ডেইলি বাংল সংবাদ
প্রকাশ : বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

বারহাট্টায় সাহতা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে মোস্তাফিজুর রহমান মাজু

বারহাট্টায় সাহতা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার শীর্ষে মোস্তাফিজুর রহমান মাজু

আজ মহাঅষ্টমী ও কুমারী পূজা: শালিখার শতখালী বিশ্বাস পাড়া দুর্গামন্দিরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পূজা-অর্চনা

আজ মহাঅষ্টমী ও কুমারী পূজা: শালিখার শতখালী বিশ্বাস পাড়া দুর্গামন্দিরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পূজা-অর্চনা

সরিষাবাড়ীতে সবজি বিক্রেতাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন

সরিষাবাড়ীতে সবজি বিক্রেতাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন

বয়ড়া ইউনিয়নের সব দুর্গামণ্ডপ পরিদর্শন, ব্যক্তিগত অর্থসহায়তায় চেয়ারম্যান ফরিদ।

বয়ড়া ইউনিয়নের সব দুর্গামণ্ডপ পরিদর্শন, ব্যক্তিগত অর্থসহায়তায় চেয়ারম্যান ফরিদ।

অষ্টমীর দিন কচুয়ার কড়ইয়া মন্দির পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

অষ্টমীর দিন কচুয়ার কড়ইয়া মন্দির পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

নেত্রকোণার মদনে নবযোগদানকৃত ইউএনওর সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা

নেত্রকোণার মদনে নবযোগদানকৃত ইউএনওর সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা

সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে মদনে মানববন্ধন

সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে মদনে মানববন্ধন

ইসলামপুর প্রেসক্লাবে ‘ডেইলি বাংলাদেশ’ সম্পাদক শাহিদুর রহমান শাহিদকে সংবর্ধনা

ইসলামপুর প্রেসক্লাবে ‘ডেইলি বাংলাদেশ’ সম্পাদক শাহিদুর রহমান শাহিদকে সংবর্ধনা

কুমিল্লায় গত তিন বছরে ১০ ও ৬০ বিজিবির অভিযানে জব্দ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস

কুমিল্লায় গত তিন বছরে ১০ ও ৬০ বিজিবির অভিযানে জব্দ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস

কুমিল্লায় গত তিন বছরে ১০ ও ৬০ বিজিবির অভিযানে জব্দ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস

শাহাদাত কামাল শাকিল.... কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকায় গত তিন বছরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবির ১০ ও ৬০ ব্যাটালিয়নের অভিযানে জব্দ করা প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লার কোটবাড়িতে ১০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা ও আশপাশের সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে গত তিন বছর ধরে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে বিজিবি। সীমান্তে টহল জোরদার, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়।

গত তিন বছরে ১০ বিজিবি ও ৬০ বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় প্রায় ২০ হাজার ২০০টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য আটক ও জব্দ করা হয়। একই সময়ে মাদকসহ ৫২৬ জনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া মাদক ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত আরও প্রায় আড়াইশ ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

আইনগত প্রক্রিয়া শেষে জব্দ করা মাদকদ্রব্যের একটি বড় অংশ আজ কোটবাড়িতে বিজিবি-১০ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে ধ্বংস করা হয়।

মাদকদ্রব্য ধ্বংস কার্যক্রম উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মাদক একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি। বিশেষ করে তরুণ ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে সীমান্তে মাদক চোরাচালান বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি।

বিজিবি কর্মকর্তারা বলেন, সীমান্ত দিয়ে যাতে কোনোভাবেই মাদক দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য বিজিবি সদস্যরা দিন-রাত দায়িত্ব পালন করছেন। মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিজিবির জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে।

কুমিল্লার সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদক বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে থাকে। এসব মাদক দেশের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়ার আগেই সীমান্তে তা প্রতিহত করতে বিজিবির টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

বিজিবির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, শুধু মাদক জব্দ করাই নয়, এর সঙ্গে জড়িত চোরাকারবারি ও মাদক ব্যবসায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত চক্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এদিকে, বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংসের মধ্য দিয়ে কুমিল্লা সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে বিজিবির কঠোর অবস্থানের বিষয়টি আরও একবার সামনে এসেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সীমান্তে মাদক চোরাচালান বন্ধে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানই যথেষ্ট নয়; পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন। একই সঙ্গে মাদকের উৎস, সরবরাহকারী এবং চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।

বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সীমান্ত দিয়ে মাদকসহ সব ধরনের অবৈধ পণ্য প্রবেশ বন্ধে টহল, নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

কুমিল্লার কোটবাড়িতে প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংসের এ কার্যক্রম মাদকবিরোধী অভিযানে বিজিবির চলমান তৎপরতারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডেইলি বাংল সংবাদ

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬


কুমিল্লায় গত তিন বছরে ১০ ও ৬০ বিজিবির অভিযানে জব্দ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬

featured Image

কুমিল্লায় গত তিন বছরে ১০ ও ৬০ বিজিবির অভিযানে জব্দ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস

শাহাদাত কামাল শাকিল.... কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকায় গত তিন বছরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবির ১০ ও ৬০ ব্যাটালিয়নের অভিযানে জব্দ করা প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লার কোটবাড়িতে ১০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা ও আশপাশের সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে গত তিন বছর ধরে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে বিজিবি। সীমান্তে টহল জোরদার, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়।

গত তিন বছরে ১০ বিজিবি ও ৬০ বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় প্রায় ২০ হাজার ২০০টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য আটক ও জব্দ করা হয়। একই সময়ে মাদকসহ ৫২৬ জনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া মাদক ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত আরও প্রায় আড়াইশ ব্যক্তি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

আইনগত প্রক্রিয়া শেষে জব্দ করা মাদকদ্রব্যের একটি বড় অংশ আজ কোটবাড়িতে বিজিবি-১০ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে ধ্বংস করা হয়।

মাদকদ্রব্য ধ্বংস কার্যক্রম উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মাদক একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি। বিশেষ করে তরুণ ও যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে রক্ষা করতে সীমান্তে মাদক চোরাচালান বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি।

বিজিবি কর্মকর্তারা বলেন, সীমান্ত দিয়ে যাতে কোনোভাবেই মাদক দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য বিজিবি সদস্যরা দিন-রাত দায়িত্ব পালন করছেন। মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে বিজিবির জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে।

কুমিল্লার সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদক বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করে থাকে। এসব মাদক দেশের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়ার আগেই সীমান্তে তা প্রতিহত করতে বিজিবির টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

বিজিবির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, শুধু মাদক জব্দ করাই নয়, এর সঙ্গে জড়িত চোরাকারবারি ও মাদক ব্যবসায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত চক্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এদিকে, বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংসের মধ্য দিয়ে কুমিল্লা সীমান্তে মাদকবিরোধী অভিযানে বিজিবির কঠোর অবস্থানের বিষয়টি আরও একবার সামনে এসেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সীমান্তে মাদক চোরাচালান বন্ধে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানই যথেষ্ট নয়; পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন। একই সঙ্গে মাদকের উৎস, সরবরাহকারী এবং চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।

বিজিবি কর্মকর্তারা জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সীমান্ত দিয়ে মাদকসহ সব ধরনের অবৈধ পণ্য প্রবেশ বন্ধে টহল, নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

কুমিল্লার কোটবাড়িতে প্রায় ৫২ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংসের এ কার্যক্রম মাদকবিরোধী অভিযানে বিজিবির চলমান তৎপরতারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।


ডেইলি বাংল সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ মনিরুল ইসলাম । নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ মাহবুব হাসান পাটোয়ারী


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ডেইলি সংবাদ