ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

ফুলছড়িতে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে ইউএনও কার্যালয় ভাঙচুর, সাংবাদিক সাংবাদিকের উপর হামলা,

ফুলছড়িতে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে ইউএনও কার্যালয় ভাঙচুর, সাংবাদিক সাংবাদিকের উপর হামলা,

খালেদা জিয়ার প্রতিশ্রুতির ৩৩ বছর অতিবাহিত:কটিয়াদী বালিকা বিদ্যালয় সরকারীকরণের জোড়ালো দাবি

খালেদা জিয়ার প্রতিশ্রুতির ৩৩ বছর অতিবাহিত:কটিয়াদী বালিকা বিদ্যালয় সরকারীকরণের জোড়ালো দাবি

মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকের ব্যুরো চীফ হলেন দিরাইয়ের সন্তান সাংবাদিক হারুন মিয়া

মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকের ব্যুরো চীফ হলেন দিরাইয়ের সন্তান সাংবাদিক হারুন মিয়া

লাকসামে প্রাইভেট মাদ্রাসা ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

লাকসামে প্রাইভেট মাদ্রাসা ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঠাকূরগাঁওয়ে ১৩৯ নারী উপকারভোগীর ইউপিজি গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন।

ঠাকূরগাঁওয়ে ১৩৯ নারী উপকারভোগীর ইউপিজি গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন।

মদনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

মদনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

মুরাইদ গারোবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি ফলাফলে আনন্দ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ শিক্ষার্থী

মুরাইদ গারোবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি ফলাফলে আনন্দ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ শিক্ষার্থী

মদনে এসএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস পেলেন মোস্তাফিজুর রহমান

মদনে এসএসসিতে গোল্ডেন এ-প্লাস পেলেন মোস্তাফিজুর রহমান

নীতিমালার অস্পষ্টতায় ম্যানেজিং কমিটি গঠনে জটিলতা

নীতিমালার অস্পষ্টতায় ম্যানেজিং কমিটি গঠনে জটিলতা

নীতিমালার অস্পষ্টতায় ম্যানেজিং কমিটি গঠনে জটিলতা

জিএম তারিকুল ইসলাম কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি:- প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে একজন  অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অথবা সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারী সদস্য হিসেবে থাকার নির্দেশনা রয়েছে। এখানে শিক্ষাগত যোগ্যতা কোন বিষয় না, তবে ওই সদস্য যদি স্নাতক পাশ হন সেক্ষেত্রে সভাপতি পদে প্রার্থী হতে পারবেন। কিন্তু ক্যাচমেন্ট এলাকার মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত একাধিক আগ্রহী প্রার্থী থাকলে সে ক্ষেত্রে করনীয় সম্পর্কে অস্পষ্টতা রয়েছে। 

 কয়রার উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মৃন্ময় কুমার মন্ডলের ভাষ্য, প্রাথমিক শিক্ষক থাকলে তাকে নিতে হবে। অথচ নীতিমালায় এমন কোন নির্দেশনার কথা উল্লেখ নেই,  সকল প্রার্থীদের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

এদিকে দেয়াড়া পশ্চিম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাসুদ কামাল এটিও'র দোহাই দিয়ে বিদ্যালয়ের নিকটবর্তী বসবাসকারী যোগ্যতা সম্পন্ন আগ্রহী অন্য প্রার্থীদের মূল্যায়ন না করে তার পছন্দের একজনকে মনোনীত করেন। যিনি জন্মসূত্রে দেয়াড়ার বাসিন্দা হলেও  প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণের পর থেকে পরিবার নিয়ে খুলনা শহরে বসবাস করছেন। খুলনা শহরে বসবাস করায় তিনি সময় দিয়ে তদারকি করতে না পারার শঙ্কায় অধিকাংশ অভিভাবক তার পরিবর্তে নিকটবর্তী একজনকে নেওয়ার দাবি জানান। বিষয়টি কয়রা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তপন কুমার কর্মকারকে অবগত করলে তিনি ওই প্রধান শিক্ষককে সকলকে নিয়ে সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের নির্দেশনা দেন। তবে সমঝোতা না হলেও  ওই প্রধান শিক্ষক সেই পছন্দের ব্যক্তির নাম চূড়ান্ত করার চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ অহিদুল আলমের সাথে কথা বলার পরে সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাওয়া যায়। তিনি বলেন, "অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাউকে নেওয়ার সুযোগ নেই। সমঝোতার মাধ্যমে একক প্রার্থী নির্ধারণ সম্ভব না হলে বিষয়টি লিখিতভাবে পাঠাতে হবে। পরে তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬


নীতিমালার অস্পষ্টতায় ম্যানেজিং কমিটি গঠনে জটিলতা

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬

featured Image

নীতিমালার অস্পষ্টতায় ম্যানেজিং কমিটি গঠনে জটিলতা

জিএম তারিকুল ইসলাম কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি:- প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে একজন  অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অথবা সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারী সদস্য হিসেবে থাকার নির্দেশনা রয়েছে। এখানে শিক্ষাগত যোগ্যতা কোন বিষয় না, তবে ওই সদস্য যদি স্নাতক পাশ হন সেক্ষেত্রে সভাপতি পদে প্রার্থী হতে পারবেন। কিন্তু ক্যাচমেন্ট এলাকার মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত একাধিক আগ্রহী প্রার্থী থাকলে সে ক্ষেত্রে করনীয় সম্পর্কে অস্পষ্টতা রয়েছে। 

 কয়রার উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মৃন্ময় কুমার মন্ডলের ভাষ্য, প্রাথমিক শিক্ষক থাকলে তাকে নিতে হবে। অথচ নীতিমালায় এমন কোন নির্দেশনার কথা উল্লেখ নেই,  সকল প্রার্থীদের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

এদিকে দেয়াড়া পশ্চিম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাসুদ কামাল এটিও'র দোহাই দিয়ে বিদ্যালয়ের নিকটবর্তী বসবাসকারী যোগ্যতা সম্পন্ন আগ্রহী অন্য প্রার্থীদের মূল্যায়ন না করে তার পছন্দের একজনকে মনোনীত করেন। যিনি জন্মসূত্রে দেয়াড়ার বাসিন্দা হলেও  প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণের পর থেকে পরিবার নিয়ে খুলনা শহরে বসবাস করছেন। খুলনা শহরে বসবাস করায় তিনি সময় দিয়ে তদারকি করতে না পারার শঙ্কায় অধিকাংশ অভিভাবক তার পরিবর্তে নিকটবর্তী একজনকে নেওয়ার দাবি জানান। বিষয়টি কয়রা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তপন কুমার কর্মকারকে অবগত করলে তিনি ওই প্রধান শিক্ষককে সকলকে নিয়ে সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের নির্দেশনা দেন। তবে সমঝোতা না হলেও  ওই প্রধান শিক্ষক সেই পছন্দের ব্যক্তির নাম চূড়ান্ত করার চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ অহিদুল আলমের সাথে কথা বলার পরে সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাওয়া যায়। তিনি বলেন, "অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাউকে নেওয়ার সুযোগ নেই। সমঝোতার মাধ্যমে একক প্রার্থী নির্ধারণ সম্ভব না হলে বিষয়টি লিখিতভাবে পাঠাতে হবে। পরে তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ