আদালতের নির্দেশে উদ্ধার হলো দখলকৃত জমি, প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হলো দখল
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি | সঞ্জু বনিক সৌরভ:- পঞ্চগড়, ১৫ জুলাই ২০২৬: পঞ্চগড়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) দখলে থাকা একটি জমি আদালতের নির্দেশে উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পুলিশি নিরাপত্তায়, ঢোল পিটিয়ে এবং লাল পতাকা টানিয়ে জমিটির দখল হস্তান্তর করা হয়।
আদালত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওই জমিতে একটি আবহাওয়া তথ্য বোর্ড স্থাপন করে। এ সময় জমির মালিক মো. কালাম বাধা দিলে তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা করা হয় এবং পরবর্তীতে তাঁকে কিছুদিন কারাগারেও থাকতে হয়।
দীর্ঘ প্রায় চার বছর আইনি লড়াইয়ের পর আদালত জমিটির প্রকৃত মালিকের পক্ষে রায় দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দখল বুঝিয়ে দেওয়ার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
ভুক্তভোগী মো. কালাম জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার জমিটি অধিগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি আদালতের রায়ের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আইনের মাধ্যমেই তিনি তাঁর ন্যায্য অধিকার ফিরে পেয়েছেন।
এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আব্দুল মতিনের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি অফিসের কাজে বাইরে থাকায় তাঁর মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
আদালতের নির্দেশে উদ্ধার হলো দখলকৃত জমি, প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হলো দখল
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি | সঞ্জু বনিক সৌরভ:- পঞ্চগড়, ১৫ জুলাই ২০২৬: পঞ্চগড়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) দখলে থাকা একটি জমি আদালতের নির্দেশে উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পুলিশি নিরাপত্তায়, ঢোল পিটিয়ে এবং লাল পতাকা টানিয়ে জমিটির দখল হস্তান্তর করা হয়।
আদালত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওই জমিতে একটি আবহাওয়া তথ্য বোর্ড স্থাপন করে। এ সময় জমির মালিক মো. কালাম বাধা দিলে তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মামলা করা হয় এবং পরবর্তীতে তাঁকে কিছুদিন কারাগারেও থাকতে হয়।
দীর্ঘ প্রায় চার বছর আইনি লড়াইয়ের পর আদালত জমিটির প্রকৃত মালিকের পক্ষে রায় দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দখল বুঝিয়ে দেওয়ার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
ভুক্তভোগী মো. কালাম জানান, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার জমিটি অধিগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি আদালতের রায়ের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আইনের মাধ্যমেই তিনি তাঁর ন্যায্য অধিকার ফিরে পেয়েছেন।
এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আব্দুল মতিনের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি অফিসের কাজে বাইরে থাকায় তাঁর মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন