টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ভাংচুর ও টাকায় মিথ্যা নাটক সাজিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।
জুয়েল রানা, শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:- কৌশলে এলাকার একাধিক ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে বিভিন্ন এনজিও (NGO) থেকেও লোন তুলে সেই টাকা আত্মসাৎ করেন তাঁরা। এছাড়া স্থানীয় অন্য প্রতিবেশীদের কাছ থেকেও লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এই দম্পতির বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, পাওনা টাকা ফেরত না পেয়ে বিষয়টি নিয়ে ইতিপূর্বে স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশ-বিচার অনুষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীতে শ্রীপুর মডেল থানাতেও লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। বিচার-শালিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবুজ পাওনা বাবদ আহাদকে ৯ লক্ষ টাকার একটি ব্যাংক চেক প্রদান করেন এবং ৮ মাসের মধ্যে তা এককালীন পরিশোধের অঙ্গীকার করেন। পাশাপাশি অন্যান্য পাওনা মেটাতে প্রতি মাসের ২৬ তারিখে ৬০ হাজার টাকা করে কিস্তিতে দেওয়ার লিখিত চুক্তি হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, গত ২৬শে জুলাই নির্ধারিত কিস্তির টাকা আনতে সবুজ ও সাবিনার বাড়িতে যান আহাদের স্ত্রী নার্গিস ও তাঁর বড় বোন। কিন্তু পাওনা টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো তাঁদের ওপর চড়াও হয় সবুজ দম্পতি। পরে নিজেদের দেনা ও ব্যাংক চেকের ঝামেলা থেকে বাঁচতে শ্রীপুর মডেল থানায় একটি মিথ্যা ও সাজানো লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তারা। অভিযোগে দাবি করা হয়, আহাদ নাকি তাঁদের মারধর করে ৫ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে গেছেন।
গাজীপুরের শ্রীপুরে আপন বোনদের রক্তের সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ ও মিথ্যা মামলার নাটক সাজানোর অভিযোগ উঠেছে এক দম্পতির বিরুদ্ধে। ধারের পাওনা টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো পাওনাদারকে ফাঁসাতে ৫ লক্ষ টাকা লুটপাটের মনগড়া অভিযোগ এনে থানায় লিখিত ডায়েরি করা হয়েছে। সোমবার (২৭জুলাই) শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের চকপাড়া গ্রামে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী আহাদ ও তাঁর পরিবার।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী আহাদ জানান, অভিযুক্ত সবুজ ও তাঁর স্ত্রী সাবিনা আক্তার দীর্ঘদিন ধরে স্বজন ও স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রতারণামূলকভাবে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। সম্পর্কে অভিযুক্ত সাবিনা আক্তার, ভুক্তভোগী আহাদের স্ত্রী নার্গিস এবং সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত তাঁদের বড় বোন-এই তিনজনই আপন বোন। এই নিকট আত্মীয়তার সুযোগ নিয়ে সবুজ-সাবিনা দম্পতি আহাদের পরিবারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ধার নেন। শুধু তাই নয়,
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য প্রদানকালে ভুক্তভোগী আহাদ, তাঁর স্ত্রী নার্গিস এবং তাঁদের বড় বোন অভিযোগ করে বলেন, "আমরা আপন বোনের সম্পর্কের বিশ্বাসে টাকা দিয়ে আজ নিঃস্ব। ৯ লক্ষ টাকার ব্যাংক চেক ও কিস্তির টাকা যেন দিতে না হয়, সেজন্যই সবুজ ও সাবিনা এই জঘন্য মিথ্যা নাটক সাজিয়েছে।'
এদিকে স্থানীয় সূত্রে ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কথিত ওই ভাঙচুর ও ৫ লক্ষ টাকা লুটপাটের কোনো ঘটনাই চকপাড়া গ্রামে ঘটেনি। পুরোটাই পাওনাদারদের চাপ থেকে বাঁচতে এবং পাওনা টাকা আত্মসাৎ করতে সাজানো হয়েছে।
এই প্রতারক চক্রের হাত থেকে নিজেদের কষ্টার্জিত পাওনা টাকা উদ্ধার এবং সাজানো মিথ্যা অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ভাংচুর ও টাকায় মিথ্যা নাটক সাজিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন।
জুয়েল রানা, শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:- কৌশলে এলাকার একাধিক ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে বিভিন্ন এনজিও (NGO) থেকেও লোন তুলে সেই টাকা আত্মসাৎ করেন তাঁরা। এছাড়া স্থানীয় অন্য প্রতিবেশীদের কাছ থেকেও লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এই দম্পতির বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, পাওনা টাকা ফেরত না পেয়ে বিষয়টি নিয়ে ইতিপূর্বে স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশ-বিচার অনুষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তীতে শ্রীপুর মডেল থানাতেও লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। বিচার-শালিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবুজ পাওনা বাবদ আহাদকে ৯ লক্ষ টাকার একটি ব্যাংক চেক প্রদান করেন এবং ৮ মাসের মধ্যে তা এককালীন পরিশোধের অঙ্গীকার করেন। পাশাপাশি অন্যান্য পাওনা মেটাতে প্রতি মাসের ২৬ তারিখে ৬০ হাজার টাকা করে কিস্তিতে দেওয়ার লিখিত চুক্তি হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, গত ২৬শে জুলাই নির্ধারিত কিস্তির টাকা আনতে সবুজ ও সাবিনার বাড়িতে যান আহাদের স্ত্রী নার্গিস ও তাঁর বড় বোন। কিন্তু পাওনা টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো তাঁদের ওপর চড়াও হয় সবুজ দম্পতি। পরে নিজেদের দেনা ও ব্যাংক চেকের ঝামেলা থেকে বাঁচতে শ্রীপুর মডেল থানায় একটি মিথ্যা ও সাজানো লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তারা। অভিযোগে দাবি করা হয়, আহাদ নাকি তাঁদের মারধর করে ৫ লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে গেছেন।
গাজীপুরের শ্রীপুরে আপন বোনদের রক্তের সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ ও মিথ্যা মামলার নাটক সাজানোর অভিযোগ উঠেছে এক দম্পতির বিরুদ্ধে। ধারের পাওনা টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো পাওনাদারকে ফাঁসাতে ৫ লক্ষ টাকা লুটপাটের মনগড়া অভিযোগ এনে থানায় লিখিত ডায়েরি করা হয়েছে। সোমবার (২৭জুলাই) শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের চকপাড়া গ্রামে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী আহাদ ও তাঁর পরিবার।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী আহাদ জানান, অভিযুক্ত সবুজ ও তাঁর স্ত্রী সাবিনা আক্তার দীর্ঘদিন ধরে স্বজন ও স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রতারণামূলকভাবে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। সম্পর্কে অভিযুক্ত সাবিনা আক্তার, ভুক্তভোগী আহাদের স্ত্রী নার্গিস এবং সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত তাঁদের বড় বোন-এই তিনজনই আপন বোন। এই নিকট আত্মীয়তার সুযোগ নিয়ে সবুজ-সাবিনা দম্পতি আহাদের পরিবারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা ধার নেন। শুধু তাই নয়,
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য প্রদানকালে ভুক্তভোগী আহাদ, তাঁর স্ত্রী নার্গিস এবং তাঁদের বড় বোন অভিযোগ করে বলেন, "আমরা আপন বোনের সম্পর্কের বিশ্বাসে টাকা দিয়ে আজ নিঃস্ব। ৯ লক্ষ টাকার ব্যাংক চেক ও কিস্তির টাকা যেন দিতে না হয়, সেজন্যই সবুজ ও সাবিনা এই জঘন্য মিথ্যা নাটক সাজিয়েছে।'
এদিকে স্থানীয় সূত্রে ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কথিত ওই ভাঙচুর ও ৫ লক্ষ টাকা লুটপাটের কোনো ঘটনাই চকপাড়া গ্রামে ঘটেনি। পুরোটাই পাওনাদারদের চাপ থেকে বাঁচতে এবং পাওনা টাকা আত্মসাৎ করতে সাজানো হয়েছে।
এই প্রতারক চক্রের হাত থেকে নিজেদের কষ্টার্জিত পাওনা টাকা উদ্ধার এবং সাজানো মিথ্যা অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী

আপনার মতামত লিখুন