ফুলপুরে মামার সঙ্গে ওয়ারিশি সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, ভাগিনাদের বিরুদ্ধে হামলা ও চাষাবাদে বাধার অভিযোগ
মোঃ রফিকুল ইসলাম , ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:- ময়মনসিংহের ফুলপুরে ওয়ারিশি সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে মামা ও ভাগিনাদের মধ্যে বিরোধের জেরে বাড়িতে হামলা, দরজার তালা ভাঙচুর এবং জমিতে চাষাবাদে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ৫ নম্বর সদর ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
অভিযোগকারী নগুয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আলাল উদ্দিন ফকিরের দাবি, তাঁর বোনদের ওয়ারিশি সম্পত্তির পাওনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিকভাবে আলোচনা চলছে। তাঁর কয়েকজন ভাই অন্য বোনদের ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা করে দিয়ে তাঁদের ওয়ারিশি পাওনা মিটিয়েছেন। তিনি তাঁর ছোট বোন রুকিয়া খাতুনকে ৬০ হাজার টাকা দিতে রাজি হয়েছেন। বিষয়টি এলাকার অনেকেই জানেন বলে দাবি করেন তিনি।
মো. আলাল উদ্দিন ফকির বলেন, ‘আমার বোনের যদি আরও কোনো চাওয়া-পাওয়া থাকে, তাহলে এলাকার মুরব্বিদের নিয়ে বসে বিষয়টি সমাধান করার জন্য আমি বলেছি। কিন্তু তাঁরা তা না করে আমার বাড়িতে হামলা করছেন।’
তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর ভাগিনা রাসেল, আলামিন ও সাঈদ এবং তাঁর বোন রুকিয়া খাতুন মিলে প্রায় দুই দিন পরপর তাঁর বাড়িতে এসে হামলা ও ভাঙচুর করছেন। সর্বশেষ ঘটনার দুই দিন আগেও তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়ে দরজার দুটি তালার মধ্যে একটি তালা ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আলাল উদ্দিনের স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের বাড়িতে আমরা স্বামী-স্ত্রী দুজন থাকি। আমাদের ছেলেরা ঢাকায় থাকে। বাড়ি খালি থাকার সুযোগে আমার ননদ ও তাঁর ছেলেরা প্রায়ই বাড়িতে এসে হামলা চালায়। শুধু বাড়িতে হামলা নয়, আমাদের জমিতে চাষাবাদ করতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কারও সঙ্গে ঝামেলা চাই না। পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধান হোক। তবে এভাবে বাড়িতে হামলা ও জমিতে চাষাবাদে বাধা দেওয়া বন্ধ হওয়া দরকার। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’
অভিযোগকারীর দাবি, ওয়ারিশি সম্পত্তির পাওনা নিয়ে মতবিরোধ থাকলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বসে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করা সম্ভব। কিন্তু আলোচনার পরিবর্তে বাড়িতে হামলা ও চাষাবাদে বাধা দেওয়ায় তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত রুকিয়া খাতুন, রাসেল, আলামিন ও সাঈদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, পারিবারিক ওয়ারিশি সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ দীর্ঘায়িত হলে তা থেকে বড় ধরনের সংঘাতের সৃষ্টি হতে পারে। তাই উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয় ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন বলেন এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্হা নিব।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
ফুলপুরে মামার সঙ্গে ওয়ারিশি সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, ভাগিনাদের বিরুদ্ধে হামলা ও চাষাবাদে বাধার অভিযোগ
মোঃ রফিকুল ইসলাম , ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:- ময়মনসিংহের ফুলপুরে ওয়ারিশি সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে মামা ও ভাগিনাদের মধ্যে বিরোধের জেরে বাড়িতে হামলা, দরজার তালা ভাঙচুর এবং জমিতে চাষাবাদে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ৫ নম্বর সদর ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
অভিযোগকারী নগুয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আলাল উদ্দিন ফকিরের দাবি, তাঁর বোনদের ওয়ারিশি সম্পত্তির পাওনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিকভাবে আলোচনা চলছে। তাঁর কয়েকজন ভাই অন্য বোনদের ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা করে দিয়ে তাঁদের ওয়ারিশি পাওনা মিটিয়েছেন। তিনি তাঁর ছোট বোন রুকিয়া খাতুনকে ৬০ হাজার টাকা দিতে রাজি হয়েছেন। বিষয়টি এলাকার অনেকেই জানেন বলে দাবি করেন তিনি।
মো. আলাল উদ্দিন ফকির বলেন, ‘আমার বোনের যদি আরও কোনো চাওয়া-পাওয়া থাকে, তাহলে এলাকার মুরব্বিদের নিয়ে বসে বিষয়টি সমাধান করার জন্য আমি বলেছি। কিন্তু তাঁরা তা না করে আমার বাড়িতে হামলা করছেন।’
তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর ভাগিনা রাসেল, আলামিন ও সাঈদ এবং তাঁর বোন রুকিয়া খাতুন মিলে প্রায় দুই দিন পরপর তাঁর বাড়িতে এসে হামলা ও ভাঙচুর করছেন। সর্বশেষ ঘটনার দুই দিন আগেও তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়ে দরজার দুটি তালার মধ্যে একটি তালা ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আলাল উদ্দিনের স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের বাড়িতে আমরা স্বামী-স্ত্রী দুজন থাকি। আমাদের ছেলেরা ঢাকায় থাকে। বাড়ি খালি থাকার সুযোগে আমার ননদ ও তাঁর ছেলেরা প্রায়ই বাড়িতে এসে হামলা চালায়। শুধু বাড়িতে হামলা নয়, আমাদের জমিতে চাষাবাদ করতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কারও সঙ্গে ঝামেলা চাই না। পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধান হোক। তবে এভাবে বাড়িতে হামলা ও জমিতে চাষাবাদে বাধা দেওয়া বন্ধ হওয়া দরকার। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’
অভিযোগকারীর দাবি, ওয়ারিশি সম্পত্তির পাওনা নিয়ে মতবিরোধ থাকলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বসে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করা সম্ভব। কিন্তু আলোচনার পরিবর্তে বাড়িতে হামলা ও চাষাবাদে বাধা দেওয়ায় তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত রুকিয়া খাতুন, রাসেল, আলামিন ও সাঈদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, পারিবারিক ওয়ারিশি সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ দীর্ঘায়িত হলে তা থেকে বড় ধরনের সংঘাতের সৃষ্টি হতে পারে। তাই উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয় ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন বলেন এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্হা নিব।

আপনার মতামত লিখুন