একটু বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায় বাদিয়াখালী বাজার, দুর্ভোগে ব্যবসায়ীরা
মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা স্টাফ রিপোর্টার:- জলাবদ্ধতায় নষ্ট হচ্ছে মালামাল, ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ সামান্য বৃষ্টিতেই গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী বাজারের ভেতরের দোকানপাট পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। জলাবদ্ধতার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বাজারের ব্যবসায়ীরা। বেচাকেনা বন্ধ হয়ে নষ্ট হচ্ছে মালামাল, লোকসান গুনে মাথায় হাত দিয়েছেন তারা।
স্থানীয় চা ব্যাবসায়ী জাকির হোসেন জানান, বাজারের ড্রেনের ব্যবস্থা একেবারেই নাজুক। পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত নালা না থাকায় আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতেই হাঁটু পানি জমে যায়। এতে মুদি, কাপড়, ওষুধ চার দোকানসহ বিভিন্ন দোকানের ভেতরে পানি ঢুকে মালামাল ভিজে নষ্ট হচ্ছে। ক্রেতা না আসায় বিক্রিও একেবারে তলানিতে।
বাদিয়াখালী বাজারের কাচা মাল ব্যবসায়ী সাহেব আলী জানান। "বছরের পর বছর ধরে একই অবস্থা। একটু বৃষ্টি হলেই দোকান বন্ধ করে বসে থাকতে হয়। গুদামে থাকা রসুন, পিয়াজ, কাচা মরিচ, আলু, শুট মরিচ, আদা সহ ভিজে লাখ টাকার ক্ষতি হচ্ছে। পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদে বারবার বলেও কোনো সমাধান মিলছে না।
না প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক পান ব্যাবসায়ী বলেন, "গতকালের ২০ মিনিটের বৃষ্টিতে দোকানে পানি ঢুকে খাচায় থাকা ৮ হাজার টাকার পান ভেসে যাচ্ছে, অনেক গুলো নষ্ট হয়েছে। এভাবে চললে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাজারের প্রধান সড়ক থেকে নিচু হওয়ায় এবং পানি বের হওয়ার পথ না থাকায় এ জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। বর্ষা মৌসুম শুরু না হতেই এমন অবস্থায়।
হাট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে বিষয়টি এরিয়ে যান, এ বিষয়ে বাদিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাফায়েতুল হক পাভেল জানান, "বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। ড্রেনের ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি প্রকল্প প্রস্তাব উপজেলা পরিষদে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু হবে।
দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ লাঘবের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তা না হলে আমরা সবাই আমাদের ব্যাবসা অন্য কোন হাটে সরিয়ে দিতে বাধ্য হব।।ব্যাবসায়ীরা বলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
একটু বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায় বাদিয়াখালী বাজার, দুর্ভোগে ব্যবসায়ীরা
মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা স্টাফ রিপোর্টার:- জলাবদ্ধতায় নষ্ট হচ্ছে মালামাল, ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ সামান্য বৃষ্টিতেই গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী বাজারের ভেতরের দোকানপাট পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। জলাবদ্ধতার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বাজারের ব্যবসায়ীরা। বেচাকেনা বন্ধ হয়ে নষ্ট হচ্ছে মালামাল, লোকসান গুনে মাথায় হাত দিয়েছেন তারা।
স্থানীয় চা ব্যাবসায়ী জাকির হোসেন জানান, বাজারের ড্রেনের ব্যবস্থা একেবারেই নাজুক। পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত নালা না থাকায় আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতেই হাঁটু পানি জমে যায়। এতে মুদি, কাপড়, ওষুধ চার দোকানসহ বিভিন্ন দোকানের ভেতরে পানি ঢুকে মালামাল ভিজে নষ্ট হচ্ছে। ক্রেতা না আসায় বিক্রিও একেবারে তলানিতে।
বাদিয়াখালী বাজারের কাচা মাল ব্যবসায়ী সাহেব আলী জানান। "বছরের পর বছর ধরে একই অবস্থা। একটু বৃষ্টি হলেই দোকান বন্ধ করে বসে থাকতে হয়। গুদামে থাকা রসুন, পিয়াজ, কাচা মরিচ, আলু, শুট মরিচ, আদা সহ ভিজে লাখ টাকার ক্ষতি হচ্ছে। পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদে বারবার বলেও কোনো সমাধান মিলছে না।
না প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক পান ব্যাবসায়ী বলেন, "গতকালের ২০ মিনিটের বৃষ্টিতে দোকানে পানি ঢুকে খাচায় থাকা ৮ হাজার টাকার পান ভেসে যাচ্ছে, অনেক গুলো নষ্ট হয়েছে। এভাবে চললে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাজারের প্রধান সড়ক থেকে নিচু হওয়ায় এবং পানি বের হওয়ার পথ না থাকায় এ জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। বর্ষা মৌসুম শুরু না হতেই এমন অবস্থায়।
হাট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে বিষয়টি এরিয়ে যান, এ বিষয়ে বাদিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাফায়েতুল হক পাভেল জানান, "বিষয়টি আমাদের নজরে আছে। ড্রেনের ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি প্রকল্প প্রস্তাব উপজেলা পরিষদে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু হবে।
দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ লাঘবের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তা না হলে আমরা সবাই আমাদের ব্যাবসা অন্য কোন হাটে সরিয়ে দিতে বাধ্য হব।।ব্যাবসায়ীরা বলেন।

আপনার মতামত লিখুন