পঞ্চগড় রেলস্টেশনে ৪০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, লাইসেন্সে অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের
পঞ্চগড়, ২২ জুলাই ২০২৬: পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অবৈধ দখলমুক্ত করতে অভিযান চালিয়ে ৪০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূসম্পত্তি বিভাগ। অভিযানের পর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের একাংশ অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়মে লাইসেন্স পাওয়ার পরিবর্তে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করায় তারা লাইসেন্স নিতে পারেননি। তবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বাংলাদেশ রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মঞ্জুর হোসেনের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় রেলওয়ে স্টেশনসংলগ্ন ছোট-বড় দোকান, ঘরবাড়ি ও অন্যান্য অননুমোদিত স্থাপনাসহ মোট ৪০টি স্থাপনা অপসারণ করা হয়। অভিযানে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশ ও রেলওয়ে পুলিশ সহযোগিতা করে। স্ক্যাভেটরের মাধ্যমে একে একে স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলা হয়।
উচ্ছেদের ফলে জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারানো কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্সের চেষ্টা করেও তারা সফল হননি। তাদের দাবি, সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়েছিল।
রেলস্টেশন এলাকার ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বলেন, সরকারি ফি ছাড়াও ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা অতিরিক্ত দাবি করা হয়েছিল। এত টাকা দেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি বলেই লাইসেন্স নিতে পারেননি।
উচ্ছেদ হওয়া আরেক ভুক্তভোগী নুরজাহান বেগমের অভিযোগ, তার কাছেও প্রায় দুই লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। অর্থের ব্যবস্থা করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত তার বসতঘরও উচ্ছেদ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে রেলওয়ের কানুনগো আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, তিনি কারও কাছে কোনো অর্থ দাবি বা গ্রহণ করেননি। যদি কেউ এমন অভিযোগ করেন, তবে তার প্রমাণ উপস্থাপন করার আহ্বান জানান তিনি। তার ভাষ্য, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কারণে ক্ষুব্ধ হয়েই কেউ কেউ ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মঞ্জুর হোসেন বলেন, এটি রেলওয়ের নিয়মিত উচ্ছেদ কার্যক্রমের অংশ। প্রায় ছয় মাস আগে থেকেই সংশ্লিষ্টদের লাইসেন্স গ্রহণের জন্য নোটিশ দেওয়া, মাইকিং করা এবং রেড মার্কিংয়ের মাধ্যমে সতর্ক করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লাইসেন্স না নেওয়ায় অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
পঞ্চগড় রেলস্টেশনে ৪০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, লাইসেন্সে অতিরিক্ত অর্থ দাবির অভিযোগ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের
পঞ্চগড়, ২২ জুলাই ২০২৬: পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অবৈধ দখলমুক্ত করতে অভিযান চালিয়ে ৪০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ের ভূসম্পত্তি বিভাগ। অভিযানের পর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের একাংশ অভিযোগ করেন, সরকারি নিয়মে লাইসেন্স পাওয়ার পরিবর্তে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করায় তারা লাইসেন্স নিতে পারেননি। তবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত বাংলাদেশ রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মঞ্জুর হোসেনের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় রেলওয়ে স্টেশনসংলগ্ন ছোট-বড় দোকান, ঘরবাড়ি ও অন্যান্য অননুমোদিত স্থাপনাসহ মোট ৪০টি স্থাপনা অপসারণ করা হয়। অভিযানে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশ ও রেলওয়ে পুলিশ সহযোগিতা করে। স্ক্যাভেটরের মাধ্যমে একে একে স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলা হয়।
উচ্ছেদের ফলে জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারানো কয়েকজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্সের চেষ্টা করেও তারা সফল হননি। তাদের দাবি, সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়েছিল।
রেলস্টেশন এলাকার ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বলেন, সরকারি ফি ছাড়াও ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা অতিরিক্ত দাবি করা হয়েছিল। এত টাকা দেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি বলেই লাইসেন্স নিতে পারেননি।
উচ্ছেদ হওয়া আরেক ভুক্তভোগী নুরজাহান বেগমের অভিযোগ, তার কাছেও প্রায় দুই লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। অর্থের ব্যবস্থা করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত তার বসতঘরও উচ্ছেদ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে রেলওয়ের কানুনগো আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, তিনি কারও কাছে কোনো অর্থ দাবি বা গ্রহণ করেননি। যদি কেউ এমন অভিযোগ করেন, তবে তার প্রমাণ উপস্থাপন করার আহ্বান জানান তিনি। তার ভাষ্য, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কারণে ক্ষুব্ধ হয়েই কেউ কেউ ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মঞ্জুর হোসেন বলেন, এটি রেলওয়ের নিয়মিত উচ্ছেদ কার্যক্রমের অংশ। প্রায় ছয় মাস আগে থেকেই সংশ্লিষ্টদের লাইসেন্স গ্রহণের জন্য নোটিশ দেওয়া, মাইকিং করা এবং রেড মার্কিংয়ের মাধ্যমে সতর্ক করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লাইসেন্স না নেওয়ায় অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন