মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে,- হর ঘর তেরঙ্গা কর্মসূচি ও পদযাত্রা।
আজ ১০ই আগস্ট সোমবার, ঠিক দুপুর একটায়, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নেতৃত্বে, আকাশবাণী ভবন ও গোষ্ঠ গোপালের মূর্তির সামনে থেকে , হর ঘর তেরঙ্গা কর্মসূচির ও পদযাত্রার সূচনা হলো।
এক সপ্তাহ যাবত এই কর্মসূচি পালন করছেন এবং ঘরে ঘরে তেরঙ্গা পতাকা ওড়ানোর আহ্বান জানান, এই কর্মসূচিতে প্রায় 40 থেকে 50,000 হাজার মানুষ পায়ে পা মেলান জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে, এই কর্মসূচি আকাশবাণী ভবন থেকে শুরু করে গান্ধী মূর্তির সামনে দিয়ে পার্ক স্টীট ও ময়দান হয়ে ভিক্টোরিয়া গেটের সামনে শেষ করেন। বন্দে মাতরম সংগীতের মধ্য দিয়ে পদযাত্রা এগিয়ে চলে।
শুভ সূচনা করেন তিন রঙের বেলুন উড়িয়ে ও জাতীয় সংগীত গেয়ে, পদযাত্রায় বিভিন্ন জেলা থেকে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ এবং স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। বাদ্দী বাজনা সহকারে পদযাত্রা এগিয়ে যায়।
এই পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, মন্ত্রী তাপস রায়, অর্জুন সিং, ইন্দ্রনীল খান, শংকর সিকদার, পূর্ণিমা চক্রবর্তী, তমঘ্ন ঘোষ, রত্না দেবনাথ, সর্বরী মুখার্জি, অনুপম চক্রবর্তী, রুদ্রনীল ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, কৌস্তুভ বাগচী সহ অন্যান্য নেতা ও নেতৃবৃন্দ
এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের একটি অনুষ্ঠান হলো, আগে কোনদিন কোন রাজনৈতিক দল করেনি, এবং যেভাবে এই অনুষ্ঠানে দেশবাসী জাতীয় পতাকা নিয়ে অংশগ্রহণ করেছেন আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ, এছাড়াও মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী যদি কে ঘোষণা করেন ১৫ ই আগস্ট এর দিন সকলে রেড রোডে উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠানকে সফল করে তুলবেন, আর রাখি পূর্ণিমা দিনটি এবারে সরকারিভাবে আরো জোর দেওয়া হবে, ভাইবোনেদের হাতে রাখি পরিয়ে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেবে, সরকারিভাবে ছুটি ঘোষনার কথাও বলেন,
সাংবাদিকদের মুখোমুখি অন্যান্য নেতা-নেত্রীরা হলে, সাংবাদিকদের কিছু প্রশ্নের উত্তরে বলেন, এতদিন অন্য রাজনৈতিক দল এইসব কিছু করতে পারেননি, শুধু সাধারণ মানুষের টাকা মেরেছেন আর দের স্বার্থসিদ্ধি করেছেন, আজ আমাদের তিন মাসের সরকার করে দেখাচ্ছে কোনদিন তা হয়নি, তাই নতুন সরকারকে অনেক কিছু শুনতে হবে, এই ধরনের কাজ করতে গিয়ে, তাতে সরকার বিচলিত নয়, বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নভাবে গন্ডগোল বাঁধিয়ে আমাদের নামে রটাচ্ছে, কিন্তু আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী চুপ করে বসে থাকার মানুষ নয়, সাথে সাথে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন, আমরা এক সপ্তাহ যাবত এই তিরঙ্গা কর্মসূচিতে যেভাবে মানুষের সাড়া পেয়েছি আমরা আপ্লুত আমরা গর্বিত, তবে একটা কথা বলবো যারা দোষ করবে কেউ ছাড়া পাবে না, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী কাউকে ছাড়বে না, কিভাবে ১৫ই আগস্ট কে সবাই মিলে পালন করি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে,- হর ঘর তেরঙ্গা কর্মসূচি ও পদযাত্রা।
আজ ১০ই আগস্ট সোমবার, ঠিক দুপুর একটায়, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নেতৃত্বে, আকাশবাণী ভবন ও গোষ্ঠ গোপালের মূর্তির সামনে থেকে , হর ঘর তেরঙ্গা কর্মসূচির ও পদযাত্রার সূচনা হলো।
এক সপ্তাহ যাবত এই কর্মসূচি পালন করছেন এবং ঘরে ঘরে তেরঙ্গা পতাকা ওড়ানোর আহ্বান জানান, এই কর্মসূচিতে প্রায় 40 থেকে 50,000 হাজার মানুষ পায়ে পা মেলান জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে, এই কর্মসূচি আকাশবাণী ভবন থেকে শুরু করে গান্ধী মূর্তির সামনে দিয়ে পার্ক স্টীট ও ময়দান হয়ে ভিক্টোরিয়া গেটের সামনে শেষ করেন। বন্দে মাতরম সংগীতের মধ্য দিয়ে পদযাত্রা এগিয়ে চলে।
শুভ সূচনা করেন তিন রঙের বেলুন উড়িয়ে ও জাতীয় সংগীত গেয়ে, পদযাত্রায় বিভিন্ন জেলা থেকে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ এবং স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। বাদ্দী বাজনা সহকারে পদযাত্রা এগিয়ে যায়।
এই পদযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, মন্ত্রী তাপস রায়, অর্জুন সিং, ইন্দ্রনীল খান, শংকর সিকদার, পূর্ণিমা চক্রবর্তী, তমঘ্ন ঘোষ, রত্না দেবনাথ, সর্বরী মুখার্জি, অনুপম চক্রবর্তী, রুদ্রনীল ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, কৌস্তুভ বাগচী সহ অন্যান্য নেতা ও নেতৃবৃন্দ
এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের একটি অনুষ্ঠান হলো, আগে কোনদিন কোন রাজনৈতিক দল করেনি, এবং যেভাবে এই অনুষ্ঠানে দেশবাসী জাতীয় পতাকা নিয়ে অংশগ্রহণ করেছেন আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ, এছাড়াও মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী যদি কে ঘোষণা করেন ১৫ ই আগস্ট এর দিন সকলে রেড রোডে উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠানকে সফল করে তুলবেন, আর রাখি পূর্ণিমা দিনটি এবারে সরকারিভাবে আরো জোর দেওয়া হবে, ভাইবোনেদের হাতে রাখি পরিয়ে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেবে, সরকারিভাবে ছুটি ঘোষনার কথাও বলেন,
সাংবাদিকদের মুখোমুখি অন্যান্য নেতা-নেত্রীরা হলে, সাংবাদিকদের কিছু প্রশ্নের উত্তরে বলেন, এতদিন অন্য রাজনৈতিক দল এইসব কিছু করতে পারেননি, শুধু সাধারণ মানুষের টাকা মেরেছেন আর দের স্বার্থসিদ্ধি করেছেন, আজ আমাদের তিন মাসের সরকার করে দেখাচ্ছে কোনদিন তা হয়নি, তাই নতুন সরকারকে অনেক কিছু শুনতে হবে, এই ধরনের কাজ করতে গিয়ে, তাতে সরকার বিচলিত নয়, বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নভাবে গন্ডগোল বাঁধিয়ে আমাদের নামে রটাচ্ছে, কিন্তু আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী চুপ করে বসে থাকার মানুষ নয়, সাথে সাথে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন, আমরা এক সপ্তাহ যাবত এই তিরঙ্গা কর্মসূচিতে যেভাবে মানুষের সাড়া পেয়েছি আমরা আপ্লুত আমরা গর্বিত, তবে একটা কথা বলবো যারা দোষ করবে কেউ ছাড়া পাবে না, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী কাউকে ছাড়বে না, কিভাবে ১৫ই আগস্ট কে সবাই মিলে পালন করি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে।

আপনার মতামত লিখুন