মুরাইদ গারোবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি ফলাফলে আনন্দ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ শিক্ষার্থী
ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : মমিনুর ইসলাম মিলন। টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত মুরাইদ গারোবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় মুরাইদ গারোবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মোট ৩৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। এছাড়া ৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ (A+) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। বিদ্যালয়টির মোট পাসের হার ৬৭ শতাংশ।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাহাড়ি একটি অঞ্চলে বিদ্যালয়টির অবস্থান। প্রত্যন্ত এই এলাকার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এমন ফলাফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। একই সঙ্গে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকেও বিদ্যালয়ের শিক্ষক মহোদয়রা পেয়েছেন ব্যাপক প্রশংসা ও বাহবা।
ভালো ফলাফলের আনন্দে কোনো কোনো অভিভাবক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে মিষ্টিমুখ করাচ্ছেন। শিক্ষকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা।
শিক্ষকরা বলেন, এই ফলাফল শুধু শিক্ষকদের একার প্রচেষ্টার ফল নয়। এলাকাবাসী, অভিভাবক এবং বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকার সম্মিলিত সহযোগিতা ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঠিক শিক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী করতে অভিভাবকদের সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মো. এছহাক আলী বলেন,“আমাদের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে আমাদের একার পক্ষে মানুষ করা সম্ভব হয়নি। এতে আশেপাশের আপনারা যারা আছেন, গার্জিয়ান পক্ষ যারা আছেন, সকলের সহযোগিতায় আমরা এই রেজাল্ট আপনাদেরকে উপহার দিতে পেরেছি।”
তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা ছাড়া শিক্ষার্থীদের এই ফলাফল অর্জন করা সম্ভব হতো না। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল করানোর জন্য শিক্ষকরা আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।
প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেন ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষায় ভালো করতে পারে এবং দেশ ও সমাজের জন্য যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে, সেটিই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
সবশেষে প্রধান শিক্ষক মো. এছহাক আলী নিজের জন্য এবং মুরাইদ গারোবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।
এদিকে, এসএসসি পরীক্ষায় ৩৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৬ জন কৃতকার্য হওয়া এবং তিনজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ায় বিদ্যালয়টির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলের এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি আগামীতে আরও ভালো ফলাফল করবে—এমন প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
মুরাইদ গারোবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি ফলাফলে আনন্দ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ শিক্ষার্থী
ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : মমিনুর ইসলাম মিলন। টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত মুরাইদ গারোবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় মুরাইদ গারোবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মোট ৩৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ২৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। এছাড়া ৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ (A+) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। বিদ্যালয়টির মোট পাসের হার ৬৭ শতাংশ।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পাহাড়ি একটি অঞ্চলে বিদ্যালয়টির অবস্থান। প্রত্যন্ত এই এলাকার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এমন ফলাফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। একই সঙ্গে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকেও বিদ্যালয়ের শিক্ষক মহোদয়রা পেয়েছেন ব্যাপক প্রশংসা ও বাহবা।
ভালো ফলাফলের আনন্দে কোনো কোনো অভিভাবক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে মিষ্টিমুখ করাচ্ছেন। শিক্ষকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা।
শিক্ষকরা বলেন, এই ফলাফল শুধু শিক্ষকদের একার প্রচেষ্টার ফল নয়। এলাকাবাসী, অভিভাবক এবং বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকার সম্মিলিত সহযোগিতা ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঠিক শিক্ষা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী করতে অভিভাবকদের সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মো. এছহাক আলী বলেন,“আমাদের স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে আমাদের একার পক্ষে মানুষ করা সম্ভব হয়নি। এতে আশেপাশের আপনারা যারা আছেন, গার্জিয়ান পক্ষ যারা আছেন, সকলের সহযোগিতায় আমরা এই রেজাল্ট আপনাদেরকে উপহার দিতে পেরেছি।”
তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা ছাড়া শিক্ষার্থীদের এই ফলাফল অর্জন করা সম্ভব হতো না। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের আরও ভালো ফলাফল করানোর জন্য শিক্ষকরা আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।
প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেন ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষায় ভালো করতে পারে এবং দেশ ও সমাজের জন্য যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে, সেটিই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
সবশেষে প্রধান শিক্ষক মো. এছহাক আলী নিজের জন্য এবং মুরাইদ গারোবাজার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।
এদিকে, এসএসসি পরীক্ষায় ৩৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৬ জন কৃতকার্য হওয়া এবং তিনজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ায় বিদ্যালয়টির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলের এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি আগামীতে আরও ভালো ফলাফল করবে—এমন প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন