের যোগ্য সম্মান নিশ্চিত হোক - এটাই কচুয়াবাসীর প্রত্যাশাঙ

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
কচুয়া পৌরসভার রাজনীতিতে প্রবাসী সায়েমের অবদান: প্রাপ্য মূল্যায়ন কি পাচ্ছেন তিনি
কচুয়া, চাঁদপুর প্রতিনিধি | মোঃ আনোয়ার হোসেন (রাজ) কচুয়া পৌরসভার রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের ত্যাগ-শ্রম অনেক সময় প্রচারের আলো পায় না। অথচ তাদের আর্থিক সহযোগিতা ও নীরব কর্মকাণ্ড ছাড়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ সফল হতো না। তাদেরই একজন আমেরিকা প্রবাসী সায়েম হাসান।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি কচুয়া পৌরসভার মানুষের কল্যাণে এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নীরবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। শুধু রাজনীতি নয়, খারাপ সময়ে গরিব, দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সমাজসেবামূলক কাজেও তিনি নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। বিপদ-আপদে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন সবসময় অগ্রভাগে।
বিশেষ করে মিলন সাহেবের রাজনৈতিক পথচলা ও নির্বাচনী কার্যক্রমে প্রবাসী সায়েমের অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যখন মিলন সাহেব মনোনয়ন পাওয়ার আগের সময়ে কচুয়া পৌরসভার ৩, ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী কার্যক্রম ও ফান্ডিংয়ের উদ্যোগের অভাব ছিল, তখন সায়েম নিজ উদ্যোগে এগিয়ে আসেন।
সেই সময় তিনি একাই প্রায় ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনা করেন। শুধু সফল আয়োজনই নয়, এটি কচুয়া পৌরসভার রাজনৈতিক সক্ষমতারও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে। বিষয়টি স্থানীয় অনেকেই জানেন এবং স্বীকার করেন।
নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহ, কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা নিশ্চিতে তিনি নিরলস কাজ করেছেন। যখন অনেক নেতা-কর্মী বিভিন্ন কারণে পিছিয়ে ছিলেন বা তহবিল সংগ্রহে ভূমিকা রাখতে পারেননি, তখন প্রবাস থেকেও সায়েম সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। দলের স্বার্থে কাজ করেছেন নিঃস্বার্থভাবে।
প্রশ্ন আজ একটাই অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য, আজ অনেকেই বড় বড় রাজনৈতিক বক্তব্য দিলেও প্রবাসী সায়েম ও তার পরিবারের প্রতি সেই অনুপাতে সম্মান, মূল্যায়ন কিংবা কৃতজ্ঞতার প্রকাশ দেখা যায় না।
যিনি দলের প্রয়োজনে, এলাকার প্রয়োজনে ও মানুষের কল্যাণে নিজের সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করেছেন, তার অবদান স্মরণ করা এবং যথাযথ মর্যাদা দেওয়া সংশ্লিষ্ট সবার নৈতিক দায়িত্ব।কচুয়াবাসীর কাছে প্রশ্ন - যে মানুষটি কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন, দলের জন্য কাজ করেছেন, মানুষের জন্য কাজ করেছেন এবং নিজের অর্থ ব্যয় করে নেতৃত্বের প্রতি আস্থা দেখিয়েছেন, তিনি কি তার প্রাপ্য সম্মান ও মূল্যায়ন পাচ্ছেন।
প্রবাসী সায়েমের অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়িত হলে তা শুধু একজন ব্যক্তির সম্মানই নয়, ভবিষ্যতে সমাজ ও রাজনীতিতে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করা মানুষদেরও উৎসাহিত করবে। যোগ্য মানুষের যোগ্য সম্মান নিশ্চিত হোক - এটাই কচুয়াবাসীর প্রত্যাশাঙ

আপনার মতামত লিখুন