ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

পীরগাছায় পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

পীরগাছায় পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আসামি করার অভিযোগের প্রতিবাদ চেয়ারম্যানের

সাংবাদিককে হত্যা মামলায় আসামি করার অভিযোগের প্রতিবাদ চেয়ারম্যানের

ইসলামপুরে চরাঞ্চলের মানুষের ভরসা শেখ ওয়াদুদ জনপ্রিয়তায় শীর্ষে প্যানেল চেয়ারম্যান

ইসলামপুরে চরাঞ্চলের মানুষের ভরসা শেখ ওয়াদুদ জনপ্রিয়তায় শীর্ষে প্যানেল চেয়ারম্যান

ডিজেলের দাম বাড়িয়েও সরকারের ৭০ টাকা লোকসান-উত্তরায় বিএনপির সমাবেশে রিজভী

ডিজেলের দাম বাড়িয়েও সরকারের ৭০ টাকা লোকসান-উত্তরায় বিএনপির সমাবেশে রিজভী

আটোয়ারীতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, উপজেলায় প্রথম হলো বার আউলিয়া মাজার শরীফ দাখিল মাদ্রাসা

আটোয়ারীতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, উপজেলায় প্রথম হলো বার আউলিয়া মাজার শরীফ দাখিল মাদ্রাসা

আট বছর পর স্বজনের কাছে ফিরলেন জসিম, সন্ধান মিলল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়

আট বছর পর স্বজনের কাছে ফিরলেন জসিম, সন্ধান মিলল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহযোগিতার পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহযোগিতার পাশাপাশি সাধারণ জনগণকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

কালিয়াকৈরে যৌতুকের টাকার দাবিতে গৃহবধূকে অমানবিক নির্যাতন

কালিয়াকৈরে যৌতুকের টাকার দাবিতে গৃহবধূকে অমানবিক নির্যাতন

দুর্নীতির আতুর ঘর ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস,ঘুষ ছাড়া ধরেন না ফাইল শিক্ষা অফিসার

দুর্নীতির আতুর ঘর ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস,ঘুষ ছাড়া ধরেন না ফাইল শিক্ষা অফিসার

দুর্নীতির আতুর ঘর ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস,ঘুষ ছাড়া ধরেন না ফাইল ’শিক্ষা অফিসার

মোঃ মশিউর রহমান বিপুল কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ০৩ জুলাই ২৬ ইং। কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আখতারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ ছাড়া ফাইল পাস না করা, সরকারি বরাদ্দের অর্থ আটকে রাখা, উৎকোচ দাবি এবং বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ এনে উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কুড়িগ্রাম-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থবছরে স্লিপ (School Level Improvement Plan-SLIP) প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ১১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য বিদ্যালয়ভেদে ১৫ হাজার থেকে ২২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ২০ শতাংশ ভ্যাট কর্তনের পর প্রতিটি বিদ্যালয়ের ১২ হাজার থেকে ১৯ হাজার টাকা পাওয়ার কথা থাকলেও অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আখতারুল ইসলাম বরাদ্দের সমুদয় অর্থ উত্তোলন করে নিজ অ্যাকাউন্টে জমা করেন। পরে বিদ্যালয়প্রতি এক হাজার ৪০০ টাকা উৎকোচ নিয়ে মাত্র ২৮ থেকে ৩০টি বিদ্যালয়ে অর্থ প্রদান করা হয়। উৎকোচ না দেওয়ায় বাকি বিদ্যালয়গুলোর বরাদ্দের অর্থ আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির জন্য বিদ্যালয়প্রতি ৭ হাজার ৬০০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও বিদ্যালয়প্রতি ৫০০ টাকা উৎকোচ নিয়ে চেক প্রদান করা হয়েছে। উৎকোচ না দেওয়ায় প্রায় ৩০টি বিদ্যালয় এখনও তাদের প্রাপ্য অর্থ পায়নি।

এছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য উপজেলার আটটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেড় লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই অর্থ উত্তোলন করে নিজ অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হয় এবং বিদ্যালয়প্রতি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা উৎকোচ দাবি করা হয়। উৎকোচ না দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলো এখনও বরাদ্দের অর্থ থেকে বঞ্চিত রয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত ভোটহাট ও দক্ষিণ চর-ভূরুঙ্গামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেরামতের জন্য এক লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে কোনো অর্থ প্রদান না করে পুরো টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

একই সঙ্গে উপজেলার ৩৯ জন নৈশপ্রহরীর বেতন বাবদ দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও মাত্র দুই থেকে তিনজনকে বেতন দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। উৎকোচের বিনিময়ে কয়েকজনকে বেতন প্রদান করা হলেও অধিকাংশ নৈশপ্রহরী উৎকোচ না দেওয়ায় তাদের বেতনের অর্থ ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রধান শিক্ষক জানান, প্রয়োজনীয় ভাউচার জমা দেওয়ার পরও নানা অজুহাতে তাদের ফাইল আটকে রাখা হয়। পরে যারা ঘুষ বা উৎকোচ দিয়েছেন, তাদের ফাইল নিষ্পত্তি করে বরাদ্দের অর্থ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসের কর্মচারী আবুল কালাম আজাদের মাধ্যমে যোগাযোগ করেছেন—এমন বিদ্যালয়গুলোই বরাদ্দের অর্থ পেয়েছে।

এদিকে অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আখতারুল ইসলাম রংপুর থেকে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সপ্তাহে সোম, মঙ্গল ও বুধবার অফিসে উপস্থিত থাকেন। ফলে বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে উপজেলা শিক্ষা অফিসে আসা শিক্ষকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আখতারুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তিনি ফোন কেটে দেন। পরে আর তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় চৌধুরী বলেন, “আমি উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে দ্রুত অফিসে পাঠাচ্ছি। স্লিপের টাকা ও ভোটকেন্দ্র মেরামতের বরাদ্দ দ্রুত বিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কুড়িগ্রাম-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, “আমি হোয়াটসঅ্যাপে এ ধরনের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


দুর্নীতির আতুর ঘর ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস,ঘুষ ছাড়া ধরেন না ফাইল শিক্ষা অফিসার

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

দুর্নীতির আতুর ঘর ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস,ঘুষ ছাড়া ধরেন না ফাইল ’শিক্ষা অফিসার

মোঃ মশিউর রহমান বিপুল কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ০৩ জুলাই ২৬ ইং। কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আখতারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ ছাড়া ফাইল পাস না করা, সরকারি বরাদ্দের অর্থ আটকে রাখা, উৎকোচ দাবি এবং বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ এনে উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কুড়িগ্রাম-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থবছরে স্লিপ (School Level Improvement Plan-SLIP) প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ১১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য বিদ্যালয়ভেদে ১৫ হাজার থেকে ২২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ২০ শতাংশ ভ্যাট কর্তনের পর প্রতিটি বিদ্যালয়ের ১২ হাজার থেকে ১৯ হাজার টাকা পাওয়ার কথা থাকলেও অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আখতারুল ইসলাম বরাদ্দের সমুদয় অর্থ উত্তোলন করে নিজ অ্যাকাউন্টে জমা করেন। পরে বিদ্যালয়প্রতি এক হাজার ৪০০ টাকা উৎকোচ নিয়ে মাত্র ২৮ থেকে ৩০টি বিদ্যালয়ে অর্থ প্রদান করা হয়। উৎকোচ না দেওয়ায় বাকি বিদ্যালয়গুলোর বরাদ্দের অর্থ আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির জন্য বিদ্যালয়প্রতি ৭ হাজার ৬০০ টাকা বরাদ্দ থাকলেও বিদ্যালয়প্রতি ৫০০ টাকা উৎকোচ নিয়ে চেক প্রদান করা হয়েছে। উৎকোচ না দেওয়ায় প্রায় ৩০টি বিদ্যালয় এখনও তাদের প্রাপ্য অর্থ পায়নি।

এছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য উপজেলার আটটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দেড় লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই অর্থ উত্তোলন করে নিজ অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হয় এবং বিদ্যালয়প্রতি ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা উৎকোচ দাবি করা হয়। উৎকোচ না দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলো এখনও বরাদ্দের অর্থ থেকে বঞ্চিত রয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত ভোটহাট ও দক্ষিণ চর-ভূরুঙ্গামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেরামতের জন্য এক লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে কোনো অর্থ প্রদান না করে পুরো টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

একই সঙ্গে উপজেলার ৩৯ জন নৈশপ্রহরীর বেতন বাবদ দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও মাত্র দুই থেকে তিনজনকে বেতন দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। উৎকোচের বিনিময়ে কয়েকজনকে বেতন প্রদান করা হলেও অধিকাংশ নৈশপ্রহরী উৎকোচ না দেওয়ায় তাদের বেতনের অর্থ ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রধান শিক্ষক জানান, প্রয়োজনীয় ভাউচার জমা দেওয়ার পরও নানা অজুহাতে তাদের ফাইল আটকে রাখা হয়। পরে যারা ঘুষ বা উৎকোচ দিয়েছেন, তাদের ফাইল নিষ্পত্তি করে বরাদ্দের অর্থ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসের কর্মচারী আবুল কালাম আজাদের মাধ্যমে যোগাযোগ করেছেন—এমন বিদ্যালয়গুলোই বরাদ্দের অর্থ পেয়েছে।

এদিকে অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আখতারুল ইসলাম রংপুর থেকে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সপ্তাহে সোম, মঙ্গল ও বুধবার অফিসে উপস্থিত থাকেন। ফলে বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে উপজেলা শিক্ষা অফিসে আসা শিক্ষকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আখতারুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তিনি ফোন কেটে দেন। পরে আর তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় চৌধুরী বলেন, “আমি উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে দ্রুত অফিসে পাঠাচ্ছি। স্লিপের টাকা ও ভোটকেন্দ্র মেরামতের বরাদ্দ দ্রুত বিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কুড়িগ্রাম-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, “আমি হোয়াটসঅ্যাপে এ ধরনের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ