ইসকনের ৫৫ তম রথ যাত্রার প্রস্তুতি ও তোর জোর- অন্যদিকে প্রতিটি মার্কেটে রথের কেনাবেচা।
আজ ১৫ ই জুলাই বুধবার, রাত পোহালেই শুরু হয়ে যাবে, কলকাতা ইসকনের ৫৫ তম রথ যাত্রার শুভ সূচনা ও মেলা, তাই চলছে পুরোদমে মেলা প্রাঙ্গণে কাজের তোড়জোড়, বৃষ্টির মধ্যেও চেষ্টা চালাচ্ছেন আজকের মধ্যে কাজ শেষ করার। ঘন ঘন বৃষ্টি হওয়ার ফলে অনেকটাই বাধা প্রাপ্ত হচ্ছেন ডেকোরেটার্সের লোকেদের। প্যান্ডেল ও মন্দির এর কাজ থমকে যাচ্ছে।
প্রতিবছর পার্ক স্ট্রিটের এই সেনাবাহিনীর মাঠে, ইসকনের মেলা হয়। এখানে সাত দিন ধরে চলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ভোগ বিতরণ নাচ গান এবং ভক্তদের আনাগোনা, আগামীকাল জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা, রথে চেপে এই মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করবেন, কিন্তু বৃষ্টিতে মেলা প্রাঙ্গণের চতুর্দিকে জল জমে রয়েছে, দুটো ভক্তবৃন্দরা চিন্তিত।
অন্যান্য বছরের ন্যায় এই বছর প্যান্ডেল ও মন্দির তৈরীর কাজ শেষ করতে পারেননি। অন্যান্য বছরগুলিতে আজকের দিনে মেলার শুভ সূচনা হয়ে যায়, আরেকটি বিশেষ ২০ লক্ষ্য করা গেলো, এবারে প্যান্ডেলের কাজও হচ্ছে গেরুয়া, সারা প্যান্ডেল জুড়ে গেরুয়া কাপড়ে ঢেকে গিয়েছে। ইহা কোন বৎসর এমনটা হয় না। আজকের বিভিন্ন দেশ ও জেলা থেকে ভক্তরা এসে উপস্থিত হচ্ছেন ইসকন মন্দির ও মেলা প্রাঙ্গনে।।
আবার অন্যদিকে ক্যামেরায় ধরা পরল, জগন্নাথ দেব কৃষ্ণ রূপে তৈরি হয়েছেন, তাহার সৌন্দর্য হয়ে উঠেছে সকলের কাছে, কুমারটুলি পাড়ায় শ্রী রাম মৃৎশিল্পীর হাতের তৈরি সেই জগন্নাথ ধরা পড়ল।
এছাড়াও বিভিন্ন মার্কেটে সুন্দর সুন্দর রথ সাজিয়ে বিক্রেতারা বসে, ক্রেতারাও ভীর জমাচ্ছেন সেই সকল রথ কেনার জন্য, তবে অন্যান্য বৎসর এই ধরনের রথ চোখে পড়ে না, এই বছর চোখে পড়লো, সুন্দর গৌড় নিতাই ও জগন্নাথের ছবি দিয়ে রথ গুলি তৈরি হয়েছে। আবার কয়েকটি বেতের রথও দোকানে দোকানে সাজানো রয়েছে, যত বিকেল গড়িয়া আসছে ভিড় তত জমতে দেখা যায়।
তবে বিভিন্ন রকম রথের বিভিন্ন দাম, ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৬০০ টাকা হাজার টাকা বারোশো টাকা পনেরশো টাকা ও তার ঊর্ধ্বে রথ রয়েছে, সেই রকম এক একটি মডেলের জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা দামো আলাদা আলাদা, আগামীকাল এই রথ গুলি সাজিয়ে বেরোবে রাস্তায় রাস্তায়, আর কলকাতা ইসকনের মতো সারা দেশ জুড়ে রথ যাত্রা পালিত হবে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
ইসকনের ৫৫ তম রথ যাত্রার প্রস্তুতি ও তোর জোর- অন্যদিকে প্রতিটি মার্কেটে রথের কেনাবেচা।
আজ ১৫ ই জুলাই বুধবার, রাত পোহালেই শুরু হয়ে যাবে, কলকাতা ইসকনের ৫৫ তম রথ যাত্রার শুভ সূচনা ও মেলা, তাই চলছে পুরোদমে মেলা প্রাঙ্গণে কাজের তোড়জোড়, বৃষ্টির মধ্যেও চেষ্টা চালাচ্ছেন আজকের মধ্যে কাজ শেষ করার। ঘন ঘন বৃষ্টি হওয়ার ফলে অনেকটাই বাধা প্রাপ্ত হচ্ছেন ডেকোরেটার্সের লোকেদের। প্যান্ডেল ও মন্দির এর কাজ থমকে যাচ্ছে।
প্রতিবছর পার্ক স্ট্রিটের এই সেনাবাহিনীর মাঠে, ইসকনের মেলা হয়। এখানে সাত দিন ধরে চলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ভোগ বিতরণ নাচ গান এবং ভক্তদের আনাগোনা, আগামীকাল জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা, রথে চেপে এই মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করবেন, কিন্তু বৃষ্টিতে মেলা প্রাঙ্গণের চতুর্দিকে জল জমে রয়েছে, দুটো ভক্তবৃন্দরা চিন্তিত।
অন্যান্য বছরের ন্যায় এই বছর প্যান্ডেল ও মন্দির তৈরীর কাজ শেষ করতে পারেননি। অন্যান্য বছরগুলিতে আজকের দিনে মেলার শুভ সূচনা হয়ে যায়, আরেকটি বিশেষ ২০ লক্ষ্য করা গেলো, এবারে প্যান্ডেলের কাজও হচ্ছে গেরুয়া, সারা প্যান্ডেল জুড়ে গেরুয়া কাপড়ে ঢেকে গিয়েছে। ইহা কোন বৎসর এমনটা হয় না। আজকের বিভিন্ন দেশ ও জেলা থেকে ভক্তরা এসে উপস্থিত হচ্ছেন ইসকন মন্দির ও মেলা প্রাঙ্গনে।।
আবার অন্যদিকে ক্যামেরায় ধরা পরল, জগন্নাথ দেব কৃষ্ণ রূপে তৈরি হয়েছেন, তাহার সৌন্দর্য হয়ে উঠেছে সকলের কাছে, কুমারটুলি পাড়ায় শ্রী রাম মৃৎশিল্পীর হাতের তৈরি সেই জগন্নাথ ধরা পড়ল।
এছাড়াও বিভিন্ন মার্কেটে সুন্দর সুন্দর রথ সাজিয়ে বিক্রেতারা বসে, ক্রেতারাও ভীর জমাচ্ছেন সেই সকল রথ কেনার জন্য, তবে অন্যান্য বৎসর এই ধরনের রথ চোখে পড়ে না, এই বছর চোখে পড়লো, সুন্দর গৌড় নিতাই ও জগন্নাথের ছবি দিয়ে রথ গুলি তৈরি হয়েছে। আবার কয়েকটি বেতের রথও দোকানে দোকানে সাজানো রয়েছে, যত বিকেল গড়িয়া আসছে ভিড় তত জমতে দেখা যায়।
তবে বিভিন্ন রকম রথের বিভিন্ন দাম, ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৬০০ টাকা হাজার টাকা বারোশো টাকা পনেরশো টাকা ও তার ঊর্ধ্বে রথ রয়েছে, সেই রকম এক একটি মডেলের জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রা দামো আলাদা আলাদা, আগামীকাল এই রথ গুলি সাজিয়ে বেরোবে রাস্তায় রাস্তায়, আর কলকাতা ইসকনের মতো সারা দেশ জুড়ে রথ যাত্রা পালিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন