ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

সোনাই নদী থেকে কোটি কোটি টাকার অবৈধ বালু লুট হুমকির মুখে রাবার ড্যাম,ও বিলুপ্তির পথে কয়েকটি গ্রাম'

সোনাই নদী থেকে কোটি কোটি টাকার অবৈধ বালু লুট হুমকির মুখে রাবার ড্যাম,ও বিলুপ্তির পথে কয়েকটি গ্রাম'

চার নম্বর ডেকারস লেনের একটি তিনতলা বাড়ির অর্ধেক অংশ হুড় মুড়িয়ে ভেঙে পড়লো।

চার নম্বর ডেকারস লেনের একটি তিনতলা বাড়ির অর্ধেক অংশ হুড় মুড়িয়ে ভেঙে পড়লো।

অসুস্থ প্রবীণ কর্মীর পাশে সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার, খোঁজখবর ও সমবেদনা

অসুস্থ প্রবীণ কর্মীর পাশে সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার, খোঁজখবর ও সমবেদনা

জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাদক বিরোধী সুধী সমাবেশ ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত।

জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাদক বিরোধী সুধী সমাবেশ ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত।

কাগজে-কলমে ৩০০ শিক্ষার্থী, বাস্তবে ফাঁকা শ্রেণিকক্ষ

কাগজে-কলমে ৩০০ শিক্ষার্থী, বাস্তবে ফাঁকা শ্রেণিকক্ষ

সোশ্যাল মিডিয়ার গুজব প্রতিরোধে শুধু টেকনিক্যালি নয় সামাজিক সচেতনতাও বৃদ্ধি করতে হবে, বিটিআরসি চেয়ারম্যান

সোশ্যাল মিডিয়ার গুজব প্রতিরোধে শুধু টেকনিক্যালি নয় সামাজিক সচেতনতাও বৃদ্ধি করতে হবে, বিটিআরসি চেয়ারম্যান

আখাউড়ায় খাসির মাংস না পেয়ে বিয়ে ভেঙে দিলেন জাপান প্রবাসী যুবক।

আখাউড়ায় খাসির মাংস না পেয়ে বিয়ে ভেঙে দিলেন জাপান প্রবাসী যুবক।

গফরগাঁওযের দাখিল মাদ্রাসা শিক্ষক মনজুরুল ইসলাম  শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

গফরগাঁওযের দাখিল মাদ্রাসা শিক্ষক মনজুরুল ইসলাম শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

সাঁওতাল শিশুদের বিদ্যালয়ে ভর্তি না করার অভিযোগ

সাঁওতাল শিশুদের বিদ্যালয়ে ভর্তি না করার অভিযোগ

সাঁওতাল শিশুদের বিদ্যালয়ে ভর্তি না করার অভিযোগ 

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:- মোহনপুরে সাঁওতাল শিশুদের বিদ্যালয়ে ভর্তি না করার অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন । রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাঁওতাল (আদিবাসী) সম্প্রদায়ের কয়েকটি শিশুকে ভর্তি না করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার রায়ঘাটি গ্রামের কয়েকজন সাঁওতাল অভিভাবক। তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সব শিশুর জন্য সমানভাবে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

অভিভাবকদের অভিযোগ, সন্তানদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে একাধিকবার বিদ্যালয়ে গেলেও বিভিন্ন অজুহাতে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এতে শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শুরু করাই অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে দাবি তাদের।

তবে এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন কেশরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি বলেন, “আমাদের বিদ্যালয়ে বর্তমানে দুইজন আদিবাসী শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। আদিবাসী হওয়ায় কাউকে ভর্তি না দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।

ঘটনার বিষয়ে মোহনপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, অভিযোগটি আগে তাদের নজরে আসেনি। বিষয়টি জানার পর প্রয়োজনীয় তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একই বিষয়ে মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহিমা বিনতে আখতার বলেন, “অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে কেশরহাট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষা সবার মৌলিক অধিকার। ধর্ম, বর্ণ বা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো শিশুকে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা সংবিধান ও রাষ্ট্রের নীতির পরিপন্থী। এ ধরনের বৈষম্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা হোক। সকল  শিশুর পড়ালেখা করা, স্কুলে ভর্তির সমান সুযোগ আছে ।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


সাঁওতাল শিশুদের বিদ্যালয়ে ভর্তি না করার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

সাঁওতাল শিশুদের বিদ্যালয়ে ভর্তি না করার অভিযোগ 

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি:- মোহনপুরে সাঁওতাল শিশুদের বিদ্যালয়ে ভর্তি না করার অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন । রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাঁওতাল (আদিবাসী) সম্প্রদায়ের কয়েকটি শিশুকে ভর্তি না করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার রায়ঘাটি গ্রামের কয়েকজন সাঁওতাল অভিভাবক। তারা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সব শিশুর জন্য সমানভাবে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

অভিভাবকদের অভিযোগ, সন্তানদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করাতে একাধিকবার বিদ্যালয়ে গেলেও বিভিন্ন অজুহাতে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এতে শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শুরু করাই অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে দাবি তাদের।

তবে এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন কেশরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি বলেন, “আমাদের বিদ্যালয়ে বর্তমানে দুইজন আদিবাসী শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। আদিবাসী হওয়ায় কাউকে ভর্তি না দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।

ঘটনার বিষয়ে মোহনপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, অভিযোগটি আগে তাদের নজরে আসেনি। বিষয়টি জানার পর প্রয়োজনীয় তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একই বিষয়ে মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহিমা বিনতে আখতার বলেন, “অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে কেশরহাট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বলেন, “প্রাথমিক শিক্ষা সবার মৌলিক অধিকার। ধর্ম, বর্ণ বা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো শিশুকে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা সংবিধান ও রাষ্ট্রের নীতির পরিপন্থী। এ ধরনের বৈষম্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”

স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা হোক। সকল  শিশুর পড়ালেখা করা, স্কুলে ভর্তির সমান সুযোগ আছে ।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ