ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

বাদিয়াখালীর বাটকামারী বিলে খাল খন হয়নি, পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় বিপাকে কৃষক

বাদিয়াখালীর বাটকামারী বিলে খাল খন হয়নি, পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় বিপাকে কৃষক

বাদিয়াখালীর বাটকামারী বিলে খাল খন হয়নি, পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় বিপাকে কৃষক

মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা স্টাফ রিপোর্টার:- গাইবান্ধা জেলার সব ইউনিয়নে খাল খন কার্যক্রম বাস্তবায়ন হলেও উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের বাটকামারী বিল এলাকায় তা কার্যকর হয়নি। ফলে জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশনের অভাবে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিলের পানি বের হওয়ার কোনো সুষ্ঠু ব্যবস্থা নেই। একমাত্র যে নালাটি রয়েছে সেটিও ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে আছে। অভিযোগ উঠেছে, কাগজ-কলমে নালাটির দৈর্ঘ্য ২১ রিং হলেও দীর্ঘদিন ধরে সেটি ভূমিদস্যুদের দখলে।

কৃষকরা জানান, প্রতি বছর বর্ষায় বাটকামারী বিলের ফসলি জমিতে পানি আটকে থাকে। নালা সংস্কার না হওয়ায় আমন ও বোরো দুই ফসলই মার খাচ্ছে। সময়মতো পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় উৎপাদন খরচ বাড়ছে, কিন্তু ফলন কমে যাচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নালাটি অবৈধ দখলমুক্ত করে পূর্ণ সংস্কার করা না হলে আগামী মৌসুমেও কৃষকদের বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হবে। এ বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে নালা উদ্ধার করে খন কাজ সম্পন্ন করার জোর দাবি জানিয়েছেন বাদিয়াখালী ইউনিয়নের ভুক্তভোগী কৃষকরা।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬


বাদিয়াখালীর বাটকামারী বিলে খাল খন হয়নি, পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় বিপাকে কৃষক

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

বাদিয়াখালীর বাটকামারী বিলে খাল খন হয়নি, পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় বিপাকে কৃষক

মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা স্টাফ রিপোর্টার:- গাইবান্ধা জেলার সব ইউনিয়নে খাল খন কার্যক্রম বাস্তবায়ন হলেও উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়নের বাটকামারী বিল এলাকায় তা কার্যকর হয়নি। ফলে জলাবদ্ধতা ও পানি নিষ্কাশনের অভাবে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিলের পানি বের হওয়ার কোনো সুষ্ঠু ব্যবস্থা নেই। একমাত্র যে নালাটি রয়েছে সেটিও ময়লা-আবর্জনায় ভরাট হয়ে আছে। অভিযোগ উঠেছে, কাগজ-কলমে নালাটির দৈর্ঘ্য ২১ রিং হলেও দীর্ঘদিন ধরে সেটি ভূমিদস্যুদের দখলে।

কৃষকরা জানান, প্রতি বছর বর্ষায় বাটকামারী বিলের ফসলি জমিতে পানি আটকে থাকে। নালা সংস্কার না হওয়ায় আমন ও বোরো দুই ফসলই মার খাচ্ছে। সময়মতো পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় উৎপাদন খরচ বাড়ছে, কিন্তু ফলন কমে যাচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নালাটি অবৈধ দখলমুক্ত করে পূর্ণ সংস্কার করা না হলে আগামী মৌসুমেও কৃষকদের বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হবে। এ বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে নালা উদ্ধার করে খন কাজ সম্পন্ন করার জোর দাবি জানিয়েছেন বাদিয়াখালী ইউনিয়নের ভুক্তভোগী কৃষকরা।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ