পাকুন্দিয়ায় ৮ জন শিক্ষক, অথচ ৫ পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করেনি
এএসএম হামিদ হাসান কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এক নজিরবিহীন ও হতাশাজনক চিত্র সামনে এসেছে।
সদ্য প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের ফলাফলে দেখা গেছে, বিদ্যালয়টি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পাঁচ শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। ফলে শতভাগ অকৃতকার্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্যে।
জানা যায়, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে মাত্র পাঁচজন ছাত্রী অংশ নিয়েছিলেন। সোমবার পরীক্ষার ফল প্রকাশ হলে জানা যায়,এদের কেউই কৃতকার্য হতে পারেননি।
এদিকে, মাত্র পাঁচজন পরীক্ষার্থীর বিপরীতে বিদ্যালয়ে আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকা নিয়ে ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল। শিক্ষক সংখ্যা বেশি হওয়া সত্ত্বেও এমন বিপর্যয়কর ফলাফল বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান, শ্রেণিকক্ষের পাঠদান এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।
স্থানীয়দের মতে, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ যত্ন ও নজরদারির অভাবেই এই বিপর্যয় ঘটেছে। বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক মো.জাকির প্রথমবার পাঠদানের অনুমতি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও ফলাফলের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেননি।
ফলাফলের এই করুণ হাল নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওমর ফারুক ভূঁইয়া জানান, বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দ্রুতই বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করা হবে এবং এমন লজ্জাজনক ফলাফলের ব্যাখ্যা চেয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে শোকজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
পাকুন্দিয়ায় ৮ জন শিক্ষক, অথচ ৫ পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করেনি
এএসএম হামিদ হাসান কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এক নজিরবিহীন ও হতাশাজনক চিত্র সামনে এসেছে।
সদ্য প্রকাশিত এসএসসি ও সমমানের ফলাফলে দেখা গেছে, বিদ্যালয়টি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পাঁচ শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। ফলে শতভাগ অকৃতকার্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্যে।
জানা যায়, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে মাত্র পাঁচজন ছাত্রী অংশ নিয়েছিলেন। সোমবার পরীক্ষার ফল প্রকাশ হলে জানা যায়,এদের কেউই কৃতকার্য হতে পারেননি।
এদিকে, মাত্র পাঁচজন পরীক্ষার্থীর বিপরীতে বিদ্যালয়ে আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকা নিয়ে ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল। শিক্ষক সংখ্যা বেশি হওয়া সত্ত্বেও এমন বিপর্যয়কর ফলাফল বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান, শ্রেণিকক্ষের পাঠদান এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।
স্থানীয়দের মতে, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ যত্ন ও নজরদারির অভাবেই এই বিপর্যয় ঘটেছে। বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক মো.জাকির প্রথমবার পাঠদানের অনুমতি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও ফলাফলের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেননি।
ফলাফলের এই করুণ হাল নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওমর ফারুক ভূঁইয়া জানান, বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দ্রুতই বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করা হবে এবং এমন লজ্জাজনক ফলাফলের ব্যাখ্যা চেয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে শোকজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন