ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

পটুয়াখালীতে গাজী মুনিবুর রহমান নার্সিং কলেজের নির্মানাধীন ভবনে দুর্ঘটনা

পটুয়াখালীতে গাজী মুনিবুর রহমান নার্সিং কলেজের নির্মানাধীন ভবনে দুর্ঘটনা

বীরগঞ্জে ৬২ শিক্ষার্থীকে পবিত্র কুরআন প্রদান ও সবক অনুষ্ঠান

বীরগঞ্জে ৬২ শিক্ষার্থীকে পবিত্র কুরআন প্রদান ও সবক অনুষ্ঠান

ইভটিজিং ও মাদকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান এমপি আশফাকের

ইভটিজিং ও মাদকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান এমপি আশফাকের

মিডিয়াকে ‘কখনো কখনো সন্ত্রাস’ বললেন কুড়িগ্রামের বিএনপি নেতা

মিডিয়াকে ‘কখনো কখনো সন্ত্রাস’ বললেন কুড়িগ্রামের বিএনপি নেতা

রাজৈরে জামায়াতের উদ্যোগে পাঁচ শতাধিক মানুষ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পেলেন।

রাজৈরে জামায়াতের উদ্যোগে পাঁচ শতাধিক মানুষ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পেলেন।

আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের প্রতিবাদে উত্তরায় জাতীয়তাবাদী চালক দলের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল

আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের প্রতিবাদে উত্তরায় জাতীয়তাবাদী চালক দলের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল

শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে হেরোইনসহ দুইজন আটক

শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৯ বিজিবির অভিযানে হেরোইনসহ দুইজন আটক

সিলেটে সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ সম্পন্ন

সিলেটে সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদের বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ সম্পন্ন

মাশরুম চাষে বদলে গেছে শাহাজালালের জীবন, সৃষ্টি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান

মাশরুম চাষে বদলে গেছে শাহাজালালের জীবন, সৃষ্টি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান

মাশরুম চাষে বদলে গেছে শাহাজালালের জীবন, সৃষ্টি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান

এইচ এম রাহুল , ঝিনাইদহ সংবাদদাতা-ইচ্ছাশক্তি, সঠিক দিকনির্দেশনা আর কঠোর পরিশ্রম থাকলে সফলতা যে হাতের নাগালেই থাকে, তার উজ্জ্বল উদাহরণ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৩ নম্বর সাগান্না ইউনিয়নের বাটিকাডাঙ্গা পূর্বপাড়া গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা শাহাজালাল। 

একসময় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলেও নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদনের স্বপ্ন তাকে কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা হওয়ার সাহস জোগায়। উপজেলা সহকারী কৃষি অফিসার রোজিনা পারভিনের পরামর্শ ও উৎসাহে প্রায় চার বছর আগে চাকরি ছেড়ে শুরু করেন মাশরুম চাষ। মাত্র ২০ হাজার টাকার বিনিয়োগে শুরু হওয়া সেই উদ্যোগ আজ পরিণত হয়েছে একটি সফল খামারে। নিজের স্বাবলম্বিতার পাশাপাশি চারজনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে তিনি এখন এলাকার নতুন উদ্যোক্তাদেরও অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছেন।

শাহাজালাল ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাটিকাডাঙ্গা পূর্বপাড়া গ্রামের ফজল জামাদারের ছেলে। উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি প্রথমে মাগুরা জেলায় বেসরকারিভাবে মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এরপর ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে ২০০টি ১ কেজি স্পন প্যাকেট দিয়ে যাত্রা শুরু করেন। পরে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের আওতায় মাগুরা জেলায় ১১ দিনব্যাপী ‘অন দ্য জব’ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আধুনিক প্রযুক্তিতে মাশরুম উৎপাদনের দক্ষতা অর্জন করেন।

বর্তমানে তার খামারে প্রায় ৫ হাজারটি ১ কেজি স্পন প্যাকেট রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতিটি ১ কেজি স্পন প্যাকেট তৈরির জন্য প্রায় ২০ কেজি কাঠের গুঁড়া ও ৪ কেজি গমের আটা নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে জীবাণুমুক্ত করা হয়। এই উপকরণ দিয়ে প্রায় ৬০টি স্পন প্যাকেট প্রস্তুত করা সম্ভব হয়। এরপর প্রতিটি প্যাকেটে একটি করে মাশরুমের বীজ সংযোজন করা হয়। প্রায় এক মাসের মধ্যে উৎপাদন শুরু হয় এবং প্রতিটি ১ কেজি স্পন প্যাকেট থেকে গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম মাশরুম পাওয়া যায়।

বর্তমানে শাহাজালালের উৎপাদিত মাশরুম ঝিনাইদহের স্থানীয় বাজার ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতি মাসে তিনি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার মাশরুম বিক্রি করেন। উৎপাদন ব্যয় বাদ দিয়ে মাসে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ করেন। তিনি পাইকারি প্রতি কেজি ২৫০ টাকা এবং খুচরা প্রতি কেজি ৩০০ টাকায় মাশরুম বিক্রি করেন।

মাশরুম উৎপাদনের পাশাপাশি ব্যবহৃত স্পন প্যাকেটও অপচয় হতে দেন না শাহাজালাল। উৎপাদন শেষে ওই স্পন প্যাকেটগুলো এফওয়াইএম (FYM) পদ্ধতিতে উন্নতমানের জৈব সারে রূপান্তর করা হয়। এই জৈব সার প্রতি কেজি ১০ টাকা এবং প্রতি মণ ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে একই উপকরণ থেকে মাশরুম ও জৈব সার—দুই ধরনের পণ্য উৎপাদন করে অতিরিক্ত আয় করছেন তিনি।

পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থারও দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বর্তমানে তার খামারে স্থায়ীভাবে চারজন কর্মী কাজ করছেন। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এই খামার স্থানীয় অনেক তরুণের কাছেও আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। অনেকেই তার খামার পরিদর্শন করে মাশরুম চাষ সম্পর্কে ধারণা নিচ্ছেন এবং নতুন উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

শাহাজালাল বলেন,মানুষের কাছে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই আমি মাশরুম চাষ শুরু করি। প্রথম দিকে নানা প্রতিকূলতা ছিল। তবে প্রশিক্ষণ, কঠোর পরিশ্রম এবং কৃষি বিভাগের সার্বিক পরামর্শে আজ এই অবস্থানে পৌঁছাতে পেরেছি। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে চাই এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করতে চাই। 

এজন্য ইনোকুলেশন ল্যাব স্থাপনের জন্য একটি ল্যামিনার এয়ার ফ্লো (Laminar Air Flow) এবং জীবাণুমুক্তকরণের জন্য একটি অটোক্লেভ (Autoclave) মেশিন প্রয়োজন। সরকারি সহায়তা পেলে উৎপাদন কয়েকগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি আরও মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যাবে এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে আরও বড় ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

উপজেলা সহকারী কৃষি অফিসার রোজিনা  পারভিন বলেন,শাহাজালাল একজন পরিশ্রমী, মেধাবী ও সম্ভাবনাময় কৃষি উদ্যোক্তা। শুরু থেকেই তাকে নিয়মিত কারিগরি পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি সেই পরামর্শ যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে আজ সফলতা অর্জন করেছেন। 

বর্তমানে তার খামারে উন্নত প্রযুক্তিতে মাশরুম উৎপাদন হচ্ছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয়েছে। প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি ও সরকারি সহযোগিতা পেলে তিনি আরও বৃহৎ পরিসরে উৎপাদন করতে পারবেন এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। 

মাশরুম চাষ নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, পুষ্টি নিশ্চিতকরণ এবং বেকারত্ব দূরীকরণে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি খাত। এ ধরনের উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হলে এ খাত দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মাশরুম চাষে বদলে গেছে শাহাজালালের জীবন, সৃষ্টি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান

প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬

featured Image

মাশরুম চাষে বদলে গেছে শাহাজালালের জীবন, সৃষ্টি হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান

এইচ এম রাহুল , ঝিনাইদহ সংবাদদাতা-ইচ্ছাশক্তি, সঠিক দিকনির্দেশনা আর কঠোর পরিশ্রম থাকলে সফলতা যে হাতের নাগালেই থাকে, তার উজ্জ্বল উদাহরণ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৩ নম্বর সাগান্না ইউনিয়নের বাটিকাডাঙ্গা পূর্বপাড়া গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা শাহাজালাল। 

একসময় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলেও নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদনের স্বপ্ন তাকে কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা হওয়ার সাহস জোগায়। উপজেলা সহকারী কৃষি অফিসার রোজিনা পারভিনের পরামর্শ ও উৎসাহে প্রায় চার বছর আগে চাকরি ছেড়ে শুরু করেন মাশরুম চাষ। মাত্র ২০ হাজার টাকার বিনিয়োগে শুরু হওয়া সেই উদ্যোগ আজ পরিণত হয়েছে একটি সফল খামারে। নিজের স্বাবলম্বিতার পাশাপাশি চারজনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে তিনি এখন এলাকার নতুন উদ্যোক্তাদেরও অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছেন।

শাহাজালাল ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাটিকাডাঙ্গা পূর্বপাড়া গ্রামের ফজল জামাদারের ছেলে। উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি প্রথমে মাগুরা জেলায় বেসরকারিভাবে মাশরুম চাষের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এরপর ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করে ২০০টি ১ কেজি স্পন প্যাকেট দিয়ে যাত্রা শুরু করেন। পরে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের আওতায় মাগুরা জেলায় ১১ দিনব্যাপী ‘অন দ্য জব’ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আধুনিক প্রযুক্তিতে মাশরুম উৎপাদনের দক্ষতা অর্জন করেন।

বর্তমানে তার খামারে প্রায় ৫ হাজারটি ১ কেজি স্পন প্যাকেট রয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতিটি ১ কেজি স্পন প্যাকেট তৈরির জন্য প্রায় ২০ কেজি কাঠের গুঁড়া ও ৪ কেজি গমের আটা নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে জীবাণুমুক্ত করা হয়। এই উপকরণ দিয়ে প্রায় ৬০টি স্পন প্যাকেট প্রস্তুত করা সম্ভব হয়। এরপর প্রতিটি প্যাকেটে একটি করে মাশরুমের বীজ সংযোজন করা হয়। প্রায় এক মাসের মধ্যে উৎপাদন শুরু হয় এবং প্রতিটি ১ কেজি স্পন প্যাকেট থেকে গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম মাশরুম পাওয়া যায়।

বর্তমানে শাহাজালালের উৎপাদিত মাশরুম ঝিনাইদহের স্থানীয় বাজার ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতি মাসে তিনি প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার মাশরুম বিক্রি করেন। উৎপাদন ব্যয় বাদ দিয়ে মাসে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ করেন। তিনি পাইকারি প্রতি কেজি ২৫০ টাকা এবং খুচরা প্রতি কেজি ৩০০ টাকায় মাশরুম বিক্রি করেন।

মাশরুম উৎপাদনের পাশাপাশি ব্যবহৃত স্পন প্যাকেটও অপচয় হতে দেন না শাহাজালাল। উৎপাদন শেষে ওই স্পন প্যাকেটগুলো এফওয়াইএম (FYM) পদ্ধতিতে উন্নতমানের জৈব সারে রূপান্তর করা হয়। এই জৈব সার প্রতি কেজি ১০ টাকা এবং প্রতি মণ ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে একই উপকরণ থেকে মাশরুম ও জৈব সার—দুই ধরনের পণ্য উৎপাদন করে অতিরিক্ত আয় করছেন তিনি।

পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থারও দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। বর্তমানে তার খামারে স্থায়ীভাবে চারজন কর্মী কাজ করছেন। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এই খামার স্থানীয় অনেক তরুণের কাছেও আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। অনেকেই তার খামার পরিদর্শন করে মাশরুম চাষ সম্পর্কে ধারণা নিচ্ছেন এবং নতুন উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

শাহাজালাল বলেন,মানুষের কাছে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই আমি মাশরুম চাষ শুরু করি। প্রথম দিকে নানা প্রতিকূলতা ছিল। তবে প্রশিক্ষণ, কঠোর পরিশ্রম এবং কৃষি বিভাগের সার্বিক পরামর্শে আজ এই অবস্থানে পৌঁছাতে পেরেছি। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে চাই এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করতে চাই। 

এজন্য ইনোকুলেশন ল্যাব স্থাপনের জন্য একটি ল্যামিনার এয়ার ফ্লো (Laminar Air Flow) এবং জীবাণুমুক্তকরণের জন্য একটি অটোক্লেভ (Autoclave) মেশিন প্রয়োজন। সরকারি সহায়তা পেলে উৎপাদন কয়েকগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি আরও মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যাবে এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে আরও বড় ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

উপজেলা সহকারী কৃষি অফিসার রোজিনা  পারভিন বলেন,শাহাজালাল একজন পরিশ্রমী, মেধাবী ও সম্ভাবনাময় কৃষি উদ্যোক্তা। শুরু থেকেই তাকে নিয়মিত কারিগরি পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি সেই পরামর্শ যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে আজ সফলতা অর্জন করেছেন। 

বর্তমানে তার খামারে উন্নত প্রযুক্তিতে মাশরুম উৎপাদন হচ্ছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয়েছে। প্রয়োজনীয় আধুনিক যন্ত্রপাতি ও সরকারি সহযোগিতা পেলে তিনি আরও বৃহৎ পরিসরে উৎপাদন করতে পারবেন এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। 

মাশরুম চাষ নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, পুষ্টি নিশ্চিতকরণ এবং বেকারত্ব দূরীকরণে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি খাত। এ ধরনের উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হলে এ খাত দেশের অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ