আজ বিশ্ব বাবা দিবস সকল বাবাদের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা
সাংবাদিক এম এস শ্রাবণ মাহমুদ
"বাবা"
তোমাকে নিয়ে কবিতা লিখতে বসলে শব্দগুলো কেমন যেন ছোট হয়ে যায় "কারণ তোমাকে কোনো উপমায় মাপা যায় না।
"তুমি নদী -নও "পাহাড় -নও "আকাশ-ও'নও "তুমি সেই -মানুষ "যার কাঁধের ওপর -দাঁড়িয়ে আমি পৃথিবী দেখতে শিখেছি" আমার জন্মের দিন সবাই যখন আমাকে দেখছিল, তুমি তখন আমার ভবিষ্যৎ দেখছিলে।
আমি হাঁটতে শিখেছি, তুমি দায়িত্বের পথে দৌড়াতে শিখেছো।আমি স্কুলে গেছি, আর তুমি জীবনের কঠিন পরীক্ষাগুলো হাসিমুখে দিয়ে গেছো।
মনে আছে বাবা,ঈদের নতুন জামা কেনার আগে তুমি নিজের শার্টটা আরেক বছর পরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলে।
"তখন -বুঝিনি "আজ -বুঝি "ভালোবাসার'ও একটি- রঙ আছে সেটার নাম ত্যাগ"মাসের শেষে হিসাবের খাতা যখন মিলতো- না, তখন'ও আমার বই,আমার পড়াশোনা,আমার স্বপ্ন-
কোনো কিছুর কমতি হতে -দাওনি "আজ বুঝি-কিছু অলৌকিক ঘটনা আসলে বাবারাই ঘটান"তুমি কখনও বলোনি,'আমি -ক্লান্ত "কখনও- বলোনি,'আমার'ও কষ্ট হয় "শুধু রাত গভীর -হলে তোমার চোখের কোণের নীরবতা সব কথা বলে দিতো"
(বাবা) তোমার ভালোবাসা ছিল রোদের মতো-সবসময় পাশে,কিন্তু নিজের অস্তিত্বের কথা কখনও উচ্চারণ করেনি।আজ আমি বড় হয়েছি।
জীবনের অনেক পথ পেরিয়েছি,অনেক মানুষের ভিড় দেখেছি,অনেক সম্পর্কের রং বদলাতে দেখেছি।কিন্তু তোমার মতো নিঃস্বার্থ একজন মানুষ আর কখনও দেখিনি।
" আমি জানি,মানুষ চলে যায়,বাবারা চলে যান না।
তারা বেঁচে থাকেন সন্তানের সাহসে, সিদ্ধান্তে,মানুষ হয়ে ওঠার শিক্ষায়,আর প্রতিদিনের প্রার্থনায়।"আজ বিশ্ব বাবা দিবসে" আমার বৃদ্ধ বাবাকে মনে পড়ে যায়।
তুমি হয়তো কোনো ইতিহাসের পাতায় নেই,কোনো পদক তোমার নামে লেখা হয়নি,কোনো মঞ্চ তোমাকে সম্মান জানায়নি।তবু আমার জীবনের প্রতিটি অর্জনের পেছনে নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে আছো তুমি।
"আজ'ও আমার জীবনে'র সবচেয়ে বড় পরিচয়,সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়,সবচেয়ে উজ্জ্বল প্রেরণা-তুমি,বাবা"।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
আজ বিশ্ব বাবা দিবস সকল বাবাদের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা
সাংবাদিক এম এস শ্রাবণ মাহমুদ
"বাবা"
তোমাকে নিয়ে কবিতা লিখতে বসলে শব্দগুলো কেমন যেন ছোট হয়ে যায় "কারণ তোমাকে কোনো উপমায় মাপা যায় না।
"তুমি নদী -নও "পাহাড় -নও "আকাশ-ও'নও "তুমি সেই -মানুষ "যার কাঁধের ওপর -দাঁড়িয়ে আমি পৃথিবী দেখতে শিখেছি" আমার জন্মের দিন সবাই যখন আমাকে দেখছিল, তুমি তখন আমার ভবিষ্যৎ দেখছিলে।
আমি হাঁটতে শিখেছি, তুমি দায়িত্বের পথে দৌড়াতে শিখেছো।আমি স্কুলে গেছি, আর তুমি জীবনের কঠিন পরীক্ষাগুলো হাসিমুখে দিয়ে গেছো।
মনে আছে বাবা,ঈদের নতুন জামা কেনার আগে তুমি নিজের শার্টটা আরেক বছর পরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলে।
"তখন -বুঝিনি "আজ -বুঝি "ভালোবাসার'ও একটি- রঙ আছে সেটার নাম ত্যাগ"মাসের শেষে হিসাবের খাতা যখন মিলতো- না, তখন'ও আমার বই,আমার পড়াশোনা,আমার স্বপ্ন-
কোনো কিছুর কমতি হতে -দাওনি "আজ বুঝি-কিছু অলৌকিক ঘটনা আসলে বাবারাই ঘটান"তুমি কখনও বলোনি,'আমি -ক্লান্ত "কখনও- বলোনি,'আমার'ও কষ্ট হয় "শুধু রাত গভীর -হলে তোমার চোখের কোণের নীরবতা সব কথা বলে দিতো"
(বাবা) তোমার ভালোবাসা ছিল রোদের মতো-সবসময় পাশে,কিন্তু নিজের অস্তিত্বের কথা কখনও উচ্চারণ করেনি।আজ আমি বড় হয়েছি।
জীবনের অনেক পথ পেরিয়েছি,অনেক মানুষের ভিড় দেখেছি,অনেক সম্পর্কের রং বদলাতে দেখেছি।কিন্তু তোমার মতো নিঃস্বার্থ একজন মানুষ আর কখনও দেখিনি।
" আমি জানি,মানুষ চলে যায়,বাবারা চলে যান না।
তারা বেঁচে থাকেন সন্তানের সাহসে, সিদ্ধান্তে,মানুষ হয়ে ওঠার শিক্ষায়,আর প্রতিদিনের প্রার্থনায়।"আজ বিশ্ব বাবা দিবসে" আমার বৃদ্ধ বাবাকে মনে পড়ে যায়।
তুমি হয়তো কোনো ইতিহাসের পাতায় নেই,কোনো পদক তোমার নামে লেখা হয়নি,কোনো মঞ্চ তোমাকে সম্মান জানায়নি।তবু আমার জীবনের প্রতিটি অর্জনের পেছনে নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে আছো তুমি।
"আজ'ও আমার জীবনে'র সবচেয়ে বড় পরিচয়,সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়,সবচেয়ে উজ্জ্বল প্রেরণা-তুমি,বাবা"।

আপনার মতামত লিখুন