কটিয়াদীতে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে বর্ণাঢ্য কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
এ.এস.এম হামিদ হাসান কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:- গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এবং যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বর্ণাঢ্য কাবাডি প্রতিযোগিতা।
সবাই মিলে খেলা করি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ বিকেলে কটিয়াদী পৌরসভার বেথইর আনন্দবাজার মাঠে ডিএই কৃষক দলের উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। গ্রামীণ এই ঐতিহ্যবাহী খেলা দেখতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত দর্শক মাঠে ভিড় করেন। দর্শকদের তুমুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় পুরো মাঠ জুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
ছাত্রনেতা কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রইছ মাহমুদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ মাহমুদুল ইসলাম। প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করেন অ্যাডভোকেট ওমর জাকির বাবুল।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন এম এ ইউসুফ, প্রধান শিক্ষক,জামাল উদ্দিন, যুবদল নেতা হাইকুল ইসলাম লিটন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা।
রাজীব খান, ছাত্রদল নেতা আফজল হোসেন জুয়েল,পৌর মেয়র পদপ্রার্থী,আলী হোসেন,সাবেক কমিশনার,রফিকুল ইসলাম বিপুল, ইউপি সদস্য, মুর্শিদ ও জাহাঙ্গীর মিয়া, ইউপি মেম্বার পদপ্রার্থী। এছাড়াও এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতার বিবরণ ও পুরস্কারআয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই প্রতিযোগিতায় মোট ৫০ জন খেলোয়াড় অংশ নেন। সারা বিকেলজুড়ে রুদ্ধশ্বাস ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা শেষে সেরা পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ১০ জন খেলোয়াড়কে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
পুরস্কার হিসেবে অত্যন্ত আকর্ষণীয় উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়: প্রথম পুরস্কার: একটি রেফ্রিজারেটরদ্বিতীয় পুরস্কার: একটি ২৪ ইঞ্চি এলইডি টেলিভিশন,তৃতীয় পুরস্কার: একটি স্মার্টফোন।
এছাড়াও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বাকি খেলোয়াড়দেরও বিশেষ উৎসাহমূলক সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করা হয়।
পুরস্কার বিতরণী পর্বে অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর সময়ে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। কাবাডির মতো দেশীয় খেলাকে বাঁচিয়ে রাখতে সমাজের সব শ্রেণির মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। খেলাধুলা যুবসমাজকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আয়োজকরা জানান, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও তাদের এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
কটিয়াদীতে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে বর্ণাঢ্য কাবাডি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
এ.এস.এম হামিদ হাসান কটিয়াদী(কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:- গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এবং যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বর্ণাঢ্য কাবাডি প্রতিযোগিতা।
সবাই মিলে খেলা করি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ বিকেলে কটিয়াদী পৌরসভার বেথইর আনন্দবাজার মাঠে ডিএই কৃষক দলের উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। গ্রামীণ এই ঐতিহ্যবাহী খেলা দেখতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত দর্শক মাঠে ভিড় করেন। দর্শকদের তুমুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় পুরো মাঠ জুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
ছাত্রনেতা কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রইছ মাহমুদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ মাহমুদুল ইসলাম। প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করেন অ্যাডভোকেট ওমর জাকির বাবুল।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন এম এ ইউসুফ, প্রধান শিক্ষক,জামাল উদ্দিন, যুবদল নেতা হাইকুল ইসলাম লিটন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা।
রাজীব খান, ছাত্রদল নেতা আফজল হোসেন জুয়েল,পৌর মেয়র পদপ্রার্থী,আলী হোসেন,সাবেক কমিশনার,রফিকুল ইসলাম বিপুল, ইউপি সদস্য, মুর্শিদ ও জাহাঙ্গীর মিয়া, ইউপি মেম্বার পদপ্রার্থী। এছাড়াও এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতার বিবরণ ও পুরস্কারআয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই প্রতিযোগিতায় মোট ৫০ জন খেলোয়াড় অংশ নেন। সারা বিকেলজুড়ে রুদ্ধশ্বাস ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা শেষে সেরা পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ১০ জন খেলোয়াড়কে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
পুরস্কার হিসেবে অত্যন্ত আকর্ষণীয় উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়: প্রথম পুরস্কার: একটি রেফ্রিজারেটরদ্বিতীয় পুরস্কার: একটি ২৪ ইঞ্চি এলইডি টেলিভিশন,তৃতীয় পুরস্কার: একটি স্মার্টফোন।
এছাড়াও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বাকি খেলোয়াড়দেরও বিশেষ উৎসাহমূলক সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করা হয়।
পুরস্কার বিতরণী পর্বে অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর সময়ে গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। কাবাডির মতো দেশীয় খেলাকে বাঁচিয়ে রাখতে সমাজের সব শ্রেণির মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। খেলাধুলা যুবসমাজকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আয়োজকরা জানান, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও তাদের এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন