সাইবার স্পেসে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর আইন: মৃত্যুদণ্ডের বিধান, নারায়ণগঞ্জে জুনে ৮৪টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা
বিশেষ প্রতিনিধি:মোঃ ফারুক দেওয়ান। মাদকের বিস্তার রোধে সরকার আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। জাতীয় সংসদে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে। নতুন আইনে সাইবার স্পেস ব্যবহার করে মাদক কেনাবেচা, সরবরাহ ও লেনদেনের মতো অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রাখার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর মাদক অপরাধ দমনে দেশের প্রতিটি থানায় মাদক-সংক্রান্ত মামলার জন্য পৃথক সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি জানান, জুন মাসে নারায়ণগঞ্জ জেলায় ৮৪টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে, যেখানে মাদক সেবনকারী, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযানে বিভিন্ন ব্যক্তিকে কারাদণ্ড, জরিমানা এবং মামলা দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ নয়, মাদক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য যৌথ বাহিনী সার্বক্ষণিক মাঠে থেকে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদকের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তি বা চক্রের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির সকল নাগরিককে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি নিরাপদ, সুস্থ ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
সাইবার স্পেসে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর আইন: মৃত্যুদণ্ডের বিধান, নারায়ণগঞ্জে জুনে ৮৪টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা
বিশেষ প্রতিনিধি:মোঃ ফারুক দেওয়ান। মাদকের বিস্তার রোধে সরকার আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে। জাতীয় সংসদে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে। নতুন আইনে সাইবার স্পেস ব্যবহার করে মাদক কেনাবেচা, সরবরাহ ও লেনদেনের মতো অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রাখার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর মাদক অপরাধ দমনে দেশের প্রতিটি থানায় মাদক-সংক্রান্ত মামলার জন্য পৃথক সেল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি জানান, জুন মাসে নারায়ণগঞ্জ জেলায় ৮৪টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে, যেখানে মাদক সেবনকারী, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযানে বিভিন্ন ব্যক্তিকে কারাদণ্ড, জরিমানা এবং মামলা দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ নয়, মাদক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য যৌথ বাহিনী সার্বক্ষণিক মাঠে থেকে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদকের সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তি বা চক্রের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির সকল নাগরিককে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি। পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি নিরাপদ, সুস্থ ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন