চিতলমারীতে দোকান দখল বিরোধে ডাকাতি মামলা: নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ
আল হাফিজ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের চিতলমারীতে দোকানঘর দখলকে কেন্দ্র করে এক অসহায় পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দোকান দখলের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছে।
সালমা বেগম জানান, হিজলা মৌজার বিআরএস খতিয়ান নং-৬৫০ এর ২৮২৫ দাগের ২২ শতক জমি তার শ্বশুর আব্দুল হাই খানের নামে রেকর্ডভুক্ত। ওই জমির পাশে সড়ক সংলগ্ন স্থানে তাদের কয়েকটি দোকানঘর রয়েছে। স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি কষ্ট করে সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ওই দোকানগুলোর ওপর নজর পড়ে স্থানীয় কাজী আইনুল হকের। পরে দখল রেকর্ড নেই এমন ব্যক্তির মাধ্যমে একটি দলিল দেখিয়ে দোকান দখলের চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও সমাধান হয়নি।
ভুক্তভোগীর দাবি, এরই ধারাবাহিকতায় গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাগেরহাট জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় সালমা বেগম, তার যমজ দুই শিশু পুত্র হাসান ও হোসাইন, দুই মেয়ে ফাতেমাতুজ্জোহরা বৃষ্টি ও ঋতু আক্তারসহ আরও তিনজন আত্মীয়কে আসামি করা হয়েছে।
সালমা বেগম বলেন, “আমাদের দোকানেই নাকি ডাকাতি করেছি—এমন মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগ করা হয়েছে। আমরা চাই সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির বিচার হোক।”
তার দুই মেয়ে ফাতেমাতুজ্জোহরা বৃষ্টি ও ঋতু আক্তারও একই অভিযোগ করেন। তারা জানান, মামলায় তাদের নাম থাকায় তারা সামাজিকভাবে বিব্রত ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। দুই শিশু সন্তান হাসান ও হোসাইন বলেন, এ ঘটনায় তারা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে মামলার বাদী কাজী আইনুল হকের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চিতলমারী থানার এসআই এএসএম শাকিল নিয়াজ বলেন, “ডাকাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় দোকানঘর দখল বিরোধ ও মামলাকে ঘিরে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্টরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
চিতলমারীতে দোকান দখল বিরোধে ডাকাতি মামলা: নিরীহ পরিবারকে হয়রানির অভিযোগ
আল হাফিজ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের চিতলমারীতে দোকানঘর দখলকে কেন্দ্র করে এক অসহায় পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, দোকান দখলের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছে।
উপজেলার হিজলা গ্রামের হিজলা বাজার এলাকার বাসিন্দা মৃত মো. নুরুল ইসলাম খানের স্ত্রী সালমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি দুই যমজ শিশু সন্তান হাসান ও হোসাইন এবং দুই মেয়েকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরিবারের দখলে থাকা বসতভিটা সংলগ্ন জমিতে থাকা দোকানঘর দখলের চেষ্টা করছেন একই এলাকার কাজী আইনুল হক।
সালমা বেগম জানান, হিজলা মৌজার বিআরএস খতিয়ান নং-৬৫০ এর ২৮২৫ দাগের ২২ শতক জমি তার শ্বশুর আব্দুল হাই খানের নামে রেকর্ডভুক্ত। ওই জমির পাশে সড়ক সংলগ্ন স্থানে তাদের কয়েকটি দোকানঘর রয়েছে। স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি কষ্ট করে সন্তানদের পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ওই দোকানগুলোর ওপর নজর পড়ে স্থানীয় কাজী আইনুল হকের। পরে দখল রেকর্ড নেই এমন ব্যক্তির মাধ্যমে একটি দলিল দেখিয়ে দোকান দখলের চেষ্টা করা হয়। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হলেও সমাধান হয়নি।
ভুক্তভোগীর দাবি, এরই ধারাবাহিকতায় গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাগেরহাট জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় সালমা বেগম, তার যমজ দুই শিশু পুত্র হাসান ও হোসাইন, দুই মেয়ে ফাতেমাতুজ্জোহরা বৃষ্টি ও ঋতু আক্তারসহ আরও তিনজন আত্মীয়কে আসামি করা হয়েছে।
সালমা বেগম বলেন, “আমাদের দোকানেই নাকি ডাকাতি করেছি—এমন মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগ করা হয়েছে। আমরা চাই সুষ্ঠু তদন্ত হোক এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির বিচার হোক।”
তার দুই মেয়ে ফাতেমাতুজ্জোহরা বৃষ্টি ও ঋতু আক্তারও একই অভিযোগ করেন। তারা জানান, মামলায় তাদের নাম থাকায় তারা সামাজিকভাবে বিব্রত ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। দুই শিশু সন্তান হাসান ও হোসাইন বলেন, এ ঘটনায় তারা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে মামলার বাদী কাজী আইনুল হকের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চিতলমারী থানার এসআই এএসএম শাকিল নিয়াজ বলেন, “ডাকাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় দোকানঘর দখল বিরোধ ও মামলাকে ঘিরে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্টরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন